বিউটিকে ধর্ষণ ও হত্যা : বাবুল গ্রেপ্তার

377
gb

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে চাঞ্চল্যকর কিশোরী বিউটি আক্তার (১৪) ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি বাবুল মিয়াকে (২৯) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। শনিবার ভোরে সিলেটের বিয়ানীবাজার থেকে তাকে র‍্যাব-৯ এর সদস্যরা গ্রেপ্তার করে।র‍্যাব-৯ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক এএসপি মো. মনিরুজ্জামান এ তথ্য জানিয়েছেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত সংবাদ সম্মেলন করে জানানো হবে বলেও জানান তিনি।

ইতোমধ্যে আলোচিত এই ঘটনা তদন্তে হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আ স ম শামছুর রহমান ভূইয়াকে প্রধান করে ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শৈলেন চাকমা ও সহকারী পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম।

উল্লেখ্য গত ২১ জানুয়ারি শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার ব্রাহ্মণডোরা গ্রামের সায়েদ আলীর মেয়ে বিউটি আক্তারকে বাড়ি থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায় বাবুল মিয়া ও তার সহযোগীরা।এক মাস তাকে আটকে রেখে ধর্ষণ করে। এক মাস নির্যাতনের পর বিউটিকে কৌশলে তার বাড়িতে রেখে পালিয়ে যায় বাবুল।

এ ঘটনায় গত ১ মার্চ বিউটির বাবা সায়েদ আলী বাদী হয়ে বাবুল ও তার মা স্থানীয় ইউপি মেম্বার কলমচানের বিরুদ্ধে হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

পরে মেয়েকে সায়েদ আলী তার নানার বাড়িতে লুকিয়ে রাখেন। এরপর বাবুল ক্ষিপ্ত হয়ে ১৬ মার্চ রাতে বিউটি আক্তারকে লাখাই উপজেলার গুনিপুর গ্রামের তার নানার বাড়ি থেকে জোর করে তুলে নিয়ে যায়। পরে তাকে ফের ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ শায়েস্তাগঞ্জের হাওরে ফেলে রাখা হয়।

বিষয়টি জানাজানি হলে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমসহ দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি  হয়। পরে এ ঘটনায় বিউটিকে হত্যা ও ধর্ষণের অভিযোগে গত ১৭ মার্চ তার বাবা সায়েদ আলী বাদী হয়ে বাবুল মিয়াসহ দু’জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার পর ২১ মার্চ পুলিশ বাবুলের মা কলমচান ও সন্দেহভাজন হিসেবে একই গ্রামের ইসমাইলকে গ্রেপ্তার করে।