শীতে ফেটেছে ঠোঁট?

58
gb
জিবি নিউজ ২৪
শীতকালে ঠোঁট ফাটা একটি সাধারণ সমস্যা। এই সময় বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকে, ফলে ঠোঁট শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে যায়। অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে গেলে ঠোঁট ফেটে যায়। এছাড়া এই ঋতুতেই কারো কারো ঠোঁট কালচে হয়ে যায়। ফলে সতেজতা হারায় ঠোঁট।                             
ঠোঁট যেহেতু অত্যন্ত সংবেদনশীল অংশ, ফলে শীতকালে ঠোঁটের বাড়তি যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। আসুন জেনে নেই শীতকালে শুষ্কতা ও কালচেভাব থেকে ঠোঁটকে বাঁচানোর উপায় সম্পর্কে-

ঘরোয়া টোটকা

ঘরে থাকা উপকরণ দিয়ে সামান্য যত্ন নিলেই ঠোঁট ফাটার হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়। চিনি, লেবুর রস, মধু ও নারকেল তেল একসঙ্গে মিশিয়ে ঠোঁটে লাগিয়ে পাতলা কাপড় দিয়ে হালকা করে ঘষুন। ২০ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এরপর ঠোঁটে লিপবাম লাগান। ঠোঁটের মরা চামড়া দূর হবে। এভাবে নিয়মিত ঠোঁটের যত্ন নিলে এই শীতেও ঠোঁট ফাটার ভয় থাকবে না।

ঠোঁটের কালচেভাব দূর করতে

ঠোঁটের কালচেভাব দূর করতে দুধের সর বা মাখনের সঙ্গে মধু মিশিয়ে ঠোঁটে লাগান। এছাড়া গোলাপের পাপড়ি পেস্ট বানিয়ে তাতে মধু মিশিয়ে ঠোঁটে লাগিয়ে রাখুন সারারাত। নিয়মিত এসব উপকরণগুলো ব্যবহার করলে ঠোঁটের কালচেভাব দূর হবে।

শাক-সবজি, ফলমূল খান পর্যাপ্ত

শীতকাল মানেই শাক-সবজি ও ফলমূহের সমাহার। এই ঋতুতে বাজারে থাকে নানারকম ফলমূল ও শাক-সবজি। আপনার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত পরিমাণে শাক-সবজি ও ফলমূল থাকতে হবে। কারণ প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ লবণের অভাবেও ঠোঁট ফ্যাকাশে বা কালচে হয়ে যেতে পারে। দিনে দুইবার ফল এবং তিনবার কয়েকরকম শাক-সবজি খেতে হবে।

প্রচুর পানি খান

শীতকালে অনেকেই পানি কম খেয়ে থাকেন। এর ফলে ত্বক ও ঠোঁটের আর্দ্রতা হারায়। প্রতিদিন অনন্ত দুই থেকে তিন লিটার পানি পান করা উচিত। শরীরে পানিশূন্যতা থাকলে ঠোঁট উজ্জ্বল দেখায় না।

বদঅভ্যাস বাদ দিতে হবে

ঠোঁট শুষ্ক হলে অনেকে জিহ্বা দিয়ে ঠোঁট বার বার ভেজায়। এটা খুবই খারাপ অভ্যাস। এভাবে ঠোঁট ভেজালে আপনার ঠোঁট আরও বেশি ফাটবে। ব্যাগে সবসময় লিপবাম রাখুন। ঠোঁট শুষ্ক হলেই ঝটপট একটু লিপবাম লাগিয়ে নিন।

ঠোঁট পরিষ্কার রাখতে হবে

এইসময় বাতাসে ধুলোবালি থাকে বেশি। ফলে বাইরে বের হলেই ঠোঁটে ধুলোবালি জমে যায়। তাই বাসায় ফিরে ঠোঁট পরিষ্কার করে লিপবাম লাগতে হবে।

শীতকালে ত্বক ও ঠোঁটের বাড়তি যত্ন নিতে হয়। ত্বক ও ঠোঁটের সুস্থতার জন্য পুষ্টিকর খাবার খাওয়া ও পর্যাপ্ত ঘুমানো দরকার

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More