লন্ডনে ‘বাংলাদেশ ফ্যাশন উইক’

1,435
gb

আয়োজকদের প্রত্যাশা ছিল লন্ডনে ‘বাংলাদেশ ফ্যাশন উইক’ নিয়ে বছর বছর আগ্রহ বাড়বে, ধীরে ধীরে বাড়বে এর পরিসর। শনিবার রাতে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ ফ্যাশন উইক’ এর দ্বিতীয় সফল আয়োজন সেই প্রত্যাশার পালে বাড়তি অনুপ্রেরণা যোগ করবে নিঃসন্দেহে।

দ্বিতীয় আয়োজনে অংশগ্রহণকারী ডিজাইনারদের সংখ্যাই কেবল বাড়েনি, বেড়েছে এর টিকিটের চাহিদাও। প্রথমবারের ভুল-ভ্রান্তি এড়িয়ে এবারের আয়োজন ছিল আরও বেশি সুশৃঙ্খল।

লন্ডনে দ্বিতীয়বারের মতো হলো ‘বাংলাদেশ ফ্যাশন উইক’। আয়োজকদের প্রত্যাশা ছিল লন্ডনে ‘বাংলাদেশ ফ্যাশন উইক’ নিয়ে বছর বছর আগ্রহ বাড়বে, ধীরে ধীরে বাড়বে এর পরিসর। শনিবার রাতে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ ফ্যাশন উইক’ এর দ্বিতীয় সফল আয়োজন সেই প্রত্যাশার পালে বাড়তি অনুপ্রেরণা যোগ করবে নিঃসন্দেহে।

দ্বিতীয় আয়োজনে অংশগ্রহণকারী ডিজাইনারদের সংখ্যাই কেবল বাড়েনি, বেড়েছে এর টিকিটের চাহিদাও। প্রথমবারের ভুল-ভ্রান্তি এড়িয়ে এবারের আয়োজন ছিল আরও বেশি সুশৃঙ্খল।

এই ফ্যাশন উইকে ছিল বাংলাদেশি ঐতিহ্যের সঙ্গে পশ্চিমা ভাবনার মিশেলে তৈরি পোশাক।

শনিবার রাতে লন্ডনের বাণিজ্যিক প্রাণকেন্দ্র ক্যানারি ওয়ার্ফের অভিজাত ইস্ট উন্টার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হয় ‘বাংলাদেশ ফ্যাশন উইক-২০১৭’। ২০১৬ সালে এই মিলনায়তনেই যাত্রা শুরু করেছিল বাংলাদেশি ফ্যাশনের নান্দনিক এই আয়োজন। আয়োজক ‘বাংলাদেশ ফ্যাশন কাউন্সিল ইউকে’। এক দিনে হলেও এ ধরনের আয়োজনকে ‘উইক’ হিসেবেই অভিহিত করা হয়।সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা বাজতেই পুরো মিলনায়তনের আলো কমে গেল। উজ্জ্বল হয়ে উঠল টি-আকৃতির মঞ্চের বাতি। উপস্থাপক মমতাজ বেগম ও আবদুর রহমান সংক্ষেপে তুলে ধরলেন আয়োজনের বিস্তারিত। এরপরই মঞ্চের পেছন থেকে বেজে উঠল সংগীতের সুর। একে একে মঞ্চে হাজির হলেন র‌্যাম্প মডেলরা। তাদের গায়ে শোভা পেল বাঙালি পোশাকের বাহারি সব নকশা আর কারুকাজ। বাংলাদেশি ঐতিহ্যের সঙ্গে পশ্চিমা ভাবনার মিশেল শাড়ি, সালোয়ার-কামিজসহ নানা ঢঙের পোশাকে এনে দিয়েছে ভিন্নতা। আবার অতি পরিচিত বাঙালিয়ানা নকশার পোশাকগুলো কেবল পরিধানের ভিন্নতার কারণে ফুটিয়ে তুলছে পাশ্চাত্য আভিজাত্য। এবারের টাইটেল ডিজাইনার হিসেবে শুরুতেই প্রদর্শিত হয় বাংলাদেশের স্বনামধন্য নকশাকার রিনা লতিফের কারুকাজ। মাঝখানে আধা ঘণ্টার বিরতি দিয়ে শো চলে রাত ১১টা পর্যন্ত।

নানা ঢঙের পোশাক বাংলাদেশ ফ্যাশন উইকে এনে দিয়েছে ভিন্নতা।

গত বছর প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ফ্যাশন উইকে মোট নয়জন ডিজাইনার অংশ নিয়েছিলেন। এবার সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৪। ‍এর মধ্যে আটজন অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশ থেকে। ছিলেন বাংলাদেশ ফ্যাশন ডিজাইন কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ‘মায়াসি’ ব্র্যান্ডের কর্ণধার মাহীন খান, চন্দন-এর চন্দনা দেওয়ান, বিবিয়ানার লিপি খন্দকার, কুহুস ওয়ারেবলস আর্টসের কুহু, রিনা লতিফ, জুরহেমের মেহরুজ মুনির, শাহার রহমান ও জেড অ্যান্ড জেড কালেকশনসের মেহজাবিন মুজতাফিজ সিমিলি।

যুক্তরাজ্য থেকে ইমান বুটিকসের মির্জা মিয়া, আশেকা হোসাইন, ফরিদাস ডিজাইনের ফরিদা রশিদ, রুজি লন্ডনের কর্ণধার শানিতা আক্তার ও প্রীতি ব্র্যান্ডের হোসনেয়ারা চৌধুরীর নকশা করা পোশাক প্রদর্শিত হয়। জুয়েলারি পণ্যের প্রদর্শনী করতে দুবাই থেকে আসেন নীহারিকা মমতাজ। এসব ডিজাইনারদের সবাই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত।