বেরোবির প্রভাষক পদে মাহমুদুলকে নিয়োগ দিতে উচ্চ আদালতের নির্দেশ

4,067
gb
রাকিব ​​বাশার ||

উচ্চ আদালতের নির্দেশে শেষ পর্যন্ত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে প্রভাষক পদে নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন মো: মাহমুদুল হক । ১৫ই অক্টোবর বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসাইন ও বিচারপতি আতাউর রহমান খানের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বেঞ্চ মাহমুদুল হক’কে আদেশপ্রাপ্তির পনের দিনের মধ্যেই নিয়োগ প্রদানের আদেশ দেন ।

২০১২ সালের ১৩ ই জানুয়ারী এবং ৪শে ফেব্রুয়ারীতে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ২১ ও ২২তম সভায় গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে তিনজনকে  প্রভাষক পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। যদি কোনো প্রার্থী যোগদান না করে তাহলে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে মেধাক্রম অনুসারে নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

তবে নিয়োগ বোর্ড ও সিন্ডিকেট সভায় মনোনীত তিনজনের প্রথমজন আবদুল কাদের মণ্ডল ওই পদে যোগদান করেননি। ফলে অপেক্ষমান তালিকা থেকে আবদুল কাদের মণ্ডলের জায়গায় মাহমুদুল হকের যোগদান করার কথা ।কিন্তুু তার পরিবর্তে  তাবিউর রহমানকে নিয়োগ প্রদান করে কর্তৃপক্ষ।

হাইকোর্টের রিট অনুযায়ীর মাহমুদুল হকের জন্য নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিতাদেশের মাধ্যমে সংরক্ষণ করা হয়। কিন্তু সংরক্ষিত থাকার কথা থাকলেও তৎকালীন ভিসি একেএম নুরুন্নবী নতুন একটি নিয়োগ বোর্ড গঠন করেন। সেখানে মাহমুদুল হকের নাম না থাকায় হাইকোর্টের অন্য একটি রিটের মাধ্যমে এ নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায় ।

সর্বশেষ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনে করা রিটের মাধ্যমে ২০১৭ এর ১১৭৫৮নং রিট পিটিশনের রায় অনুষ্ঠিত হয় ১৫ ই অক্টোবর। সেখানে আদেশপত্র প্রাপ্তির ১৫ দিনের মধ্যে মাহমুদুল হককে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে প্রভাষক (স্থায়ী) পদে নিয়োগ প্রদান করার নির্দেশে দেয়া হয় । সেক্ষেত্রে ১টি পদে দুজন ব্যক্তির থাকার আর কোন সুযোগ থাকবে না।

রিট পিটিশনকারী মো: মাহমুদুল হক বলেছেন ” এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যেহেতু এই পদে আমাকেই নিয়োগ দেয়ার কথা ছিল,সেহেতু আব্দুল জলিল মিয়া(সাবেক উপাচার্য) অন্য একজনকে নিয়োগ দিয়ে অপরাধ করেছেন। আবার পরবর্তীতে আরেক উপাচার্য একেএম নুরুন্নবী তিনিও পারতেন বিষয়টির সমাধান করতে। কেননা বিষয়টি অত্যন্ত সুষ্পষ্ট ছিল। আমি বিশ্বাস করি বর্তমান উপাচার্য বিষয়টির সুষ্ঠ সুরাহা করবেন।