গাইবান্ধায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদত বার্ষিকী ও শোক দিবস পালিত

36
gb

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি ।। জিবি নিউজ ।।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদত বার্ষিকী ও

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ১৫ আগস্ট বৃহস্পতিবার গাইবান্ধায় দিনভর

বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করা হয়। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কর্মসূচির

মধ্যে ছিল কোরখানি ও দোয়া মাহফিল, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান,

শোক র‌্যালী, আলোচনা সভা, শিশু-কিশোরদের চিত্রাংকন, আবৃত্তি, হামদ নাত ও

রচনা প্রতিযোগিতা, যুব উন্নয়নের চেক বিতরণ, স্বেচ্ছায় রক্তদান

 

কর্মসূচী, মেডিকেল ক্যাম্প, সকল মসজিদে মিলাদ মাহফিল-মন্দির-

গীর্জায় বিশেষ প্রার্থনা ও বঙ্গবন্ধুর জীবনীর উপর আলোকচিত্র প্রদর্শনী।

র‌্যালী শেষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আলমগীর কবীরের

সভাপতিত্বে স্থানীয় পৌর শহীদ মিনার চত্বরে আলোচনা সভায় প্রধান

অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মতিন। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য

রাখেন পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আব্দুল মান্নান মিয়া, জেলা আ’লীগ

সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক, পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট শাহ মাসুদ

জাহাঙ্গীর কবির মিলন, সিভিল সার্জন ডাঃ এবিএম আবু হানিফ, সদর

উপজেলা নির্বাহী অফিসার উত্তম কুমার রায় প্রমুখ।

অপরদিকে গাইবান্ধা জেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনগুলোও পৃথক

পৃথক কর্মসূচীর মধ্যে দিয়ে শোক দিবসটি পালন করে। সুর্যোদয়ের

সাথে সাথে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় চত্বরে জাতীয় ও দলীয় পতাকা

অর্ধনমিত করণ, কালো পতাকা উত্তোলন, পরে ১৫ আগস্টের শহীদদের আত্মার

মাগফেরাত কামনা করে কোরআনখানি ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মসূচি সমুহে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাড. সৈয়দ শামসুল

আলম হিরু, সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক, পৌর মেয়র অ্যাড, শাহ

মাসুদ জাহাঙ্গীর কবির মিলন. মৃদুল মোস্তাফিজ ঝন্টু, রেজাউল করিম

রেজা, রনজিৎ বকসী সূর্য, আমিনুর জামান রিংকুসহ জেলা ও উপজেলা

নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সকাল ৯টায় বঙ্গবন্ধুর মুরালে পুস্পস্তবক অর্পন

করেন আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ। পরে শোক র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও জেলা

আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আগামী ১৮ আগস্ট সকালে পৌর শহীদ মিনার

চত্বরে আলোচনা সভা এবং দুপুরে আসাদুজ্জামান স্কুল ও কলেজে খাদ্য

বিতরণের বিশেষ কর্মসূচি পালিত হবে। এছাড়া জেলা শিল্পকলা একাডেমি

এ উপলক্ষে কবিতা আবৃত্তি ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে

এবং জেলা শিশু একাডেমির উদ্যোগে শিশু-কিশোরদের জন্য দেয়ালিকা পত্রিকা

প্রদর্শন, রচনা প্রতিযোগিতা, রচনা ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা এবং

কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতার আয়োজন করে হয়। এছাড়া জেলার

মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতেও পৃথক পৃথক কর্মসূচি পালিত হয় এবং বিভিন্ন

অফিস-আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনিমিত রাখা হয়।

gb
মন্তব্য
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More