সংখ্যালঘু নির্যাতন ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে ইউরোপীয়ান পার্লামেন্টে বাংলাদেশ বিয়ষক সেমিনার

225
gb

 

লন্ডনঃ বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন নতুন কোন ঘটনা নয়। ১৯৪৭সালে দেশ বিভাগের পর থেকে বিভিন্নভাবে সংখ্যালঘুরা নির্যাতিত
হয়ে আসছে। বিশেষ করে ১৯৭৫ পরবর্তিতে নির্যাতনের মাত্রা বেড়েযায়। জানমাল এবং ইজ্বতের কারনে হিন্দুরা দেশত্যাগে বাধ্য হচ্ছে।
বাংলাদেশে বর্তমানে হিন্দু শতকরা ৮% এঅববস্থা অব্যাহত থাকলেআগামী ২০ বছরে বাংলাদেশ হিন্দু শুন্য হয়ে যাবে।
বিশেষ করে আসছে নির্বাচনকে সামনে রেখে মাইনরিটিসম্প্রদায় খুবই উদ্ধিগ্ন, নির্বাচন পূর্ব এবং নির্বাচনপরবর্তিতে নেমে আসে মাইনরিটি সম্প্রদায়ের উপর অত্যাচারবিগত দুই জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তিতে সমগ্র বাংলাদেশপরাজিত প্রার্থীদের সমর্থকের দ্বারাই এসব নির্যাতনের ঘটনাঘচেছে। জামাত-বিএনপির দ্বারাই এসব হামলার ঘটনা ঘটেছে।অন্যদিকে স্থানীয় নিনর্বাচন গুলোতে প্রত্যক্ষ করা গেছে খোদ
আওয়ামী সমর্থক পরাজিত প্রার্থীদের সমর্থক দ্বারা দেশের বিভিন্নজায়গায় ঘটেছে সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা। আগামী
নির্বাচন পরবতিতে যে এমন ঘটনার পূনরাবৃত্তি ঘটবেনা তারনিশ্চয়তা কি? এমন প্রশ্ন রাখেন ১০ জুলাই মঙ্গলবার ইউরোপীয়য়ান
পার্লামেন্টে আয়োজিত বাংলাদেশে সেমিনারে আয়োজকরা।এর জবাবে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি প্রধান মন্ত্রীর রাজনৈতিক
উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম বলেন। একটি উগ্রবাদী গোষ্টীদ্বারাসংখ্যালঘুরা নির্যাতিত হচ্ছে তা অস্বীকার করার উপায় নেই। তবে
শেখ হাসিনার সরকার সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দিতে কাজ করছে।বিশেষ করে সরকারী চাকুরীতে নিয়োগের ব্যাপারে মাইনরিটিদের
অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। বর্তমানে পুলিশ সহ বিভিন্ন বিভাগেহিন্দুরে সংখ্যা নেহায়েত কম নয়। বর্তমান সরকার সন্ত্রাস ও উগ্রবাদ
দমনে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিশ্বাসী। শেখ হাসিনানেতৃত্বাধীন সরকার বাংলাদেশে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্টানিক রুপ
দিতে কাজ করছে। সেমিনারে সকলের মত প্রকাশের অধিকার এবআসছে নির্বাচন যাতে সকল দলের অংশ গ্রহনে অবাধ এবং নিরপেক্ষ
হয় এবিষয়টিও আলোচনায় গুরুত্ব পায়। ১০ জুলাই মঙ্গলবার ২০১৮ইউরোপীয়ান পার্লান্টে কনরারভেটিভ পার্টির পররাষ্ট্র ও মানবাধিকার
বিষয়ক মুখপাত্র চার্লস টেনকের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় বাংলাদেশ বিষয়ক সেমিনারের। সেমিনারে সেকুল্যার মুভমেন্ট অব বাংলাদেশ,বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের সদস্য, বাংলাদেশ সরকারেরপ্রতিনিধি, ইউরোপয়িয়ান পার্লামেন্টের সদস্যরা ছাড়াও বিপুল
সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশী উপস্থিত ছিলেন।সেমিনারে বক্তব্য রাখেন ড. চালর্স টেনক এমইপি, বাংলাদেশেরপ্রধান মন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ঈমাম, সৈয়দ কামালএমইপি, মানবাধিকার কর্মি ড. স্যাগফিল্ট ও উল্ফ, মেস কারলাইনভিনিট ও ড. ধরিন মিহাই পারাগিচু, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীরাজনৈতিক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান, ক্যাম্পেইন ফর রিলিজিয়াসমাইনরিটিজ ইন বাংলাদেশের পক্ষে অজিত সাহা, সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রিডাঃ দীপু মনি এমপি, স্যাকুলার মুভমেন্ট বাংলাদেশের প্রতিনিধিপুষ্পিতা গুপ্তা। জেন লেমবার্ট এমইপি, জেমস কেভার এমইপি,সাজ্জাদ করিম এমইপি, ডাঃ উইলিন ভ্যান ডের গেট,মিঃ হাসানমাহমুদ আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক, ফজলে নূর তাপস এমপি।বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিরা বলেন আওয়ামীলীগের সময় দেশেরসকল ধর্মবর্নের মানুষ নিরাপদ, ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ গড়তে সরকারআন্তরিক ভাবে কাজ করছে। এতে সকলের সহযোগীতা প্রয়োজন।১৯৭৫ পরবর্তিতে যারাই ক্ষমতায় এসছে সকলেই ধর্মকে হাতিয়ারহিসেবে ব্যবহার করছে। এসব আবর্জনা পরিস্কার করতে সময়েরপ্রয়োজন। যে বা যারাই সংখ্যালঘুদের সম্পত্তি দখল এবং নির্যাতন
করবে কাউকেউ ছাড় দেয়া হবেনা। এখানে উল্লেখ্য যে যুক্তরাজ্য ইউরোপীয়ান বিএনপি সেমিনারে অংশ নেয়নি আয়োজকদের তারা
এক বার্তায় জানিয়েছে মিঃ টেনক ও আওয়ামীগীর সমর্থিত এসইপিদের সেমিনারে অংশ নেবেনা।