সুন্দরবনে ৬২ ঘন্টা পর  নিখোঁজ বনরক্ষী সোহেল রানার মরদেহ উদ্ধার

136
gb

এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট. বাগেরহাট অফিস : নদীতে পড়ে নিখোঁজের ৬২ ঘন্টা পর বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের বনবিভাগের বনরক্ষী সোহেল রানা তালুকদারের (৩৭) ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস ও বনবিভাগ। শুক্রবার দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে বলেশ^র নদের প্রায় এক কিলোমিটার দক্ষিণে পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার ভাইজোড়া ইউনিয়নের জলাঘাট সাপলেজা এলাকা থেকে নিখোঁজ বনরক্ষী সোহেল রানার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করে তারা। বনরক্ষী সোহেল রানার মরদেহ সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জে নিয়ে আসা হচ্ছে।
গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টা দিকে নিয়মিত টহলের সময়ে ট্রলার থেকে পা পিছলে সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের শরখোলা রেঞ্জের বগী ষ্টেশনে কর্মরত বনরক্ষী সোহেল রানা বলেশ^র নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন। ঘটনার পর থেকে ফায়ার সার্ভিস, বনবিভাগ ও কোস্টগার্ড নিখোঁজ সোহেল রানার খোঁজে তল্লাশি চালিয়ে আসছিলো।

বনরক্ষী সোহেল রানা তালুকদার কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার মুহুরীপাড়া গ্রামের এম এ হামিদ তালুকদারের ছেলে। তিনি ২০০৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর বনবিভাগে চাকরি পান। ২০১৬ সালের ৩ মার্চ বাগেরহাটের সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের বগী স্টেশনে যোগদান করেন।

বাগেরহাট ফায়ার সার্ভিসের উপ সহকারী পরিচালক (ডিএডি) মো. মাসুদ সরদার বলেন, শুক্রবার দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে বলেশ^র নদের প্রায় এক কিলোমিটার দক্ষিণে পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার ভাইজোড়া ইউনিয়নের জলাঘাট সাপলেজা এলাকায় স্থানীয় জেলেরা একটি মরদেহ ভাসতে দেখে বনবিভাগ ও ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। আমরা সেখানে গিয়ে তার মরদেহটি উদ্ধার করি। উদ্ধার হওয়া মরদেহটি সোহেল রানার বলে সনাক্ত করেছে বনবিভাগের কর্মীরা। ঘটনার পর থেকে ফায়ার সার্ভিসের সাত সদস্যের ডুবুরি দল নিখোঁজ বনরক্ষী সোহেল রানার খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছিল। পরে কোস্টগার্ডও আমাদের সাথে তল্লাশি অভিযানে যোগ দেয়। বনরক্ষী সোহেল রানার মরদেহ সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জে নিয়ে আসা হচ্ছে।####