মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের এত পেট লাগছে কেন ভারত কে পানি এবং বিদেশ থেকে গ্যাস এনে দেয়ার????

1,338
gb

রেজা আহমদ ফয়সল চৌধুরী ||

মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্ষমা করবেন আমাকে, ক্ষমাই মহত্বের লক্ষন। আপনার সাথে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় দেখা হয়েছে, কথা হয়েছে। সর্বশেষ কথা হয়েছিল লন্ডনে ক্যপ্টেন তাসবিরুল চৌধুরী সাহেবের বাসায়, আপনার বড় ভাই সুজন সাহেবের সাক্ষাতকার নিয়েছিলাম, সেখানে হঠাৎ করেই আপনি উপস্থিত হয়েছিলেন সন্ত্রীক। আপনার সাক্ষাতকার নিতে চাইলে আপনি দিতে চাননি। ভয়ে ছিলেন আমি কি থেকে কি জিজ্ঞাস করে ফেলি। তাসবীর ভাই এবং বৃটিশ কারি এওয়ার্ডের প্রতিষ্টাতা এনাম আলী সাহেবের বিশেষ অনুরোধের প্রেক্ষিতে আপনি সাক্ষাতকার দিয়েছিলেন। তখন হট ইস্যু ছিল সিরিয়াতে বৃটিশ বাংলাদেশী শামীমা বেগম বৃটেন আসবে না বাংলাদেশে চলে যাবে, আপনাকে বৃটিশ সাংবাদিক জিজ্ঞাস করেছিল, আপনি প্রতিউত্তরে বলেছিলেন শামীমা বাংলাদেশে গেলে তাকে হাং করে দিবেন, এরকম একটি কথা আপনি বলেছিলেন। আমি আপনাকে আশ্বস্ত করেছিলাম শামীমার ব্যাপারে আমি কোনো কথা বলবোনা। কারন আমি যদিও সাংবাদিক লেখা লেখি করি তবে ফালতু কোনো কথা কাউকে জিজ্ঞাস করিনা, বলিওনা। আমার কাছে তখন মনে হয়েছিল শামীমা বাংলাদেশের কোনো সমস্যা নয়। শামীমা বৃটেনের সমস্যা। সে বৃটেন থেকে সিরিয়ায় গিয়েছিল জেহাদ করার জন্য। অবশ্য মেয়েটি না বুঝে গিয়েছিল। আমি বৃটিশ রাজনীতিবীদ অনেককেই জিজ্ঞাস করেছিলাম শামীমা সিরিয়ায় ফ্লাই করলো কিভাবে? সে যখন সিরিয়া যায় তখন তো আন্ডার এইজ ছিল। কেউ কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি। বৃটিশ সরকার না বুঝেই তার নাগরিকত্ব বাতিল করে দিয়েছে। আমরা তো সারা জীবন শুনে আসছি গোলাম আজমের নাগরিকত্ব বাতিল হওয়ার কথা। অবশ্য লন্ডনে শামীমার পরিবার আইনী লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।
সে যাক, সে অন্য প্রসঙ্গ। যা নিয়ে লিখতে বসেছি সেটাই লিখে ফেলি। আপনাকে লিখার উদ্দেশ্য হলো সবাই তো শুধু মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বলে বা লিখে।

