রাস্তায় আগুন: ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক যানজটে স্থবির

41
gb

জিবি নিউজ টুয়েন্টিফোর ডট কম।।

ঢাকা-টাঙ্গাইল- বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইলের অংশে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। আর এতে করে স্থবির হয়ে পড়েছে মহাসড়ক।

ঘণ্টার পর ঘণ্টা গাড়ির মধ্যে আটকা থেকে মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ঈদে ঘরমুখো মানুষ। বিশেষ করে বয়স্ক ও শিশুরা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে চরম কষ্টে সময় পার করছেন।

মহাসড়কের বঙ্গবন্ধুসেতু থেকে মির্জাপুরের গোড়াই পর্যন্ত বিভিন্ন পয়েন্টে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
রোববার ভোর থেকে এই মহাসড়কে উত্তরবঙ্গগামী যানবাহন চলাচল এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ জানায়, ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত কমপক্ষে ৪-৫ বার বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায় বন্ধ করছে সেতু কর্তৃপক্ষ। সেতুর উপরে লক্কর ঝক্কর বেশ কয়েকটি গাড়ি বিকল হয় এবং বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম পাড়ের সিরাজগঞ্জের অংশ গাড়ি টানতে না পারায় টোল বন্ধ করে কর্তৃপক্ষ। আর এতেই এতেই দীঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার মধ্য রাতে মহাসড়কের দুটি স্থানে গাড়ি বিকল হয়েছিল। পরে ওই গাড়িগুলোকে রেকার দিয়ে সরিয়ে নেয় পুলিশ। এছাড়াও বৃষ্টিপাতের কারণ ও এলেঙ্গায় দুই লেনের সড়কের অবস্থা খারাপ হওয়ায় এখানে গাড়ির গতি কমে আসে। এর ফলে গাড়িগুলো ঠিক মতো টানতে পারে না।
শুক্রবার দিনভর থেমে গাড়ি চলাচল করেছে। তবে শনিবার ভোর থেকে আরও খারাপ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ১০ হাত দূরে গিয়ে প্রায় এক দেড় ঘন্টা গাড়ি আটকে পড়ছে। যা শনিবার দিনভর ও রাতভর মহাসড়কে যানজট অব্যহত থাকে। আর এই যানজট রোববার পর্যন্ত অব্যহত রয়েছে।

এদিকে যানযটে আটকে পড়া যাত্রীরা বিক্ষোভ করছে। তারা সড়কে আগুন জ্বালিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছে।

এ ব্যাপারে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ওসি মোশারফ হোসেন জানান, ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত কমপক্ষে ৪-৫ বার টোল আদায় বন্ধ করছে সেতু কর্তৃপক্ষ। সেতুর উপরে বেশ কয়েকটি লক্কর ঝক্কর গাড়ি বিকল হওয়ায় গাড়িগুলো সরিয়ে নিতে একটু সময় লাগে। এছাড়া বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম পাড়ের সিরাজগঞ্জের অংশ গাড়ি টানতে না পারায় টোল বন্ধ করে কর্তৃপক্ষ। আর এতেই এতেই মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় শনিবার, সকাল ৬টা থেকে রোববার সকাল ৬টা পযন্ত ছোট-বড় বিভিন্ন ধরনের ৩৩ হাজার ১২০টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। যানবাহনের মধ্যে ঢাকা থেকে ছেড়ে উত্তরবঙ্গের দিকে যায় ২১ হাজার ৮২১টি এবং উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে ঢাকার দিকে যায় ১১ হাজার ২৯৯টি।

 

gb
মন্তব্য
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More