মানবপাচারে এমপি জড়িত, পররাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন ‘ফেইক নিউজ’

42
gb

জিবিনিউজ 24 ডেস্ক //

সম্প্রতি কুয়েত সিআইডির বরাত দিয়ে মানবপাচারে বাংলাদেশের একজন সংসদ সদস্যের জড়িত এ বিষয়ে সংবাদমাধ্যমে যে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে তা ‘ভুয়া’ বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন।

 

রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমরা শুনেছি এটা ফেইক নিউজ। আমাদের কাছে এ ধরনের কোনো তথ্য নেই। আমাদের মিশন ওখান থেকে কোনো খবর দেয়নি। আমরা এখনও জানি না। এটা বোধহয় কোনো একটা পত্রিকায় বের হয়েছিল এবং পরবর্তীতে ওই পত্রিকাই বলেছে এর সত্যতা সম্পর্কে সন্দেহ আছে।

কুয়েত সিআইডির বরাত দিয়ে বাংলাদেশ থেকে মানবপাচার নিয়ে বেশ কয়েকটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে কুয়েতি পত্রিকা আল কাবাস ও আরব টাইমস।

আল কাবাসের খবরে বলা হয়, কুয়েতে মানবপাচার ও ভিসা বাণিজ্যে জড়িত থাকার অভিযোগে তিন বাংলাদেশির একটি চক্রের সন্ধান পাওয়ার পর একজনকে গ্রেফতার করেছে সেখানকার সিআইডি। বাকি দুজন বাংলাদেশে পালিয়ে গেছেন। তাদের মধ্যে একজন সংসদ সদস্য।

গত বুধবার সংবাদমাধ্যম আরব টাইমস ও কুয়েতি পত্রিকা আল কাবাস যেখানে ওই সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে মানবপাচারে জড়িত থাকার তথ্য উঠে আসে। যদিও সংসদ সদস্যের নাম পরিচয় উল্লেখ করা হয়নি প্রতিবেদনে।

কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে আল কাবাসের প্রতিবেদনে বলা হয়, মানবপাচার চক্রটিতে তিন জন রয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন গ্রেফতার হলেও বাকি দুজন পালিয়ে বাংলাদেশে চলে গেছে।

কুয়েতের সিআইডির বরাত দিয়ে বলা হয়, চক্রটি ২০ হাজারের বেশি বাংলাদেশিকে কুয়েতে এনেছিলো। আর এ থেকে তারা আয় করেন ৫ কোটির বেশি কুয়েতি দিনার। বাংলাদেশি টাকায় যা প্রায় ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।

আরব টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, অভিযুক্ত বাংলাদেশি সংসদ সদস্য বাংলাদেশের একটি বেসরকারি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য। সূত্রের বরাতে তারা জানায়, তার স্ত্রীও বাংলাদেশের সংসদ সদস্য। অভিযুক্ত তার বেশিরভাগ সম্পদই যুক্তরাষ্ট্রে পাচার করেছেন এবং একজন মার্কিন নাগরিকের সঙ্গে যৌথভাবে ব্যবসা শুরু করেছেন।

কুয়েত এবং বাংলাদেশে তার আসা যাওয়া নিয়মিত। কুয়েতে তিনি কখনো ৪৮ ঘণ্টার বেশি থাকেন না এবং মানব পাচারের বিরুদ্ধে সিআইডির অভিযানের কথা জানতে পারার এক সপ্তাহ আগে তিনি কুয়েত ছেড়ে দেশে চলে আসেন।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, কুয়েতে জনশক্তি রপ্তানির জন্য সরকারি কার্যাদেশ পেতে ঘুষ হিসেবে সেখানকার সিনিয়র সরকারি কর্মকর্তাদের পাঁচটি বিলাসবহুল গাড়ি দিয়েছেন ওই সংসদ সদস্য।

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন Accept আরও পড়ুন