আমি চিন্তা করলাম আমি যদি কিছু লিখি আর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যদি বলে ফেলেন যেভাবে তিনি সাংবাদিক জ,ই, মামুন সাহেবের প্রশ্নের উত্তরে বলেছেন আপনাদের একটা বদ অভ্যাস হয়ে গেছে———-। তাহলে তো সমস্যা হয়ে যাবে। আমি চাইনা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে কোনো কিছু বলে বা লিখে তার বিরাগভাজন হতে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে সুন্দর সম্পর্ক থাকলে আর কিছু না হতে পারলেও আমার অগ্রজ সাংবাদিক ইকবাল সোবহান চৌধুরী সাহেবের মত ভবিষ্যতে মন্ত্রী হতে পারবো। আর কিছু না হলেও অন্তত একখানা টিভির লাইসেন্স পাবো। অবশ্য আপনাদের যন্ত্রনায় লন্ডনে টিভি চালাতে পারি-নাই। আপনাকে বলা প্রয়োজন কি-না জানিনা, আপনি যে আমার টক শতে বসে কথা বলেছিলেন সেই টক শো এখন আর নেই। আওয়ামীলীগ সরকারের গোয়েন্দা বাহিনীর অত্যাচারে সেটিও বন্ধ হয়ে গেছে। সেটি নিয়ে আরেকদিন লিখবো।
মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী আপনি পেশাদার কুৃঠনৈতিক কি-না আমার জানা নেই। আমি ও ।আপনার কাছ থেকে জানতে চেয়েছিলাম বাংলাদেশের কোনো লিখিত পররাষ্টনীতি আছে কি-না? সদুত্তর পাইনি। ডঃ কামাল হোসেন স্যারকে জিজ্ঞাস করেছিলাম বাংলাদেশের পররাষ্টনীতিটা কি স্যার বলেছিলেন লিখার সময় পাইনি। বলেছিলাম সারাজীবনে কি এক সংবিধানই লিখলেন। স্যার কিছুটা অভিমান করেছিলেন আমার উপর। কারন লন্ডনে তিনি আসলে আমার টক শোতে ঘন্টার পর ঘন্টা বসতেন কখা বলতেন। জনাব মোমেন সাহেব আমি যতটুকু জানি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি নাকি সবার সাথে বন্ধুত্ব কারো সাথে কোনো শত্রুতামী নেই। আচ্চা এ যুগে কি এটা সম্ভব? ভাইয়ে ভাইয়ে লেগে যায়, বোনো বোনো লেগে যায়। এই যে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার মধ্যে নাকি ঠান্ডা যুদ্ধ চলছে, সত্যি মিথ্যা জানিনা তবে বাজারে জোর গুজব চলছে দীর্ঘদিন থেকেই। তবে শেখ রেহানা আপাকে আমার ভালোই লাগে। একজন মহিলা কি পরিমাণ কষ্ট করেছেন তার সন্তানদের জন্য।

