বিপুল উৎসাহ ও আনন্দ ঘন পরিবেশে বৃষ্টল বাথ ও সাউথ ওয়েষ্ট এলাকায় পালিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতর

65

খায়রুল আলম লিংকন বৃষ্টল ইউকে  ||

যথাযোগ্য মর্যাদায় বিপুল উৎসাহ,আনন্দ ঘন পরিবেশে বৃষ্টল বাথ সাউথ ওয়েষ্ট পালিত হয়েছে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর।

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আজ মঙ্গলবার ( মে) ইউরোপের অন্য দেশের মতো যুক্তরাজ্যে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি মুসলিমরা ঈদের নামাজ আদায় করেন। তবে ঈদের দিন সরকারি ছুটি না থাকায় নামাজ আদায় করেই অনেককেই কাজে ছুটতে দেখা গেছে।

মঙ্গলবার সকাল থেকে বৃষ্টলের সেন্ট্রাল মসজিদ সহ বিভিন্ন মসজিদে সমবেত হয়ে বিভিন্ন দেশের মুসলমানরা ঈদুল আযহা নামাজ আদায় করেন। শাহজালাল মসজিদ, জালালাবাদ ইসলামিক কালচারাল সেন্টার,শাহপরান ইসলামিক সেন্টার, বায়তুল মোকাররম ইসলামিক কালচারাল সেন্টার,কোরআন একাডেমী ইষ্টভিল পার্ক সহ বিভিন্ন স্থানে অনুষ্টিত হয় ঈদের একাধিক জামাত। বড় বড় মসজিদগুলোতে একাধিক জামাতে অংশ নেন নারীপুরুষ নির্বিশেষে মুসল্লিরা। বাংলাদেশীসহ মুসলমান অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে ঈদের ছিল এক আলাদা আমেজ।

ঈদের জামাতে দেওয়া খুতবায় বলা হয়, ‘ইসলাম শান্তির ধর্ম। ইসলামের সৌন্দর্যের অন্যতম হচ্ছে একে অন্যকে সাহায্য করা; একে অন্যের প্রতি দয়া করা; খারাপ কাজ অশ্লীলতা থেকে দূরে থাকা। ইসলামে সমাজের ধনী বিত্তবান সদস্যদের ওপর নির্দেশ রয়েছে দরিদ্র বিত্তহীনদের মধ্যে জাকাত ফিতরা প্রদানের। পবিত্র কুরআনে সুস্পষ্টভাবে ঘোষণা করা হয়েছে, বিত্তবানদের সম্পদের ওপর বিত্তহীনদের হক বা অধিকার আছে।সূরা আজ জারিয়াতএর ১৯ নম্বর আয়াত। ঈদুল ফিতরের প্রাক্কালে সদকা প্রদান করা উচিত। বিধান রয়েছে, ঈদের নামাজ আদায়ের আগেই ফিতরা প্রদান করতে হবে।

পবিত্র রমজান মাসে রোজা পালনের পুরস্কার হিসেবে আল্লাহ মহান ঈদের আনন্দ প্রদান করেছেন। ধনী শ্রেণীর মানুষের সাথে সাথে গরিবরাও যাতে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারে, জন্য সাদকাতুল ফিতর দেয়া ওয়াজিব করা হয়েছে। ফিতরার মাধ্যমে মুসলিম সমাজে বসবাসকারী ধনীদের অর্থ গরিবদের মধ্যে বণ্টিত হয় এবং দ্বারা গরিবদের জীবন যাপনে কিছুটা হলেও গতি ফিরে আসে। এর মাধ্যমে জনসাধারণের মধ্যে বৈষম্য কিছুটা হলেও হ্রাস পায় এবং সহযোগিতার মানসিকতার বিস্তার ঘটে। একে অন্যের সাথে সামাজিক সম্পর্কের উন্নয়ন হয়।মসজিদে মসজিদে বিশ্ব মুসলিম উম্মার সুখ, শান্তি উন্নতি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়

ঈদ জামাতের পূর্বে বৃষ্টল সেন্ট্রাল মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্দুর রাজিক, শাহজালাল মসজিদ কমিটির ট্রাষ্টী এম ওয়াহাব ,জালালাবাদ ইসলামিক কালচারাল সেন্টারের খতিব মৌলানা সৈয়দ মুয়াইইদুল ইসলাম।

রোদ্রজ্জ্বল চমৎকার আবহাওয়া থাকাতে প্রতিটি জামাতে মুসল্লীদের উপস্থিতি ছিল লক্ষনীয়. রঙবেরঙের বাহারী পোশাক বিশেষ করে প্রবাসী বাংলাদেশীদের ঐহিত্যবাহি পাঞ্জাবিপায়াজামা মাথায় টুপী এবং বিপুল সংখ্যক মুসলিমদের একত্রে নামাজে অংশগ্রহণের দৃশ্য মূলধারার মানুষকে চমকিত করেছে।

বিশিষ্ট জনদের মধ্যে জামাতে অংশগ্রহণ করেন বাংলাদেশ হাউজ সভাপতি ফকরুল আলী, সাধারণ সম্পাদক মোর্শেদ আহমদ মত্তচির, বৃষ্টল বাংলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি কামরুল ইসলাম,

প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক এটি এন বাংলা ইউ কে এর প্রতিনিধি খায়রুল আলম লিংকন,মখলিছ মিয়া, গ্রেটার সিলেট ওয়েলফেয়ার কাউন্সিল সাউথ ওয়েষ্ট রিজিয়নের সেক্রেটারি সৈয়দ আবু সাঈদ, আওয়ামীলীগ ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক ইসলাম উদ্দীন,যুবলীগ সাধারন সম্পাদক লিটন আলম বদরুল, সহসভাপতি আব্দুল মুকিত,সহসাধারন সম্পাদক ইমদাদুর রহমান রাসেল, তারিফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুর রহমান জুনেল,আব্দুল হামিদ,ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান, কমিউনিটি নেতা জহির আহমদ চৌধুরী আহবাব,বেদার আহমদ চৌধুরী,মাসুক মিয়া, ছমরুল হক,জিয়াঊল হক,শফিকুর রহমান চৌধুরী, বি.এন পির সহসভাপতি কাইয়ুম খান, হাজী মকদ্দছ আলী, জুয়েল মিয়া, শহীদুজ্জামান , শহীদ মিয়া, মতিউর রহমান লিটন,আঙ্গুর আলম, শিহাব ঊদ্দিন, শেয়েব আহমদ, শাহরিয়ার আহমদ রাসেল,আবুল মিয়া, মদরিছ আলী, প্রতাপ মিয়া,আইনুল ইসলাম, মসকুদ আলী,ওমর ফারুক, সুলতান খান,মোবারক আলী প্রমুখ.

মন্তব্য
Loading...