সিলেটে উদ্বোধন হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন সড়কের

213
gb

জিবিনিউজ24 ডেস্ক:সিলেট নগরীর মীরের ময়দান থেকে ব্লু-বার্ড স্কুল পর্যন্ত সড়ক সম্প্রসারণ ও সৌন্দর্যবর্ধনের পর উদ্বোধন হচ্ছে চলতি মাসেই। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এ সড়কটির উদ্বোধন করবেন। সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) উদ্যোগে চলতি বছরের শুরুর দিকে সড়কটিতে উন্নয়ন কাজ শুরু হয়েছিল। প্রায় ৮৪ লাখ টাকা ব্যয়ে সম্প্রতি শেষ হয় কাজ।

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হাবীব সিলেটভিউ২৪ডটকমকে বলেন, ‘আগামী ২১ ডিসেম্বর সড়কটির সম্প্রসারণ ও সৌন্দর্যবর্ধন কাজের উদ্বোধন করবেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।’

অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে সিলেট জেলা প্রশাসনে পাঠানো সফরসূচিতে দেখা গেছে, ২১ ডিসেম্বর দুপুরে বিমানযোগে সিলেট আসবেন অর্থমন্ত্রী। ওইদিন বিকাল সাড়ে ৩টায় মীরের ময়দান থেকে ব্লু-বার্ড স্কুল পর্যন্ত সড়ক সম্প্রসারণ ও সৌন্দর্যবর্ধন কাজের উদ্বোধন করবেন তিনি।

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) নুর আজিজুর রহমান সিলেটভিউ২৪ডটকমকে জানিয়েছেন, ওই সড়ক প্রশস্তকরণ ও সৌন্দর্যবর্ধন কাজে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৮৪ লাখ টাকা।

সিসিক সূত্র জানায়, গেল জানুয়ারির মধ্যভাগে সিলেট নগরীর পুলিশ লাইন্স থেকে ব্লু-বার্ড স্কুল পর্যন্ত মীরের ময়দান সড়ক সম্প্রসারণ কাজ শুরু হয়। সড়কটিকে দৃষ্টিনন্দন করতে একইসাথে সৌন্দর্যবর্ধন কাজও চলতে থাকে।

ওই সময় সড়কটি গড়ে ৩৫ ফুট প্রশস্ত ছিল। সম্প্রসারণের সময় সড়কের বাম দিকে প্রায় ৮ ফুট এবং ডান দিকে প্রায় ৪ ফুটের মতো জায়গা নেয় সিটি করপোরেশন। বাম দিকে সিংহভাগ জায়গাই ছিল পুলিশ লাইন্সের। সড়ক সম্প্রসারণের জন্য জায়গা দিতে পুলিশকে চিঠি দেন অর্থমন্ত্রী। পরে পুলিশ প্রায় ১৬ শতক জায়গা সড়কের জন্য ছেড়ে দেয়। এছাড়া সড়কের ডান দিকে বিভিন্ন বাসা-বাড়ির মালিকরাও স্বতস্ফূর্তভাবে জায়গা ছেড়ে দেন।

এদিকে, পুলিশ লাইন্সের জায়গা নিতে গিয়ে তাদের সীমানাপ্রাচীর ও বিভিন্ন স্থাপনা ভাঙা পড়ে। পরবর্তীতে সিটি করপোরেশন নিজেদের উদ্যোগে তা পুনঃনির্মাণ করে দেয় বলে সিলেটভিউ২৪ডটকমকে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হাবীব।

ওই সড়কে সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য মধ্যখানে আকর্ষণীয় ডিভাইডারও নির্মাণ করা হয়। ডিভাইডারের মধ্যে নকশার কাজও করা হয়। এছাড়া স্থাপন করা হয়েছে নজরকাড়া আলোকবাতিও। এতে করে সড়কটি দৃষ্টিনন্দন হয়ে ওঠেছে।

মীরের ময়দান এলাকার বাসিন্দা খলকু আহমদ বলেন, ‘সড়কটি প্রশস্ত হওয়ায় যানজট আগের তুলনায় কমেছে। এছাড়া সৌন্দর্যবর্ধন করায় দেখতেও আকর্ষণীয় লাগে।’