হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রী ভোগান্তি কমাতে ব্যাগেজ সরবরাহের সময় কমিয়ে আনা এবং পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে বিমানবন্দরে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে মন্ত্রী ব্যাগেজ হ্যান্ডলিং কার্যক্রম সরেজমিনে তদারকি করেন।
পরিদর্শনের সময় দুপুর ১টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জেদ্দা–চট্টগ্রাম–ঢাকা রুটের একটি ফ্লাইট অবতরণ করলে তিনি উড়োজাহাজের কার্গো হোল্ড খোলা থেকে শুরু করে যাত্রীদের কাছে ব্যাগেজ পৌঁছানো পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটি প্রত্যক্ষ করেন।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, বিমানবন্দরে আগত যাত্রীদের দ্রুত ব্যাগেজ বুঝিয়ে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। উড়োজাহাজ অবতরণের পর যাত্রীরা গেট দিয়ে বের হওয়া এবং কার্গো হোল্ড খোলার সময়ের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করতে তিনি নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে কোনো ফ্লাইট অবতরণের আগেই গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং কর্মীদের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার মাধ্যমে সময়মতো উপস্থিতি নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন তিনি।
ব্যাগেজ হ্যান্ডলিং কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং যাত্রীদের তাৎক্ষণিক হালনাগাদ তথ্য জানাতে বিমানবন্দরে লাইভ মনিটরিং স্ক্রিন স্থাপনের নির্দেশনাও দেন মন্ত্রী। ব্যাগেজ বেল্টের পাশাপাশি তিনি বিমানবন্দরের বিভিন্ন ওয়াশরুম ঘুরে দেখেন এবং ওয়াশরুমগুলোর সার্বিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের তাগিদ দেন।
পরিদর্শনকালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাইজার সোহেল আহমেদ, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিকসহ বিমান ও বেবিচকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, দেশের বিমানবন্দরগুলোতে যাত্রীসেবার মান বাড়ানো এবং সার্বিক হয়রানি কমাতে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে সরকার।
এর অংশ হিসেবেই ব্যাগেজ হ্যান্ডলিং কার্যক্রম সরাসরি তদারকি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব নির্দেশনা বাস্তবায়িত হলে যাত্রীদের ব্যাগেজ পাওয়ার অপেক্ষার সময় ও ভোগান্তি অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করছেন তারা।
জিবি নিউজ24ডেস্ক//
মন্তব্যসমূহ (০) কমেন্ট করতে ক্লিক করুন