‘৭ মার্চের ভাষণ নতুন প্রজন্মের কাছে প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে

379
gb

জিবিনিউজ24 ডেস্ক:

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পাওয়ায় শনিবার বিকেলে রাজধানীসহ সারাদেশে আনন্দ শোভাযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এ উপলক্ষ্যে কেন্দ্রীয়ভাবে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দ্দী উদ্যানে আয়োজিত এক সমাবেশে সরকারের দু’জন সিনিয়র সচিব তাদের বক্তৃতায় বলেন, বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বজুড়ে নতুন প্রজন্মের কাছে দেশও জাতি গঠনে প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

তারা বলেন, মানবতা ও নিপীড়িত মানুষকে তাদের অধিকার আদায়ের সংগ্রামকে যুগে যুগে উজ্জীবিত করবে।

 

এরআগে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা পৃথক আনন্দ শোভাযাত্রাসহকারে এ সমাবেশে যোগ দেয়। এই সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সমাবেশের শুরুতেই মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যলয়ের মুখ্য সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী বক্তব্য রাখেন।

বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ প্রচারের সময় সমাবেশস্থল ‘যেন ফিরে যায় ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ৩টা ২০ মিনিটে’। ১৯৭১ সালে ব্ঙ্গবন্ধু একইস্থানে ঠিক একই সময়ে এই ভাষণ দিয়েছিলেন।

 

সমাবেশে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ প্রচারের পর-পরই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভাষণ দেন। তিনি বলেন, ইতিহাস বিকৃতকারীরা যে আর ক্ষমতায় আসতে না পারে সেই জন্য সবাইকে সব সময় সজাগ ও সর্তক থাকতে হবে। নতুন প্রজন্মকে জাতির পিতার ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের মর্ম কথা সম্পর্কে সচেতন করতে হবে।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশ যেন সামনের দিকে এগিয়ে যায় এবং ২০২১ সালে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালে উন্নত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করতে পারে তার উদ্যোগ নিতে হবে।

এ উপলক্ষে আজ রাজধানীসহ দেশের সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আনন্দ মিছিল, রচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রদর্শন করা হয় মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র। এছাড়া বিদেশে বাংলাদেশের মিশনসমূহেও বিভিন্ন অনুষ্ঠান পালিত হয়।

উল্লেখ্য, গত ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দেয়া ৭ মার্চের ভাষণকে বিশ্ব ঐতিহ্যের প্রামাণ্য দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।