এক টিউলিপ সৃষ্টি করা কি কম কথা? তা ছাড়া শুনেছি রেহানা আপার প্রত্যেকটি সন্তানই নাকি টেলেন্ট। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সন্তানদের আমার দেখা হয়নি, তবে প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে পুতুল টেলেন্ট তার কথা বার্তা থেকেই বুঝা যায়।
মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই যে আপনারা সম্প্রতি জাতি সংঘে গেলেন আামি জাানিনা আপনারা কতজন গিয়েছিলেন এবছর। কে একজন বলেছে শ খানেক হবে। যদি তাই হয় তাহলে তো সমস্যা। এত বহর নিয়ে নিউইয়র্কে গেলেন, এচিভমেন্টা কি? কি নিয়ে এসেছেন দেশের জন্য? জাতীর জন্য? শুনেছি প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গীদের মধ্যে প্রতিষ্টিত ব্যবসায়ি ছাড়াও মুদির দোকানদার ও নাকি ছিল। আচ্চা এই যে জাতি সংঘ, কমনওয়েলথ, জেনেভা কনভেনশন, আর্থ সামটি, রিও সামিট, ওআইসি, জি সেভেন, সার্ক এসবে কি কোনো কাজ হয়? বেশ আগে একবার কথা উঠেছিল জাতিসংঘকে বন্ধ করে দিতে, ইদানিং শুনেছি জাতিসংঘ নাকি অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছে, কর্মচারীদেরও বেতন দিতে পারছেনা। শুনেছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দুটি পুরস্কার পেয়েছেন একটির নাম ভ্যসকিন হিরো (টিকা) আরেকটি স্কীল ডেভোলাপমেন্ট ফর দ্যা ইয়ুথ ইন বাংলাদেশ নামের পুরস্কার। অবশ্য আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসলে বিদেশ থেকে যত সব নাম না জানা পুরস্কার আর ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করে। একবার সাবেক স্পীকার মরহুম হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী সাহেবের সাথে লন্ডনে দেখা হয়েছিল, আমার এক বন্ধু সাংবাদিক আমাকে বলেছিলেন হুমায়ুন রশীদ সাহেব জাতিসংঘে উথান্ট শান্তী পুরস্কার পেয়েছেন, আমি অর্ধশিক্ষিত মানুষ, আমি তো ভাবছি উথান্ট শান্তী পুরস্কার বোধ হয় নোবেল পুরস্কারের চাচাত ভাই। খোজ নিয়ে সেদিন জেনেছিলাম জাতী সংঘের সাবেক এক মহাসচিবের নাম ছিল উথান্ট। তার নামনুসারে এ পুরস্কারটি প্রবর্তন করা হয়েছিল। হুময়ায়ুন রশীদ চৌধুরী সাহেবের এক চামচা তৎকালীন সময়ে আমাকে বলেছিলেন জানো এ শান্তী পুরস্কার কে কে পেয়েছে? আমি বলেছিলাম জানিনা , তিনি বলেছিলেন পৃথিবীতে শান্তী পক্রিয়ায় যারা উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছিলেন শুধু তাদেরকেই দেয়া হয়েছে, এর মধ্যে পপ দ্বিতীয় জন পল, নেলসেন মেন্ডেলা, রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্ভাচেব ও নোবেল বিজয়ী মাদার তেরেসাকে। হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী সাহেবকে পুরস্কার দেয়া হয়েছিল জাতীসংঘের ৪২তম অধিবেশন সফলভাবে সম্পন্ন, দীর্ঘ কুঠনৈতিক জীবনে শান্তী স্থাপনে অবদান রাখা, এবং তৎকালীন সময়ে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার হিসেবে এশীয় অ লের পার্লমেন্টারিয়ানদের নিয়ে শান্তী সম্মেলন সফলভাবে আয়োজনের জন্য হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী সাহেবকে উথান্ট শান্তী পুরস্কারে ভুষিত করা হয়েছিল। আমি চামচার কথা শুনে নিজেকে খুবই অসহায় ভেবেছিলাম। কারন চৌধুরী সাহেব যখন ঐ পুরস্কার পেয়েছিলেন তখন সিলেটে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি হলের নামকরন নিয়ে চরম অশান্তী বিরাজ করছিল। সে অশান্তীতে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী সামাদ আজাদ সাহেবও জড়িত ছিলেন। অবশ্য তাদের কেউই বেঁচে নেই। কিন্তু ইতিহাস বেঁচে আছে——–বেচে আছে তাদের কীর্তি। তারা তো তাদের কীর্তির চাইতেও মহান!!!!!
আমাদের নেতা নেত্রীরা যখন এসব টমডিকেন হ্যারি মার্কা পুরস্কারে ভুষিত হন আর তাদের চামচা সাংবাদিকরা তা ফলাও করে প্রচার করে তখন মনে মনে বলি ”ধরণী দ্বিধা হও”
জাতি সংঘ থেকে এসেই আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গেলেন ভারতে। গিয়ে ফেনীর পানি দিয়ে আসলেন, আর তরল গ্যাসও বিদেশ থেকে এনে ভারতে বিক্রি করবেন! এ রকম কথাই তো মাননীয় পররাষষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন। মাননীয় মন্ত্রী বলেছেন রিএক্সপোর্ট করবেন! ভারত কি ডায়রেক্ট এক্সপোর্ট করতে পারেনা? এটা কি আরেক রামপালের প্রজেক্ট হবে? এটা কি রামপালের নতুন সংস্করণ? সম্প্রতি এসব নিয়েই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সংবাদ সম্মেলন করেছেন সেখানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে বলেছেন ”বদঅভ্যাস”। অবশ্য সাংবাদিকরা কিছুই বলেননি। কেন বলেননা আমি জানি, কারন তারা ভয় পান। তবে প্রধানমন্ত্রী সেদিন সাংবাদিক সম্মেলনে হালকা রসিকতা করার চেষ্টা করলেও সাংবাদিকরা পাত্তা দেননি।

