আগামীকাল সাংবাদিক ও রাজনীতিক আনোয়ার জাহিদের ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী

233
gb

বরেণ্য রাজনীতিক, সাংবাদিক ও সাবেক মন্ত্রী জননেতা আনোয়ার জাহিদের ১০ম সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী আগামীকাল ১৩ আগষ্ট ১৮ সোমবার।

দেশবরেণ্য এ নেতা ছাত্রজীবনে নিখিল পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। তিনি ছাত্রলীগের ঝিনাইদহ মহকুমার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ’৫২-র ভাষা আন্দোলনে ঝিনাইদহে ছাত্র আন্দোলন গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ’৫৬ সালে রাজশাহী সরকারি কলেজের ভিপি নির্বাচিত হন। ’৫৭ সালে পূর্ব পাকিস্তান যুবলীগের সেক্রেটারি নির্বাচিত হন। ’৬১ সালে রাজবন্দী হিসেবে গ্রেফতার হন। ’৬২ সালে সাংবাদিকতা জীবনে প্রবেশ করেন। ’৬৫ সালে তিনি ন্যাপের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ’৬৮ সালে ন্যাপের যুগ্ম সম্পাদক নির্বাচিত হন। ’৬৯-এর গণ-আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৮৬ সালে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং তথ্যমন্ত্রী, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী, ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৯৬-২০০১ পর্যন্ত বিএনপি চেয়ারপারসনের তথ্য উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন এবং সাত দলীয় এবং চারদলীয় জোট গঠনে গুরুত্বপূর্ণ রূপকারের ভূমিকা পালন করেন। এ ছাড়া ’৭০ সালে সাপ্তাহিক গণবাংলার নির্বাহী সম্পাদক, ’৭২ সালে ইংরেজি দৈনিক পিপলসের বার্তা সম্পাদক হিসেবে বাংলাদেশ টাইমসে দায়িত্ব পালন করেন।

সর্বশেষ তিনি ইনকিলাব টেলিভিশন-এর (আইটিভি) প্রধান নির্বাহী ও দৈনিক ইনকিলাবের উপদেষ্টা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

আনোয়ার জহিদ শুধু সাংবাদিকতাই করেননি, তিনি সাংবাদিকদের নেতৃত্বও দিয়েছেন। ’৬২, ’৬৩ ও ’৬৪ সালে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)-এর সাধারণ সম্পাদক, ‘৬৫, ’৬৬ সালে সহ-সভাপতি ও ’৭৮, ’৮৩ সালে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

আনোয়ার জাহিদের ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তার কবরে জননেতা আনোয়ার জাহিদ স্মৃতি সংসদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতিহা পাঠ করবে। বিকেলে স্মৃতি সংসদ কার্যালয়ে স্মরণসভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। বিজ্ঞপ্তি।