কুমারী মাতার সন্তানের পিতৃ পরিচয়ের দাবিতে দ্বারে দ্বারে ঘুরছে বৃষ্টি!

93

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা প্রতিনিধি ঃ

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় বৃষ্টি নামের এক কুমারী মাতার সন্তানের পিতৃ পরিচয়ের চাইছেন সমাজের কাছে।

ছাট যোগীপাড়া গ্রামের মতলুর পুত্র আলিফ নুরের প্রেমের ফসল ওই শিশুটি বলে দাবী করেন বৃষ্টি।

গত ৮ সেপ্টেম্বর ধরণীর বুকে আসে আলিফ বৃষ্টির প্রেমের ফসল ফুটফুটে এক নবজাতক কন্যা শিশু। ১৬ সেপ্টেম্বর নবজাতকের বয়স হয়েছে ৯ দিন।

বাঁশহাটা গ্রামের অবিবাহিত কুমারী ষোড়শী কন্যা বৃষ্টির সদ্য গর্ভজাত কন্যা সন্তানের পিতৃ পরিচয়ের দাবিতে প্রশাসনসহ সমাজের মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে।

বৃষ্টি জানায়, দুজনই খামার ধনারুহা দাখিল মাদ্রাসায় লেখাপড়া করার সুবাদে আলিফ নুরের সাথে ভালোবাসার সর্ম্পক গড়ে উঠে। ভালোলাগা ভালোবাসার সর্ম্পকটি একসময় গভীর প্রেমের সর্ম্পকে রুপ নেয়।

বাড়িতেও মাঝে মাঝে ডেকে নিয়ে তার কু মনোবাসনা পুরণ করেছে আলিফ ।

একাধিকবার অবৈধ মেলামেশায় ফলে বৃষ্টির গর্ভে সন্তান আসে। তবে বিষয়টি দীর্ঘ কয়েক মাস পর বুঝতে পেরে বৃষ্টি আলিফকে জানায়। আলিফ তখন বৃষ্টিকে তার গর্ভের সন্তানটি নষ্ট করার জন্য চাপ সৃষ্টি করে।

কুমারী বৃষ্টির গর্ভের সন্তানকে দেখতে উৎসুক জনতা ভীড় জমাতে থাকে। প্রকাশ পায় আলিফ নুর বৃষ্টির প্রেমের ইতিহাস।

আলিফ নুর ঘটনাটি জানতে পেরে সঙ্গে সঙ্গে গা ঢাকা দেয়। তখন তার পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে কয়েকদফা বৈঠক করেন এবং আলিফের পরিবার তিনদিন সময় নেয়। কিন্তু বিষয়টি নিষ্পত্তির তারিখ গত ১৪ সেপ্টেম্বর এসে আলিফের পরিবারের নানান তালবাহানা শুরু করে। বর্তমানে আলিফের পরিবার বৃষ্টির পরিবারকে বিভিন্ন ভীতি প্রর্দশনসহ সন্তানের স্বীকৃতি দিতে অস্বীকার করছে।

তালবাহানা ও কন্যা শিশু সন্তানের পিতৃ পরিচয় মেনে না নেয়ার কারনে বৃষ্টির পরিবার অসহায় হয়ে পড়ে।

বৃষ্টি তার গর্ভের সন্তানের পিতৃ পরিচয়ের দাবি নিয়ে সমাজের মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুড়ে বেরিয়ে কোন বিচার না পাওয়ায় অবশেষে থানা প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনায় আবেদন করবে বলে জানায়।

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন Accept আরও পড়ুন