মৌলভীবাজারে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর ঐতিহাসিক র‌্যালী

224
gb

জিবি নিউজ 24 ডেস্ক//

বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ’র যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মাওলানা ড. আহমদ হাসান চৌধুরী ফুলতলী বলেছেন দুনিয়ার যেখানে আল্লাহর নবীর আশেক আছেন সেখানেই মিলাদুন্নবী আছে। মিলাদুন্নবীর ধারা শুরু করেছেন স্বয়ং আল্লাহর রাসূল। এটা নতুন কিছুনা। পৃথিবীর জর্ডান, তিউনিসিয়া, মালেশিয়া, পাকিস্তান, তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশে মিলাদুন্নবী আছে।

শনিবার ১৭ নভেম্বর  সকালে বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া মৌলভীবাজার জেলা শাখার উদ্যোগে শহরের পৌর জনমিলন কেন্দ্রে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত ঐতিহাসিক বর্ণাঢ্য র‌্যালীপূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় তালামীযের সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসেন জাহেদ।

 

প্রধান অতিথি ড. আহমদ হাসান আরও বলেন আল্লাহর নবী সকল জগতের জন্য রহমত। আমরা একদিন তাকে নিয়ে মাতামাতি করছি না। আমরা মিলাদুন্নবীর মাসকে কেন্দ্র করে রাসূল (সা.) এর ওয়ালাদাতের শুকরিয়া আদায় করছি। যে শুকরিয়া তিনি নিজে প্রতি সোমবারে রোজা রাখার মাধ্যমে করেছেন। যারা মিলাদুন্নবীর বিরোধীতা করে, তাদের মধ্যে যারা রাসূল (সা.) এর চরিত্রের উপর কালিমা লেপন করতে চায়, তাদেরকে হুশিয়ারী দিয়ে তিনি বলেন, তোমরা জেনে রাখো আমরা এখনও বেঁচে আছি, নবীকে বুকে ধারণ করছি। তালামীয কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন মিলাদুন্নবী তখন স্বার্থক হবে যখন আমরা নবীর শানে কিছু বলে ভালো বোধ করবো।

জেলা তালামীযের সভাপতি এম.এ জলিলের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শেখ কাদির আল হাসানের পরিচালনায় র‌্যালীপূর্ব আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন আল ইসলাহ’র কেন্দ্রীয় সদস্য কাজী সিরাজুল ইসলাম সিদ্দিকী, মৌলভীবাজার জেলা আল ইসলাহ সভাপতি মাওলানা মুফতি শামছুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা এম.এ আলিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাফিয এনামুল হক, মাওলানা সৈয়দ ইউনুছ আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিয আলাউর রহমান টিপু, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল উদ্দিন, মকবুল হোসেন খান, আল ইসলাহ নেতা লিয়াকত হোসাইন খান, কেন্দ্রীয় তালামীযের প্রশিক্ষণ সম্পাদক জায়েদ আহমদ চৌধুরী, সদস্য নিলুর রহমান, জেলা তালামীযের সাবেক সভাপতি ফয়জুল ইসলাম, শফিকুল আলম সুহেল, ওলিউর রহমান সানী, খন্দকার ওজিউর রহমান আসাদ প্রমুখ।

পরে পৌর জনমিলন কেন্দ্র থেকে সহস্রাধিক লোকের একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার সেখানে গিয়ে শেষ হয়।