Bangla Newspaper

খুলনা সিটি জুড়ে একটিই আলোচনা কে হচ্ছেন নগরপিতা?

সব শঙ্কা কাটিয়ে উৎসবের ভোট চলছে

62

সব শঙ্কা কাটিয়ে উৎসবের ভোট চলছে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের । নির্বাচনী পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে নগরজুড়ে দিচ্ছেন বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। অপর দিকে ভোটকে কেন্দ্র করে চারদিকে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

নগরজুড়ে একটিই আলোচনা কে হচ্ছেন নগরপিতা? নজরুল ইসলাম মঞ্জু না তালুকদার আব্দুল খালেক। শুধু অপেক্ষা ভোট গণনার। ভোট গণনার পর কার ভাগ্যে জুটবে বিজয়ের হাসি এ নিয়ে চলছে নগরজুড়ে জল্পনা-কল্পনা।

এদিকে, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটের ফলাফল যাই হোক প্রধান দুই প্রার্থী মেনে নেবেন বলে সোমবার রাতে জানিয়েছেন।

আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, বিএনপি গত ২৩ বছরে যা করতে পারেনি, ৫ বছরে আমি খুলনার সেই উন্নয়ন করেছি। আমি নির্বাচিত হলে আবারও খুলনার উন্নয়ন হবে। আমি গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। নির্বাচন সুষ্ঠু হলে ফলাফল যাই হোক তা আমি মেনে নেবো।

শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট অনুষ্ঠিত হলে খুলনার জনগণ তাকে বিজয়ী করে আনবে বলে বিশ্বাস করেন বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু। সোমবার রাতে তিনি এ কথা জানান। সুষ্ঠু নির্বাচনে ফল যাই হোক মেনে নেবেন তিনিও।

এদিকে, নগরবাসী ছাড়াও দুই পক্ষের সমর্থকদের বিজয়ের হাসি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দুই দলই দাবি করছেন, বিজয় তাদের সন্নিকটে।

অন্যদিকে দুপুর পর্যন্ত ২০ দলীয় জোটের মেয়র প্রার্থী মঞ্জুর সমর্থকদের মধ্যে ভোট নিয়ে কিছুটা শঙ্কা থাকলেও উচ্চ আদালতে গ্রেফতারের বিরুদ্ধে নির্দেশনা থাকায় তাদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি লক্ষ্য করা যায়। ভোটের সমীকরণ নিয়ে স্থানীয়ভাবে ভোটার ও দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে পৃথক পৃথক অভিমত প্রকাশ করতে দেখা যায়।

বিএনপির সমর্থকদের দাবি, সুষ্ঠু ভোট হলে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবেন মঞ্জু। এ কথা জানিয়েছেন খুলনা জেলা বিএনপির সভাপতি ও মঞ্জুর নির্বাচনী এজেন্ট শফিকুল আলম মনা।

আর আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেকের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হারুনুর রশিদ, সুষ্ঠু ভোট হলে জনগণ তালুকদার খালেককে মেয়র নির্বাচিত করবেন। বিএনপি প্রার্থী জয়ের প্রশ্নেই আসে না।

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৩১টি সাধারণ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী ১৪৮ জন। ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে নারী কাউন্সিলর পদে লড়ছেন ৩৫ জন।

এবারের নির্বাচনে ভোটার ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৯৩ জন। ভোটকেন্দ্র ২৮৯টি। দুটি ওয়ার্ডের দুটি ভোটকেন্দ্রে ভোট হচ্ছে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)। সেখানে মেয়র প্রার্থীদের নাম ও প্রতীক এবং সাধারণ কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রতীকে বোতাম চেপে ইভিএমে ভোট দেবেন ভোটাররা।

Comments
Loading...