জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধার্ঘ্য

213
gb
# সৈয়দ নাজমুল হাসান, ঢাকা।।

মহান বিজয় দিবসে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। ১৬ ডিসেম্বর ভোর ৬টা ৪০ মিনিটে প্রথমে  এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শহীদদের স্মৃতির প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা জানান জাতীয় স্মৃতিসৌধে । এ সময় বিউগলে বেজে ওঠে করুন সুর। তিন বাহিনীর একটি সুসজ্জিত দল গার্ড অব অনার দেন। পরে এক মিনিট নীরবতা পালন করে শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন ।

প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয়ভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে দলের পক্ষ থেকে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তাদের শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দেয়ার আনুষ্ঠানিকতা। এরপর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর নেতৃত্বে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, বীরশ্রেষ্ঠ পরিবারবর্গরা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য, তিন বাহিনীর প্রধান, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিক, সরকারের পদস্থ সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা ও সরকার দলীয় নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

জাতির সবচেয়ে বড় অর্জনের দিন ছিল আজকের দিনটি। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ভোরের আলোয় ঝলমলিয়ে উঠেছিল বাংলার রক্তস্নাত শিশির ভেজা মাটি, অবসান হয়েছিল পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর নির্বিচার শোষণ, বঞ্চনা আর নির্যাতনের কালো অধ্যায়। প্রায় নয় মাসের যুদ্ধ শেষে এদিন জন্ম নেয় একটি নতুন দেশ স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। প্রায় ৯২ হাজার পাকিস্তানি বাহিনী ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) আত্মসমর্পণের মাধ্যমে সূচিত হয়েছিল এই মাহেন্দ্রক্ষণ।

ঢাকায় ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে মহান বিজয় দিবসের সূচনা হয়। দিনটি ছিল সরকারি ছুটির দিন । সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে নেমেছে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন জানাতে হাজার হাজার জনতার ঢল। যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনের জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি নেয়া হয়।