হ্রদের ধারে হেলসিংকি দারুল আমান মসজিদের বার্ষিক বনভোজন

143

জামান সরকার, হেলসিংকি থেকে ||

গ্রীষ্ম এলেই বনভোজনের ধুম পড়ে ফিনল্যান্ডে। এ সময় শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত, পাড়া-মহল্লা এমনকি পরিবারের সবাই মিলে আনন্দময় কিছুটা সময় কাটানোর জন্য সবাই বেরিয়ে পড়ে। তবে সে জন্য জায়গাটি সঠিক হলে বনভোজন হয়ে ওঠে আনন্দে ভরপুর।
আজ শনিবার (২২ জুন) ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকির অদূরে বন-লেক আর পাহাড়ের অপূর্ব সম্মিলন পিরতিম্যাকিতে দারুল আমান মসজিদের আয়োজনে হয়ে গেল জমজমাট বনভোজন। 
পিরতিম্যাকির আঙিনায় প্রবাসীরা সবাই হারিয়ে গেল দল বেঁধে কিংবা একাকী নিজের মতো করে। সংসার-ক্লাস-পরীক্ষা-কর্মব্যস্ততাকে ছুটি দিয়ে যান্ত্রিকতার শহর ছেড়ে বন ও লেকের দেবীর কাছে পাড়ি জমাল। বাংলাদেশী প্রবাসীদের হই হুল্লোড়ে পিকনিক স্পটের আঙিনায় আনন্দে মাতিয়ে রাখল শূভ সম্ভাবনাময় প্রত্যাশার মিড-সামারকে। সব বয়সী আগত ছেলেমেয়েদের জন্য খেলাধূলার আয়োজনও ছিল মনোমুগ্ধকর ওই বনভোজনে।
প্রাকৃতিক দৃশ্যের মনোরম পরিবেশে সুস্বাদু নাশতা দিয়ে শুরু হয় দিনটি, দুপুরে পরিবেশিত হয় বিরিয়ানি ও সালাদসহ কত কী। তারপর ক্লান্ত ও পরিশ্রান্ত বিকেলে গ্রিলে ছিল বারবিকিউ হটডগ, মুরগি ও ভেজিটেবল ইত্যাদি। রসনা ভর্তি খাবার খেয়ে অতিথিরা তৃপ্তির ঢেকুর তোলেন।
উল্লেখ্য মিড-সামারের এই দিনে উত্তর ফিনল্যান্ডের সারাদিন-সারারাত সুর্য্য কিরণ দিয়ে থাকে। 
সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রাত্র ঘনিয়ে এলে পিকনিকের আনন্দ পরিসমাপ্তি ঘটে। ব্যাপক আনন্দ আর সুখ স্মৃতি নিয়ে প্রবাসীরা নিজ নিজ ঘরে ফিরে যান বনভোজনের উদ্যোক্তা দারুল আমান মসজিদ কমিটিকে কৃতজ্ঞতা আর ধন্যবাদ দিয়ে।

পুরো অনুষ্ঠানকে আকর্ষিত করে তোলার লক্ষ্যে সার্বিক আয়জনে ছিলেন শফি উল্লাহ, বাহারুল, নাইম ও সাইফুল্লাহ এবং এতে অন্যাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ডঃ মিজানুর রহমান, শরীফ বিশ্বাস, মহিউদ্দিন মানিক, জামান সরকার, শহীদ রেজুয়ান, মাহফুজ, শাহাবুদ্দিন, মহসীন, আইয়ুব আলী, আহসান মঞ্জু, হারুনুর রশীদ, খোরশেদ আলম বাচ্চু, হাসিব সরকার, আশিকুর রহমান আরিফ, আঃ রহমান, জাকির হোসেন শিকদার, রুমা হোসেন, মাসুমা আকতার, কেয়া আকতার, বিলকিস আকতার, রুমি আলী, সুমা আলী, সিহাব, জান্নাত, সুন্নাত, আবির, সিফাত প্রমুখ।

মন্তব্য
Loading...