লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের নির্বাচনী টুকিটাকি-৯ নির্বাচনের আর মাত্র একদিন বাকী

78
রহমত আলী ||
২৭ জানুয়ারী রোববার প্রথমে শুরু হবে দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভা ও বেলা আড়াইটা থেকে শুরু হবে ভোট গ্রহণ। ভোট গ্রহণ শেষে এদিন রাত ১১টার মধ্যেই ফলাফল প্রকাশিত হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। দূর-দূরান্ত থেকে যারা আসবেন তারা হয়তো ফলাফল ঘোষণার সময় উপস্থিত থাকতে পারবেন না কিন্তু এ জন্য চিন্তার কারণ নেই। ঘরে ফিরার আগেই হয়তো জেনে যাবেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সুবাধে বিস্তারিত ফলাফল।
এবারে নির্বাচন কমিশনার হিসাবে যারা রয়েছেন তারা হচ্ছেন, গত বারের নির্বাচন কমিশনার বজলুর রশিদ এমবিই, আজিজ চৌধুরী ও ব্যারিষ্টার আনোয়ার বাবুল মিয়া। নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু ও সুন্দর হয় সে ব্যাপারে যাবতীয় ব্যবস্থা অবলম্বন করবেন তারা। তবে ভোট কারচুপিরও কোন সূযোগ নেই এখানে। তাই মোতায়েন করা হবেনা সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ বা আনসার বাহিনীর সদস্য। অবশ্য অধিক নিরাপত্তার জন্য কয়েকজন সিকিউরিটিম্যান থাকবে। তা ছাড়া কয়েকজন নির্বাচনী এজেন্ট থাকবেন প্রার্থীদের পক্ষ থেকে।
আগেই জানানো হয়েছে যে, নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ইস্ট লন্ডনের মিলনার রোডস্থ ইম্প্রেশন ইভেন্ট হলে। এ হলের লোকধারণ ক্ষমতা প্রায় ৭শত। সাথে রয়েছে কিছু কার পার্কিং এর ব্যবস্থা। যারা আগে আসবেন তারা সে সূযোগ নিতে পারবেন। অন্যান্যদের বিকল্প ব্যবস্থা অবলম্বন করতে হবে।
নির্বাচনের ৭২ বা ৪৮ ঘন্টা পূর্ব থেকে প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণা বন্ধ করার কোন বিধি নিষেধ এখানে নেই। তবে ভোট গ্রহণকালীন সময়ে কিছু বাধ্য বাধকতা থাকলেও এটা কেউ মানতে দেখা যায় না। তাই ভোটারগণ হলের সামনে আসা মাত্রই প্রার্থীগণ হুমড়ি খেয়ে পড়েন ও নানাভাবে তাদের দৃষ্টি আকর্ষণের প্রচেষ্টা চালান। এতে অনেক ভোটার বিব্রতকর অবস্থায় পর্যবসিত হন। এ ব্যাপারে প্রকাশ্যে কেউ কিছু না বল্লেও অনেক ভোটারদের মধ্যে বিরক্তির ভাব ফুটে উঠে ও তারা স্বস্তি লাভের চেষ্টা করেন। তাই এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরো সহনশীল হওয়া প্রয়োজন বলে সচেতন ভোটারগণ মনে করেন।
এদিকে এ নির্বাচনে বিভিন্ন শহর থেকে অনেক ভোটার নিজস্ব গাড়ী অথবা কার হায়ার করে নির্বাচনী উৎসবে যোগদান করার জন্য আসবেন। অনেকে আবার পূর্বের দিন লন্ডনে এসে আত্মীয় স্বজন বা বন্ধুবান্ধবদের ঘরে আত্মীয়তা করবেন বলে জানা গেছে। এতে একসাথে ‘রত দেখা কলা বেচা’ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আরো একটি বিষয় বলতে হয়। নির্বাচনের সময় এখানে তাবু টাঙিয়ে প্রার্থীদের পক্ষ থেকে কোন ধরনের আপ্যায়নের ব্যবস্থা থাকবে না। তবে হতাশ হওয়ার কারণ নেই। লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে যাবতীয় আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা হবে। তাই আপনাদের ইচ্ছে মত তা উপভোগ করতে পারবেন। চা-পান, ড্রিংকস ইত্যাদির সাথে থাকবে দুপুরের লান্স ও রাত্রের ডিনারের ব্যবস্থা। তাই আপনারা এখানে পৌছার পর একবার এবং চলে যাওয়ার সময় আরেকবার খাওয়া-দাওয়ায় অংশ নিতে পারবেন। তার সাথে বিকালে থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে চলবে গান-বাজনা, কবিতা আবৃত্তি, কৌতুক প্রভৃতি। এতে আপনিও অংশ নিতে পারবেন। তাই প্রস্তুত হয়ে আসবেন।
আগামী কাল আপনাদের জন্য থাকবে একটি বিশেষ ম্যাসেজ। আশা করি তা লক্ষ্য রাখবেন। তা হলে আজ এ পর্যন্তই।

 

মন্তব্য
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More