বংশীয় প্রভাব বিস্তার নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে ছাত্রলীগ সভাপতি ও নারী সহ আহত-১৬

86
gb

শেখ সাইফুল ইসলাম কবির.সিনিয়র  রিপোর্টার,বাগেরহাট ||

বাগেরহাটের চিতলমারীতে বংশীয় প্রভাব বিস্তার নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষে ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতিসহ ১৬ জন আহত হয়েছেন। রোববার বিকেলে দফায় দফায় এ সংঘর্ষে আড়ুয়াবর্নী পূর্বপাড়া ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ শেষে আহতদের পুলিশ ও এলাকাবাসী উদ্ধারের করে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করেছে।

আহতদেও মধ্যে আবুল খান ও বাবুল খানকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সন্ধ্যায় তাদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছিল।

পুলিশ জানায়, বংশীয় প্রভাব বিস্তারের জেরে চিংড়ি ঘেরের বেড়িবাঁধের উপর দিয়ে কাটা ধান
নিয়ে হাটাকে কেন্দ্র করে রোববার বিকেলে উপজেলার সদর ইউনিয়নের আড়ুয়াবর্ণী পূর্বপাড়া
গ্রামে জুয়েল মোল্লা ও মতিয়ার খান পক্ষের মধ্য বিরোধ বাধে। বিরোধের এক পর্যায়ে উভয়
পক্ষ দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

এ সময় সংঘর্ষে মোল্লা বংশের রাসেল মোল্লা (৩০), জুয়েল মোল্লা (৩৫), রুমিচা বেগম (৫৫), শিউলি বেগম (৩৫), জসিম মোল্লা (২৮), আব্দুস সত্তার মোল্লা (৭৫), সাঈদ মোল্লা (৪০), গাউস মোল্লা (৫০), কেরামত মোল্লা (৬৫), রিপন মোল্লা (২৬), চিতলমারী সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মোল্লা মাসুম বিল্লাহ (৩০) আহত হন।

অপর দিকে খান বংশীয় আহতরা হলেন, আবুল খান (৫০), বাবুল খান (৪৫), সালেহীন খান (২০) সাগর
খান (২৫) ও একরাম খান (৪৫)। এদেরমধ্যে আবুল খান ও বাবুল খানের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওযায়
সন্ধ্যায় তাদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মোল্লা বংশের আব্দুল হাই মোল্লা জানান, খান বংশের লোকজন জমি থেকে ধান কেটে চিংড়ি ঘেরের বেড়িবাঁধের উপর দিয়ে বাড়ি আনার পথে তারা বাধা দেন। এ ঘটনায় তারা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছিলেন। রোববার বিকেলে মোল্লা বংশের লোকজন ধান কেটে বাড়ি আনতে গেলে তাদের উপর হামলা চালায়। হামলায় নারীসহ ১১ জন আহত হয়েছে।

খান বংশের মো. মকবুল হোসেন খান জানান, মোল্লাদের সাথে তাদের পূর্ব থেকে বিরোধ চলে আসছিল। ঘটনার সময় তাদের বংশের ছেলেদের মোল্লা বংশের ছেলেরা উস্কানীমূলক কথাবার্তা বললে
এ সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষে তাদের পক্ষের পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছে। সন্ধ্যায় আশঙ্কাজনক অবস্থায়
দুজনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর শরিফুল হক জানান, খবর শুনেই ঘটনাস্থলে পুলিশ
পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন Accept আরও পড়ুন