গোবিন্দগঞ্জের শিক্ষক শিক্ষার্থীকে ধর্ষনের অভিযোগ, বিচার দাবীতে বিদ্যালয় ঘেরাও

428
gb

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা //

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের প্রধান শিক্ষক কর্তৃক চতুর্থ শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষনের অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিচার ও গ্রেফতার দাবীতে দিনভর বিদ্যালয়টি ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছে স্থানীয়রা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত শেষে যথাযথ বিচারের আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে। এদিকে বিক্ষুদ্ধ মানুষের রোষানল থেকে বাঁচতে শিক্ষক গা ঢাকা দিয়েছে। স্থানীয় ও নির্যাতিতার স্বজনরা জানায় উপজেলার চাঁদপুর শিংগা সরকারী প্রথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাজু মিয়া তার বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেনীর শিক্ষার্থী মিতু খাতুন (১০) কে গত ৩১ আগষ্ট মঙ্গলবার স্কুল থেকে তার বাড়ীতে ডেকে এনে বাড়ীতে কেউ না থাকার সুযোগে মুখে কাপড় গুজে দিয়ে হত্যার হুমকী দিয়ে ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে মিতু বাড়ীতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে বিষয়টি তারক মাকে জানায়। এঘটনা প্রকাশ হয়ে পরলে শনিবার বেলা ১১টার দিয়ে এলাকার লোকজন ও নির্যাতিতার স্বজনরা বিদালয় ঘেরাও করে ওই শিক্ষকের বিচার দাবী কওে বিক্ষোভ করতে থাকে। অবস্থা বেগতিক দেখে প্রধান শিক্ষক সাজু মিয়া বিদ্যালয় থেকে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে পুলিশ ডাক্তারী পরীক্ষা ও জিঞ্জাসাবাদের জন্য নির্যাতিতাকে থানায় নিয়ে আসে। নির্যাতিতার স্বজনদের দাবী একটি মহল ওই শিক্ষককে বাঁচাতে তৎপরতা অব্যহত রেখেছে। এদিকে আত্বগোপনে থাকায় অভিযুক্ত শিক্ষকের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার মতামত নেয়া সম্ভব হয়নি তবে বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি হিরো মিয়া বলেন ঘটনা শুনেছি দোষি হলে অবশ্যই যথাযথ বিচার হওয়া উচিত।এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন,ওই লম্পট শিক্ষক ইতিপূর্বেও একই ধরনের ঘটনা ঘটালে তার বিচার না হওয়ায় ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কমতে কমতে উপস্থিতি ২০জনে ঠেকেছে। এ ব্যাপারে গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মুজিবুর রহমান পিপিএম এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,মামলা দায়েরের পক্রিয়া চলছে। নির্যাতিতাকে পুলিশী হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। দোষী হলে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।