মেধাবীদের ছাত্র রাজনীতিতে আসা উচিত : ন্যাপ মহাসচিব

119
gb

 

 

শিক্ষাই উন্নতি-অগ্রগতির চাবিকাঠি এবং ছাত্ররাই একটি জাতির ভবিষ্যৎ বলে মন্তব্য করে বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, একটি দেশের সামগ্রিক উন্নতি-অগ্রগতি নির্ভর করে সে দেশের সঠিক নেতৃত্বের উপর। একটি দেশ বা জাতিকে সঠিক দিক-নির্দেশনা না দিতে পারলে তার ধ্বংস অনিবার্য। দিক-নির্দেশনা তথা নেতৃত্ব যদি সঠিক পথে হয় তবে সে জাতির অগ্রযাত্রাকে কেউ রুখতে পারে না।

 

তিনি বলেন, মেধাবীদের ছাত্র রাজনীতিতে আসা উচিত। কারণ আজকের ছাত্ররাই আগামিতে জাতির কর্ণধার হবে, দেশ ও জাতিকে নেতৃত্ব দেবে। সুতরাং তারা যদি একজন দক্ষ সংগঠক ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে দক্ষ পরিচালকের ভূমিকা পালন করতে না পারে; তাহলে এ জাতি বা দেশের সামনের দিকে হতাশা ছাড়া আর কিইবা অপেক্ষা করতে পারে?

 

শনিবার দৈনিবাংলাস্থ সুরমা টাওয়ারে রেস্তোরায় বাংলাদেশ ছাত্রমিশন আয়োজিত আলো্চনা সভা ও ইফতার মাহফিলে প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

তিনি বলেন, অনেক ত্যাগ-তিতিক্ষা, সংগ্রাম আর অব্যাহত আন্দোলনের ফসল হলো আজকের এই বাংলাদেশ যার প্রতিটি আন্দোলনেই ছিল ছাত্রসমাজের গৌরবময় ভূমিকা। ৫২’র ভাষা আন্দোলন, ৬৯’এর গণ-অভ্যুত্থান ৭১’-এর স্বাধীনতার সংগ্রাম, ৯০’-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, সর্বোপরি, জাতীয় রাজনীতিতে ছাত্রদের অবদান অনস্বীকার্য। ছাত্ররাজনীতি এবং জাতীয় রাজনীতি একেবারে আলাদা। তবে আজকের দিনে পরিসরগত এবং বয়সগত তারতম্য ছাড়া তেমন মৌলিক তারতম্য চোখে পড়ে না। মেধাহীনারা ছাত্ররাজনীতি নিয়ন্ত্রন করছে, ব্যাস্ত রয়েছে দলীয় লেজুবৃত্তি করার ফলে ছাত্ররাজনীতি আজ ধ্বংসের পর্যায়ে পৌছে গেছে।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে লেবার পার্টি চেয়ারম্যান হামদুল্লাহ আল মেহেদী বলেন, অতীতে ছাত্রসমাজ দেশ ও জাতির চরম ক্রান্তিলগ্নে, সংকটময় মুহূর্তে গৌরবময় ভূমিকা পালন করলেও বর্তমানে তারা দেশ ও জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে। তাদের অব্যাহত নেতিবাচক আর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড অভিভাবকমণ্ডলী, শিক্ষকমণ্ডলী, সচেতন ছাত্র-ছাত্রী তথা সর্বস্তরের মানুষকে ভাবিয়ে তুলেছে। তারা জাতিকে করেছে হতাশাগ্রস্ত। এখন ছাত্ররাজনীতি মানে নিজেদের মাঝে গ্রুপিং-লবিং, অন্তর্দ্বন্দ্ব, প্রতিপক্ষের সাথে মারামারি, চর দখলের মত সিট দখল,হল দখল, টেন্ডারবাজি ইত্যাদি।

 

সংগঠনের সভাপতি হাফেজ মুহম্মদ ইমরানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ লেবার পার্টি চেয়ারম্যান হামদুল্লাহ আল মেহেদী। প্রধান বক্তা হিসাবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া। বক্তব্য রাখেন লেবার পার্টি মহাসচিব আবদুল্লাহ আল মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম সুরুজ, আইসিএস কেন্দ্রীয় নেতা হাফিজুর রহমান, জাতীয় ছাত্র সমাজ সাধারন সম্পাদক মিজানুর রহমান মিরু, ছাত্র মজলিস সাধারন সম্পাদক ওবায়দুর রহমান, মুসলিম ছাত্র লীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম, ছত্র জনদল  আবু তাহের রুবেল,  ছাত্রমিশন সাধারন সম্পাদক নাহিদুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় নেতা  সাহরিয়ার সুমন, নুরুল ইসলাম, ফরহাদ প্রমুখ।

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন Accept আরও পড়ুন