নীলফামারীতে আশ্রয়ণ প্রকল্প ২ বাস্তবায়ন নিয়ে কর্মশালা

198
gb

 

নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি \ নীলফামারীতে আশ্রয়ন প্রকল্প-২
বাস্তবায়ন কল্পে মাঠ পর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে ।প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আয়োজনে সোমবার(২৯শে জানুয়ারী) দুপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ওইকর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেনপ্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ন প্রকল্প-২’র প্রকল্প পরিচালক আবুল কালামশামসুদ্দিন।নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খালেদ রহীম’র সভাপতিত্বেকর্মশালায় সমন্বয়ক ও প্রধান উপস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন প্রকল্প’রউপ-সচিব রবিউল আলম।এসময় বক্তব্য দেন কিশোরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহীকর্মকর্তা মেহেদী হাসান, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আবুল খায়ের মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান, যুব উন্নয়ন অধিদফতর নীলফামারীর উপপরিচালক আব্দুল ফারুক, জেলা সমবায় কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান, জেলা
প্রশাসক কার্যালয়ের রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর (আরডিসি) উত্তম কুমাররায় প্রমুখ।কর্মশালায় নীলফামারী জেলায় আশ্রয়ণ প্রকল্প বাস্তবায়নসংক্রান্ত হালনাগাদ, অগ্রগতি ও সমস্যা উপস্থাপন করেন অতিরিক্ত জেলাপ্রশাসক(রাজস্ব) মুজিবুর রহমান।তিনি জানান, নীলফামারী সদরে হরিজনসম্প্রদায়ের জন্য নির্মিতব্য আশ্রয়ন প্রকল্পের মাটির কাজ ও ডোমারউপজেলার গোমনাতিতে আশ্রয়ন প্রকল্পের ব্যারাক নির্মাণ কাজ চলমানরয়েছে।কর্মশালার সমন্বয়ক রবিউল আলম জানান, ২০১৬-২০১৭ ও ২০১৭-২০১৮অর্থবছরে নীলফামারী জেলার ছয় উপজেলায় ২ কোটি ৭০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়াহয়েছে। যা দিয়ে ৭৪৫ টি ঘর তৈরি করে দেয়া হয়েছে প্রকল্পের অর্থায়নে।প্রকল্পের পরিচালক আবুল কালাম শামসুদ্দিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়েরআশ্রয়ন প্রকল্পের আওতায় যাদের ১ থেকে ১০ শতাংশ জমি আছে কিন্তু ঘর নেইতাদের প্রকল্পভুক্ত করে পরিবারটিকে ১লাখ টাকা দিয়ে ঘর তৈরি করে দেয়াহচ্ছে।এখন পর্যন্ত সারা দেশে ২৩ হাজার ২৭৪ পরিবারকে গৃহ নির্মাণকরে দেয়া হয়েছে বলে জানান শামসুদ্দিন।অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) আজাহারুল ইসলাম, ডিমলা উপজেলা
নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুন নাহার, জলঢাকা উপজেলা নির্বাহীকর্মকর্তা-রাশেদুল হক প্রধান, নীলফামারী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মামুন ভুইয়া অংশগ্রহণ করেন এ কর্মশালায়।