দুর্নীতিবাজদের অর্থ বাজেয়াপ্ত করতে হবে : ড. অহিদুজ্জামান

36
gb

 

সমাজ ও রাষ্ট্র থেকে দুর্নীতিবাজদের হটাতে হলে তাদের অবৈধ পথে উপার্জিত অর্থ বাজেয়াপ্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন নোয়াখালি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. অহিদুজ্জামান।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতি বিরোধী যে অভিযান শুরু করেছেন তাকে শুধু স্বাগত জানিয়ে দায়িত্ব শেষ করলে হবে না। বরং এই অভিযানকে সফল করতে প্রধানমন্ত্রীর পাশে খাকতে হবে, তার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে। পত্রিকার পাতায় যখন শিক্ষকদের দুর্নীতির কথা লেকা হয় তখন তা দেখে লজ্জিত হই। শিক্ষকদের মধ্যেও কেউ দুর্নীতি ও নৈতিকতা বিবর্জিত কাজে জড়িত হলে তাদেরও শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

শনিবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর পাবলিক লাইব্রেরীর শওকত ওসমান মিলনায়তনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ শিক্ষক ইউনিয়ন আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ২০০৮ সালে দিন বদলের কর্মসূচীতে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন শিক্ষকদের উচ্চতর মর্যদা ও বেতন কাঠামোর আওতায় আনা হবে। দু:খ জনক হলেও সত্য আজও তা বাস্তবায়িত হয়নি। বরং প্রাথমিক শিক্ষকরা যে সুযোগ সুবিধা পায় মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষকরা তা হতে বঞ্চিত। তাদের সেই সুযোগ সুবিধা প্রধান করা উচিত।

তিনি শিক্ষদের উদ্দেশ্যে বলেন, শিক্ষতার মত মহান পেশায় আসা উচিত অনেক বড় মন নিয়ে। আমাদেরও শিক্ষক ছিলেন। তাদের এতা ডিগ্রি, এত বেতন ছিল না, এত সুযোগ সুবিধাও ছিল না। অনেক কষ্ট করে এ পেশায় তারা ছিলেন কারিগর হিসাবেই। কোন অনৈতিকতা তাদের স্পর্শ করতে পারে নাই। তারা মহাপন্ডিত ছিলেন। আজও তাদের দেখলে ছাত্ররা মাথা নিচু করে ফেলে। কিন্তু, এখন শিক্ষকদের অনেক সুযোগ সুবিধা থাকলেও ছাত্ররা কি তাদের দেখলে মাথা নিছু করে দেয় ?

ড. অহিদুজ্জামান সরকারকে শিক্ষাকে জাতীয় করণের ব্যবস্থা গ্রহনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, শিক্ষকের মর্যাদা, মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্টিত করতে হবে। পাশাপাশি আমাদের অধিকার মর্যাদার সাথে কতটুকু দায়িত্ব পালন করছি তাও দেখতে হবে।

প্রধান আলোচক মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক বলেন, আমিও একজন শিক্ষক ছিলাম। আপনাদের কষ্টে কথা বুঝি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শিক্ষাকে অথ্যন্ত গুরুত্ব প্রদান করেন। তাই শিক্ষকদের যৌক্তিক দাবী বাস্তবায়নে তিনি অবশ্যই আন্তরিক থাকবেন।

বাংলাদেশ শিক্ষক ইউনিয়নের নির্বাহী সভাপতি মো. আ. ছালাম খানের সভাপতিত্বে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংগঠনের মহাসচিব মো. জসিম উদ্দিন সিকদার।

আলোচনায় অংশগ্রহন করেন সাউথ-ইস্ট ইউনিভারসিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. আ ন ম মেশকাতউদ্দিন, সংগঠনের সভাপতি মো. আবুল বাশার হাওলাদার, সহ-সভাপতি মোশাররফ হোসেন ভুইয়া, কুমিল্লা জেলা সভাপতি মোজাম্মেল হক চৌধুরী, শিক্ষক নেত্রী দেলোয়ারা মাহমুদ প্রমুখ।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করে সংগঠনের অতিরিক্ত মহাসচিব মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ প্রিন্স ও ফরহাদ কবির।

অনুষ্ঠানে শ্রেষ্ঠ্য শিক্ষক হিসাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

gb

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More