এটা আমার ভালো লেগেছে। ”প্রধানমন্ত্রী বলেছেন শেখ হাসিনা কে দিয়ে দেশের স্বার্থ বিরোধী কোনো কাজ হবেনা” মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সরকার কি কি করেছে এ পর্যন্ত দেশের মানুষ সবই জানে, সাংবাদিকরাও জানে কিন্তু ভয়ে কিছুই বলছেনা। রামপালের প্রকল্প কি দেশের স্বার্থ রক্ষা করবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী? সাংবাদিকরা কিছু বলতে পারেনা লিখতেও পারেনা। কথায় কথায় বলা হয় ৩০ টি টেলিভিশনের লাইসেন্স দিয়েছে শেখ হাসিনার সরকার। একবার তো তিনি বলেছেন যেমন দিতে পারি তেমনি নিতেও পারি। কি হুমকী রে বাবা?
২০১১ সালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মন মোহন সিংহের ঢাকা সফরের সময় তিস্তা চুক্তির কথা থকালেও চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি। কারন মুখ্য মন্ত্রী মমতা চাননা তিস্তা চুক্তি হোক। ঢাকার কুঠনৈতীকরা বলেন ভারত তো চুক্তি করবেনা সেটা তো বলছেনা। ১১ থেকে ২০১৭ সাল মাঝখানে ৬ বছর, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গেলেন দিল্লি, বাংলার জনগন ভাবলো এবার তিস্তা চুক্তি হবে। কিন্তু ১৭ সালেও হলোনা। আমি জানি তিস্তা চুক্তি হবেনা। তিস্তার মুলা জুলিয়ে ফেনী নদীর পানি নিয়ে নিয়েছে ভারত। আমাদের পেশাদার পররাষ্ট্রসচিব বলেছেন মানবিক কারনে নাকি বাংলাদেশ ফেনী নদীর পানি দিয়ে এসেছে! এসব লোক যদি পররাষ্ট-সচিবের দয়িত্ব পালন করে তাহলে কি আশা করা যায়? ঢাকা মানবিক কারন বুঝে-দিল্লি বুঝেনা? মমতা বুঝেননা। এক তরফা কি প্রেম ভালোবাসা হয়? মমতা এবারের শেখ হাসিনা সরকারের ভারত সফরের সময় দিল্লিতে উপস্থিত ছিলেননা। কেন উপস্থিত ছিলেননা আমরা কি তা বুঝিনা। পরিস্কার কথা মমতা তিস্তার পানি দিবেননা। কিন্তু আমরা দিব, আমরা সব দিয়ে দিব। যে পররাষ্ট্রসচিব ব্যবসা বুঝেনা তার তো পররাষ্ট্রসচিব হওয়ার কথা না, সে তো হবে কবি। কবিরা মানবিকতা বুঝে। পারকিয়া প্রেম বুঝে, পরকীয়া ভালোবাসা বুঝে। মানবিকতা দিয়ে তো তিস্তার পানি পাওয়া যাবোনা। মানবিকতা দিয়ে নিজের নাক কেটে অপরের যাত্রা করা যায় যেটি পররাষ্ট্রসচিব, পররাষ্ট্রমস্ত্রী , এবং আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবার দিল্লিতে করে এসেছেন। ঢাকার তো বলা উচিৎ ছিল তিস্তা না হলে কিছুই হবেনা। পানিও দেয় গ্যসও দেয় সাথে ইলিশ ও দেয়। তারপরও মমতার মন ভরেনা। মমতাকে কনভিন্স করা যাচ্ছেনা!
লেখা আর লম্বা করে লাভ নেই। মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারত থেকে ফিরে এসে যে বক্তব্য দিয়েছেন পররাষ্ট্রসচিব যে বক্তব্য দিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন তাতে মনে হয়েছে বাংলাদেশের মানুষ এতই বোকা ঐ যে সিলেটের ভাষায় বলে এক লোক ”সিটাকে গুড় মনে করে খেয়ে ফেলেছিল”। সিটা কে কি বলে বাংলাদেশের অন্যান্য জেলায় আমি জানিনা। সিটা হুক্কা পান করার সময় ব্যবহার হয়। হুক্কার টিকি তৈরীতে ব্যবহার করা হয়। সিটার রং আর গুড়ের রং অনেকটা সমান। তো আমাদের অবস্থা হয়েছে এ রকমই । কোথায় তিস্তার পানি নিয়ে আসবে সেটার সাথে কোনো সম্বপর্ক নেই। উল্টো ফেনীর পানি দিয়ে এসেছে। এসে বলছে আমরা সব জয় করে ফেলেছি। জনগন তো বোকা সিটাকে গুড় মনে করে খায়। বর্তমান সরকার ভারত থেকে ফিরে যা বলে সাংবাদিকরা জনগনরা গোগ্রাসে গিলে।

লেখক সভাপতি ইউকে বাংলা প্রেস ক্লাব
সাবেক ম্যানেজিং ডিরেক্টর চ্যানলে আই ইউরোপ
লন্ডন ১১/১০/২০১৯ শুক্রবার

 

এখানে প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্ত নিজস্ব, মুক্ত আলাপ ,জিবি নিউজের সম্পাদকীয় বিভাগের আওতাভুক্ত নয়।
gb

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More