চাঁপাইনবাবগঞ্জ ভাঙ্গা সড়ক,প্রায় অকেজো ভারতীয় ট্রাক,ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত পণ্য বোঝাইয়ে প্রায়ই দূর্ঘটনা

257
gb

 সোনামসজিদ স্থলবন্দরে ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাক উল্টে সিএনজি চুরমার: বড় দূর্ঘটনা থেকে রক্ষা জাকির হোসেন পিংকু,চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দরে আমদানী পণ্যবাহী একটি ভারতীয় ট্রাক উল্টে সিএনজি চালিত একটি নতুন অটোরিক্সার উপর পড়লে সিএনজিটি সম্পূর্ন দুমড়ে গেছে। দূর্ঘটনায় ট্রাকের চালক ও সহকারী সামান্য আহত হলেও সিএনজিটি খালি থাকায় বা আশে পাশে অন্য কোন মানুষজন না থাকায় বড় হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। গতকাল সোমবার (৩’ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে পাঁচটার দিকে দূর্ঘটনাটি ঘটে। সোনামসজিদ স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েসন সভাপতি হারুনুর রশিদ দূর্ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন। মঙ্গলবার বিকেলে তিনি বলেন, আমাদনীকৃত প্রায় ৩০ টন পোল্ট্রি ফুড (ভুট্টা-ভূষি) বোঝাই ভরতীয় ট্রাকটি বন্দর পরিচালনাকারী বেসরকারী অপারেটর প্রতিষ্ঠান পানামা পোর্ট লিংক লিমিটেডের ইয়ার্ডে ঢোকার সময় ১নং গেটের মুখে উল্টে যায়। এতে একটি নতুন সিএনজি দুমড়ে গেলেও ভাগ্যক্রমে বড় দূর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে । পরে পণ্য খালাস করে নেয়া হলেও ক্রেনের অভাবে মঙ্গলবার (৪’ডিসেম্বর) বিকেল পর্যন্ত ট্রাকটি সরানো যায়নি। হারুনুর রশিদ ও ব্যবসায়ীরা দূর্ঘটনার জন্য ভাঙ্গা সড়ক,ফিটনেস বিহীন ট্রাক ও ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত উঁচু করে পণ্য বোঝাইকে দায়ী করেন। তিনি ও বন্দর সংশ্লিস্টরা জানান, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দরের কর্ম এলাকা জিরো পয়েন্ট থেকে বিজিবি চেকপোষ্ট পর্যন্ত প্রায় আড়াই কি.মি ও জিরো পয়েন্ট থেকে পানামা পর্যন্ত প্রায় অর্ধ কিলোমিটার সড়ক (গরৎ নিয়ন্ত্রিত) একেবারে নষ্ট হয়ে গেছে। এগুলি জরুরী ভিত্তিতে মেরামত করা না হলে যে কোন সময় বড় দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। তারা আরও বলেন, ভারতীয়রা প্রায় অকেজো ট্রাক ব্যবহার করায় প্রায় প্রতিদিনই ৩/৪টি করে ট্রাক বাংলাদেশে ঢোকার পর সড়কে ও ইয়ার্ডে নষ্ট হয়। এতে যানজট সহ বিভিন্ন ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয় বাংলাদেশীদের। এ ব্যাপারে আন্দোলন করা সহ বারবার ভারতীয়দের দৃষ্টি আকর্ষন করা হলেও তারা এ ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। ###