আমাদের সেনাবাহিনী অন্য কোনো দেশের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করবে না: প্রধানমন্ত্রী

26

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অন্য কোনো দেশের সঙ্গে যুদ্ধ হলে সেখানে আমাদের সেনাবাহিনী সেই যুদ্ধে অংশগ্রহণ করবে না।

সোমবার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রথম অধিবেশনের সমাপনী বক্তৃতায় বিরোধী দলের বক্তব্যের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, পবিত্র মক্কা ও মদিনার নিরাপত্তা রক্ষার প্রয়োজন হয়, সেখানে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী কাজ করবে। এখানে ভুল বোঝাবুঝির কোনো অবকাশ নেই। গত ১০ বছরে কোনো দেশের সঙ্গে আমাদের বৈরিতা হয়নি, সবার সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সৌদি আরবের সঙ্গে কোনো চুক্তি নয়, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। রাশিয়া, চীন, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভিয়েতনামসহ প্রতিরক্ষা চুক্তি পৃথিবীর অনেক দেশের সঙ্গে চুক্তি আছে। বিশ্ব গ্লোবাল ভিলেজ। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য আমাদের সামরিক বাহিনী প্রয়োজন। তাই সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিকভাবে গড়ে তুলছি। ফোর্সেস গোল প্রণয়ন করে তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। যুদ্ধবিধ্বস্ত কুয়েতকে গড়ে তুলতে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী কাজ করে যাচ্ছে। সৌদি আরবের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক করেছি অবকাঠামো নির্মাণ, কারিগরি সহায়তায়, দেশটির স্থল সীমানায় মাইন অপসারণের জন্য।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশকে উন্নত করতে অনেক মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছি, যা অর্থনৈতিক উন্নয়নে অনেক ভূমিকা রাখবে। পদ্মা সেতু, কর্ণফুলী ট্যানেল নির্মাণ কাজ শুরু করেছি। আমরা প্রতিটি গ্রামকে শহরের সুবিধা সংবলিত করে গড়ে তুলব। নির্বাচনী ইশতেহারে তা তুলে ধরেছি। ৯৩ ভাগ গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছি, প্রত্যেক ঘরে ঘরে বিদ্যুতের আলো জ্বালব।’

তিনি বলেন, ‘নিজস্ব স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করেছি। গ্রাম পর্যন্ত ইন্টারনেট সংযোগ দিচ্ছি। প্রাইমারি শিক্ষা থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত বৃত্তি দিচ্ছি। ঝরে পড়া শিক্ষার্থী একেবারেই নেই। প্রত্যেক উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম করে দিচ্ছি। ৫৬০টি মডেল মসজিদ করে দিচ্ছি। যাতে সত্যিকার অর্থে ধর্মীয় শিক্ষা পায়।’

সংসদ নেতা বলেন, দেশকে আমরা কোন পর্যায়ে নিয়ে এসেছি তা রাষ্ট্রপতির ভাষণে উঠে এসেছে। আর সংসদে শক্তিশালী বিরোধী দল গড়ে উঠুক আমরা তাই চাই। নির্বাচনকে বানচাল করার চক্রান্ত সব সময় ছিল। জনগণ ভোটের অধিকার প্রয়োগ করে আমাদের নির্বাচিত করেছে।

মন্তব্য
Loading...