পরিবহন ধর্মঘটে অচল পর্যটন নগরী শ্রীমঙ্গল – শ্রমিকরা সিএনজিও চলতে দিচ্ছেনা

সৈয়দ ছায়েদ আহমদ,শ্রীমঙ্গল থেকে:

অঘোষিত পরিবহন ধর্মঘটে অচল হয়ে পড়েছে পর্যটন নগরী শ্রীমঙ্গল। শনিবারও সকাল থেকে দূরপাল্লার কোন বাস চলাচল করেনি। পাশাপাশি আন্তঃজেলা ও লোকাল সার্ভিসের কোন যানবাহন চলেনি। এদিকে পরিবহন ধর্মঘটে কারণে পর্যটন নগরী শ্রীমঙ্গলে আসা পর্যটক ও যাত্রী সাধারণ চরম দুর্ভোগে পড়েন। গত শুক্রবার সকাল থেকে এখানে অঘোষিত পরিবহন শুরু হয়। এছাড়াও ছোট যানবহন বিশেষ করে সিএনজি অটোরি´াও বন্ধ রয়েছে। কোন ড্রাইভার সিএনজি অটোরি´া চালাতে চাইলে তাকেও শ্রমিকর বাধা প্রদান করছে। পথে পথে শ্রমিকরা দল বন্ধভাবে দাড়িয়ে সিএনজি অটোরিক্সা আটকিয়ে যাত্রীদের নামিয়ে দিচ্ছে। উপজেলা ট্রাক ট্রাঙ্কলরী পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. নূর হোসেন জানান, তারা কোনো পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দেননি। নিরাপত্তার অভাবে মালিক সমিতির নির্দেশে যানবাহন বন্ধ রাখেন শ্রমিকরা। তবে শহরে সীমিত আকারে রিক্সা ও সিএনজি অটোরিক্সা চলাচল করতে দেখা গেছে। শনিবারও শহরের হবিগঞ্জ সড়কে হানিফ পরিবহন, শ্যামলী পরিবহন, এনা পরিবহনসহ দূরপাল্লার বাস কাউন্টারগুলো বন্ধ ছিল। পরিবহন সংকটের ফলে ঢাকা ও সিলেটগামী সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। যে কারণে ট্রেনের উপর যাত্রী সাধারণের চাপ তীব্র হয়েছে। শ্রমিক নেতারা বলেছেন, রাস্তায় বের হলেই শিক্ষার্থীরা ইচ্ছামতো বাস ভাঙচুর করছে। তাই নিরাপত্তার অভাবে থেকে ঢাকা ও সিলেটগামী সব ধরনের বাস-ট্রাক চলাচল বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি ঢাকা-সিলেট আঞ্চলিক সড়কেও সকল প্রকার যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এদিকে শিক্ষার্থীসহ কয়েকজন আন্দোলনকারী জানান, তারা মিথ্যা কথা বলে ইচ্ছে করেই গাড়ী বন্ধ রাখছেন। আন্দোলনকারীরা কোন গাড়ী ভাংচোর করছেনা। এছাড়াও এলাকায় শিক্ষার্থীর তেমন একটা রাস্তায় দাড়াচ্ছেনা বা নামছে না বলে জানান কয়েকজন ভুক্তভোগী। তারা বলছেন সরকার ও শ্রমিকনেতারা এখন রাজনীতি করছেন।