ব্রেক্সিট চুক্তি: যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের দিকে সবার দৃষ্টি

86
gb

জিবি নিউজ ২৪ ডেস্ক//

নতুন ব্রেক্সিট চুক্তি নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে সমঝোতার পর এখন আবারও দৃশ্যপটে ব্রিটিশ রাজনীতি। যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণে জলে গেছে আগের চুক্তি। কিন্তু ব্রেক্সিট নিয়ে বিভক্ত ব্রিটিশ আইনসভা কি এবার নতুন এই চুক্তিতে সমর্থন দেবে? এমন প্রশ্নের জবাব জানা যাবে কাল শনিবার।

সমঝোতার মাধ্যমে ইইউর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বিচ্ছেদ কার্যকরে গতকাল বৃহস্পতিবার নতুন চুক্তিতে সম্মত হয় উভয় পক্ষ। সম্পাদিত এই চুক্তি অনুমোদন প্রশ্নে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়েছে। চলতি শতকে ছুটির দিনে অধিবেশন ডাকার এটিই প্রথম ঘটনা।

ব্রেক্সিটবিরোধীদের উদ্যোগে পাস হওয়া এক আইনে (বেন অ্যাক্ট নামে পরিচিত) বলা আছে, ১৯ অক্টোবরের (শনিবার) মধ্যে কোনো চুক্তির পক্ষে বা চুক্তি ছাড়াই ব্রেক্সিট কার্যকরে পার্লামেন্টের অনুমোদন নিতে ব্যর্থ হলে সরকারকে অবশ্যই বিচ্ছেদের দিনক্ষণ ২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন করতে হবে। কিন্তু কট্টর ব্রেক্সিটপন্থী প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন যেকোনো মূল্যে ৩১ অক্টোবর ব্রেক্সিট কার্যকর করতে চান।

বিরোধী দলগুলো এই চুক্তির বিরোধিতায় সরব। তারা চায় চুক্তিটি প্রত্যাখ্যান করে বিচ্ছেদের দিনক্ষণ পেছাতে সরকারকে বাধ্য করতে। সরকারের অংশীদার নর্দান আয়ারল্যান্ডের ডেমোক্র্যাটিক ইউনিয়নিস্ট পার্টিও (ডিইউপি) জানিয়ে দিয়েছে, তারা এই চুক্তিতে সমর্থন দেবে না। পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য ডিইউপির ১০ জন আইনপ্রণেতার সমর্থনের ওপর নির্ভরশীল সরকার। অন্যদিকে ব্রেক্সিট নিয়ে বিরোধের জের ধরে দুই আইনপ্রণেতার দলত্যাগ এবং ২১ জনকে বহিষ্কার করার কারণে পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ধারে–কাছেও নেই ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভরা।

তবে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের দাবি, চুক্তিটি পার্লামেন্টে পাস হওয়ার ব্যাপারে তিনি বেশ আত্মবিশ্বাসী। শনিবার অধিবেশনের আগে চুক্তির পক্ষে আইনপ্রণেতাদের সমর্থন আদায়ে মরিয়া হয়ে চেষ্টা চালায় সরকার। মন্ত্রীরা একের পর এক গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়ে চুক্তির পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেছেন।

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন Accept আরও পড়ুন