শ্রীমঙ্গলে লাশবাহী গাড়ি আটকে হাইওয়ে ‘পুলিশের চাঁদাবাজি’

68

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি \

জেলার শ্রীমঙ্গলে লাশবাহী গাড়ী আটকে হাইওয়ে পুলিশের চাঁদাবাজির প্রতিবাদে তিন ঘন্টা সডক অবরোধ করে রাখেন পরিবহন শ্রমিকরা। পরে শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছালেক এর সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিলে শ্রমিকরা অবরোধ তোলে নেন। শ্রমিকরা জানায়, শনিবার (১৫ জুন) সকাল সাড়ে দশটার দিকে ঢাকা সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের বিলাসের পাড় নামক স্থানে সিলেট থেকে শ্রীমঙ্গলগামী একটি লাশবাহী পিকআপ ভ্যানকে কাগজপত্র যাচাইয়ের জন্য থামান হাইওয়ে পুলিশের সাতগাঁও ফাড়ির ইনচার্জ নান্নু মন্ডল। এসময় ওই গাড়ীর ড্রাইভারের কাছ থেকে তিনি নিয়ম বহির্ভূত ভাবে চাঁদা দাবি করেন এবং লাশবাহী গাড়ীটিকে আটকে রাখেন। শ্রীমঙ্গলের মতিগঞ্জ এলাকায় প্রতিবাদে শ্রমিকরা সকাল সাড়ে দশটা থেকে দুপুর দুইটা পর্যন্ত সড়ক অবরোধ করে রাখেন।এতে ঢাকা সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। পরে শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছালেক এর সুষ্ঠু সমাধানের আশ্বাস দিলে শ্রমিকরা অবরোধ তোলে নেন।ওসি আব্দুস ছালেক জানান, শ্রমিকদের অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা ব্যবস্থা নিবেন। এদিকে ট্রাক ও ট্যাংক লরি শ্রমিক ইউনিয়ন শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শাহাজান মিয়া বলেন, নান্নু মন্ডলের নৈরাজ্যের মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। উনি যা করেছেন তা অমানবিক। আমরা এর তদন্ত সাপেক্ষে সুষ্ঠু বিচার চাই। অপরদিকে এই সড়কে চলাচলকারী একাধিক গাড়ির চালক নান্নু মন্ডলের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ আনেন। ড্রাইভার পারভেজ মিয়া বলেন, প্রতিনিয়ত নান্নু মন্ডলের চাঁদাবাজির কারণে শ্রমিকরা অতিষ্ঠ। সে এই রোডের প্রত্যেকটি গাড়ী বিভিন্ন স্থানে আটকিয়ে চাঁদাবাজি করে। চাঁদা না দিলে হাইওয়ে পুলিশের সাতগাঁও ফাড়ির ইনচার্জ নান্নু মন্ডল চালকদের মারধর করেন বলেও অভিযোগ করেন চালক। হাইওয়ে পুলিশ সাঁতগাও ফাড়ির ইনচার্জ নান্নু মন্ডল বলেন, ‘আমাদের হাইওয়ে পুলিশের মূল দায়িত্ব¡ নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা। এই কাজ করতে গিয়ে আমরা নানা ধরনের যানবাহন আটকিয়ে কাগজপত্র যাচাই করি। এ কারণেই তারা আমার উপর এরকম ভিত্তিহীন অভিযোগ এনেছে।’

মন্তব্য
Loading...