ঝিনাইদহ প্রতিনিধি:
ঝিনাইদহ পৌর এলাকার পবহাটি গ্রামের চাঞ্চল্যকর শিশু সাইমা আক্তার সাবা হত্যা মামলার রায় ঘোষনা করেছেন ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২। আসামি শান্তনা খাতুনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে বলে জানা গেছে । মামলায় মোট ২৭ জন স্বাক্ষীর জবান বন্দি (স্বাক্ষ্য) আদালত গ্রহন করেছিলেন। মামলার আসামি পবহাটির গ্রামের,মাসুদেরদ্বিতীয় স্ত্রী শান্তনা। এ খবরনিশ্চিত করেছেন শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের পিপি এ্যাডভোকেট আকিদুল ইসলাম । ২০২৫ সালের ৩ ডিসেম্বর রাতে ঝিনাইদহ পৌর এলাকার পবহাটি গ্রামের ভ্যান চালক সাইদুল ইসলামের তিন বছর ৬মাস বয়সের শিশু কন্যা সাইমা আক্তার সাবাকে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়। প্রতিবেশী অপর ভ্যান চালকমাসুদের দ্বিতীয় স্ত্রী শান্তনা খাতুন শিশুটিকে মাথায় আঘাত করে হত্যা করে খাটের নিচেই লুকিয়ে
রাখে।রাত অনুমান ৯টার দিকে মরদেহ কাপড়ে মুড়িয়ে অতি গোপনে ঘর থেকে বের হয়। সে সময় রাস্তায়লোক চলাচল দেখে ঘরে ফিরে যায় সে (শান্তনা) । খবর ছড়িয়ে পড়লে ওই দিন ( ৩ ডিসেম্বর) রাত অনুমান১০টার দিকে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী শান্তনার বাড়ি ঘর ঘিরে ফেলে। পরিস্থিতি সামলাতে সেনা বাহিনী ও
পুলিশ সেখানে উপস্থিত হয়। খাটের নীচ থেকে শিশু সাবার মরদেহ উদ্ধার করেন তারা। রাতেই পুলিশঅভিযুক্ত শান্তনাকে আটক করে। আদালতের ১৬৪ ধারা মতে শান্তনা খাতুন স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি প্রদান করে সেই থেকে শান্তনা খাতুন কারাগারে বন্দি অবস্থায় রয়েছে। নির্মম এই হত্যাকান্ডের বিচারের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠে গোটা শহর, জনপদ। সেই চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার রায়েবাদী পক্ষ বলেন আমরা এই রায়ে সন্তোষজনক না।৷ আমরা আশা করেছিলাম আসামিকে ফাঁসির আদেশ
দিবেন আদালত।
মন্তব্যসমূহ (০) কমেন্ট করতে ক্লিক করুন