এবার মৌলভীবাজার কুলাউড়ায় মাদ্রাসাছাত্রীকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে রক্তাক্ত

256

জিবি নিউজ ডেস্ক।।

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার টিলাগাঁও ইউনিয়নে মাদ্রাসায় যাওয়ার সময় হাজেরা বেগম (১৪) নামে এক ছাত্রীকে প্রকাশ্যে দা দিয়ে কুপিয়ে জখম করে বখাটে।

আহত হাজেরা বেগম সিলেট ওসমানী হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। আর বখাটে রুহুল আমিনকে কুলাউড়া থানা পুলিশ আটক করে সোমবার আদালতে পাঠিয়েছে।

পুলিশ সুত্রে জানা যায়, রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে টিলাগাঁও ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামের বাসিন্দা ও সাইদুর রহমানের মেয়ে স্থানীয় চাউরউলি মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী হাজেরা বেগম মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে একই গ্রামের আবদুল মনাফের পুত্র রুহুল আমিন (১৫) দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।

স্থানীয় লোকজন হাজেরা বেগমের আর্তচিৎকারে এগিয়ে এসে তাকে প্রথমে কুলাউড়া হাসপাতালে ভর্তি করে। হাজেরা বেগমের অবস্থা শঙ্কটাপন্ন হওয়ায় মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল এবং পরে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

স্থানীয় লোকজন জানান, বখাটে রুহুল আমিনের প্রেমেরে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় সে ক্ষিপ্ত হয়ে হাজেরার ওপর হামলা চালায়।

অবশ্য পুলিশ বলছে, ছাগল নিয়ে উভয় পরিবারের বিরোধের জের ধরে এই হামালা চালিয়েছে রুহুল আমিন। খবর পেয়ে ৩০ জুন রাতেই অভিযান চালিয়ে পুলিশ বখাটে রুহুল আমিনকে আটক করেছে।

কুলাউড়া থানার ওসি মো. ইয়ারদৌস হাসান জানান, মেয়ের বাবা বাদী হয়ে কুলাউড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত রুহুল আমিনকে আটক করা হয়েছে। সে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়ায় সোমবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এর দুই মাস আগে উপজেলার ভুকশিমইল ইউনিয়নের ঘাটেরবাজার এলাকায় গত ২৭ এপ্রিল ছামিরা আক্তার (১৪) নামক অপর এক স্কুলছাত্রীকে প্রকাশ্যে দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে জুয়েল (১৯) নামক বখাটে।