ভিজিএফ চাল নিয়ে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া

68

জিবি নিউজ 24 ডেস্ক //

নীলফামারী জলঢাকায় আসন্ন ঈদুল আযহার বিশেষ বরাদ্দকৃত ভিজিএফ চাল নিয়ে শুরু হয়েছে উত্তেজনা। এ ঘটনায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে সম্প্রতি উপজেলার ধর্মপাল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জামিনুর রহমানের বিরুদ্ধে কালোবাজারে চাল বিক্রির অভিযোগ উঠে। এই অভিযোগের ফলে ধর্মপাল ইউনিয়ন পরিষদের গোডাউন ঘরে সীলগালা করে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আবুল কালাম আজাদ। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে উপজেলা প্রকৌশলী হারুন-অর রশীদকে প্রধান করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত টিম গঠন করে উপজেলা প্রশাসন। আজ রবিবার সকাল থেকে শুরু হয় ইউনিয়ন পরিষদের রক্ষিত চালের বস্তাার গণনার কাজ। এ সময় সাবেক চেয়ারম্যানের লোকদের সাথে বর্তমান চেয়ারম্যান সমর্থকের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে ২৪৬ বস্তা চাল নিয়ে যাওয়া একটি ট্রলিকে পার্শ্ববর্তী ডোমার উপজেলার বোড়াগাড়ি নামক স্থানে আটক করে ডোমার পুলিশ। চালের বস্তাগুলো জলঢাকা ধর্মপাল ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের বলে অভিযোগ উঠে। তবে ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জামিনুর রহমান ওই চাল তার নয় বলে সাফ জানিয়ে দেন।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অফিস থেকে পাওয়া তথ্যে জানা যায়, এবারের ঈদুল আযহার জন্য ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৭৮০ মেট্রিক টন চাল। এসব চাল ৮১ হাজার পরিবারের মাঝে ২০ কেজি করে বিতরণ করা হবে।

সরেজমিনে আজ রবিবার বিকেলে ইউনিয়ন পরিষদে গেলে কথা হয় ওই ইউনিয়নের ভিজিএফ চাল বিতরণ কমিটির সদস্য আবু তালেব ও শাহজাহান চৌধুরী রানুর সাথে। তারা জানান, আমাদের ইউনিয়নে ৬ হাজার ৩৭৫ পরিবারের বিপরীতে ১২৭ দশমিক ৫ মেঃ টন চাল বরাদ্দ হয়।

তারা আরও জানান, যে চাউল ডোমার থানায় আটক হয়েছে তা আমাদের নয়। গোডাউনে গণনার কাজ চলছে শেষ হলেই বুঝতে পারবেন ওটা কার চাল।

এ বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা উপজেলা প্রকৌশলী হারুন-অর-রশিদ বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে তদন্তের কাজ শুরু হয়েছে।

মন্তব্য
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More