দলবদলে ক্লাবগুলোর ব্যয় ৫ বিলিয়ন ডলার; নেইমার একাই ২২২!

246

ক্লাব ফুটবলের ইতিহাসে এত বড় দলবদল কোনোদিন হয়নি। এবারের দল বদলের সময় নেইমারকে দলে টেনে পিএসজির ২২২ মিলিয়ন ইউরো ব্যয় করার ঘটনাটি শিরোনাম হলেও একই সময়ে ইউরোপের অন্য ক্লাবগুলোও তাদের দলবদলের অতীত রেকর্ড ভেঙ্গেছে। সর্বশেষ দলবদলের সময় সারা বিশ্বের ক্লাবগুলো ব্যয় করেছে ৪.৭১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর দুই তৃতীয়াংশ ব্যয় করেছে ইউরোপের শীর্ষ ৫টি লিগের ক্লাবগুলো।

বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা আজ বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ‘১লা জুন থেকে ১লা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী ১৭ হাজার ৫৯০টি আন্তর্জাতিক দলবদল সম্পন্ন হয়েছে। এতে ব্যয় হয়েছে ৪.৭১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ‘

এবারের মৌসুমে দলবদলের সবচেয়ে আলোচিত নায়ক ব্রাজিল সুপারস্টার নেইমার। তবে বার্সেলোনা থেকে নেইমারকে নেওয়ার পর মোনাকো থেকে ‘বিষ্ময় বালক’ কিলিয়ান এমবাপেকেও দলে ভিড়িয়েছে পিএসজি। বছরব্যাপী ধারের ফুটবলার হিসেবে তাকে দলভুক্ত করলেও ১৮০ মিলিয়ন ইউরোতে তাকে চুক্তিবদ্ধ করানোর শর্ত সেখানে জুড়ে দেওয়া হয়েছে।

পিএসজির এই বিশাল বাজেটের দলবদলের প্রেক্ষিতে এক লাফে ফ্রান্স পৌছে গেছে আন্তর্জাতিক দলবদলের সবচেয়ে বেশী অর্থ ব্যয় করা দেশগুলোর কাতারে। সেখানকার ক্লাবগুলো সর্বমোট ব্যয় করেছে ৬০৪.১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

গত মৌসুমের তুলনায় এই পরিমান ২৫০ শতাংশ বেশি! ৫ বারের ইউরোপিয় চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন মিউনিখ এবং বার্সেলোনাও এবারের গ্রীস্মে দলবদলের ক্লাব রেকর্ড ভেঙ্গে দিয়েছে। যথাক্রমে কোরেন্টিন টোলিসো এবং উসমান দেম্বেলেকে দলে ভেড়াতে গিয়ে তারা বিস্ময়ের জন্ম দিয়েছে।

ফিফার রিপোর্ট অনুযায়ী শুধুমাত্র ইউরোপের শীর্ষ ৫টি লিগের ক্লাবগুলো এবারের দল বদলের সময় ব্যয় করেছে ৩.৬৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা ক্লাব ফুটবলের ইতিহাসে এবারই প্রথম। ইংল্যান্ড, স্পেন, ফ্রান্স, জার্মানি এবং ইতালির ৫টি লিগের ক্লাবগুলো বড় অর্থ ব্যয়ের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র ইংল্যান্ডের ক্লাব গুলো ব্যয় করেছে ১.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা অন্য যে কোনো দেশের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।