ঈদে বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন রির্সোট ও চন্দ্রমহল ষাটগুম্বুজ দেশী-বিদেশী পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়

52

 

শেখ সাইফুল ইসলাম কবির.সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার:কর্মব্যাস্ত জীবন থেকে কিছুটা ছুটি পেতে ঈদে নিজের ঘরে ফেরেন মানুষেরা। সারাবছর কোথাও বেরুতে না পারলেও এই সময় দর্শনীয় স্থানগুলো ঘুরে বেড়ান তারা। পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরকে কেন্দ্র করে বৈরি আবহাওয়ার মধ্যেও একদিন আগেও ছিল টানা ভারী বর্ষন আর সেকারনেই ঈদের দ্বিতীয় দিন জেলার বিনোদন কেন্দ্রসহ ঐতিহাসিক স্থানগুলোতে পর্যাটক ও দর্শানার্থীদের উপছে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। ঈদের দিন ওয়ার্ল্ড হ্যারিটেজ সুন্দরবন ও বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগুম্বুজ মসজিদে পর্যাপ্ত পর্যটক আসবে কিনা তা নিয়ে দেখা দিয়েছিল সংশয়। কিন্তু ঈদের দিন বৈরি আবহাওয়ার মধ্যেও ঈদের ছুটিতে সুন্দরবন, ষাটগম্বুজ মসজিদ ও হযরত খানহাজান আলী (রঃ) মাজারসহ বাগেরহাটের বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে পর্যটকের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। দেশী-বিদেশী পর্যটকদের ভিড়ে উৎসবের আমেজ সৃষ্টি হয় বাগেরহাটের বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন, ষাটগম্বুজ ও খানজাহান আলীর মাজার এলাকায়। ঈদের দিন জেলার বিনোদন স্পটে গুলোতে হাজার হাজার পর্যটকের আগমন ঘটে বলে সুন্দরবন পূর্ব বিভাগ ও জেলা প্রতœতত্ত্ব বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।
টানা বর্ষন শেষে ঈদের দ্বিতীয় দিন পর্যটকদের পদচারনায় মুখরিত হয়ে ওঠে সুন্দরবন। এসময় হাজার হাজর দেশি-বিদেশি পর্যটকের ভিড় সামলাতে বনরক্ষীদের রীতিমতো হিমশিম খেতে হয়। এদিকে বাগেরহাট শহরের বিনোদন কেন্দ্র পৌর পার্ক, সুন্দরবন রির্সোট ও পিকনিক কর্নার, দড়াটানা ব্রীজ ও চন্দ্রমহলে দেশী-বিদেশী পর্যটকদের পদচারনায় অন্যরকম আনন্দের আমেজ সৃষ্টি হয়। সুন্দরবন পূর্ব বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ঈদের দিন আবহাওয়া ভালো থাকায় সুন্দরবনের পর্যটন স্পট গুলোতে ব্যাপক সংখ্যক পর্যটকের আগমন ঘটে। পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা ও পর্যটন স্পটগুলোতে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও চোরা শিকারীদের তৎপরতা বন্ধে এবার পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বনরক্ষীদের ঈদের ছুটি বাতিল করা হয়। বাগেরহাট ষাটগুম্বুজ মসজিদের কাষ্টডিয়ান গোলাম ফেরদৌস জানান, ঈদুল আযাহ ছুটিতে বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগুম্বুজ মসজিদে পর্যটকদের ব্যাপক আগম ঘটে। পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর ছুটিতে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য জেলা প্রতœতত্ব বিভাগের উদ্যোগে মসজিদ এলাকায় আনসার মোতায়েন করা হয়। ঈদের দিন থেকে হাজার হাজার পর্যটক ষাটগম্বুজ মসজিদ, যাদুঘর ও খানজাহান মাজার পরিদর্শন করছেন।####

মন্তব্য
Loading...