ইসলাম ও আলেম-ওলামার জন্য কল্যাণকর সবকিছু আওয়ামীলীগই করেছে ——-শেখ আফিল উদ্দিন এমপি

178
gb

 ইয়ানূর রহমান : সংসদ সদস্য আলহাজ শেখ আফিল উদ্দিন বলেছেন, দেশে যত গুলো সরকার এসেছে সকলই ইসলাম নিয়ে রাজনীতি ও ব্যবসা করেছে। ইসলামের কল্যাণে শুধুমাত্র আওয়ামী লীগই সব করেছে। এদেশে ইসলাম ও আলেম-ওলামার জন্য কল্যাণকর সবকিছু আওয়ামী লীগই করেছে। রোববার সকালে শার্শা সদরে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর হাত দিয়ে এদেশে ইসলামী ফাউন্ডেশনসহ ইসলাম ধর্মের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যাত্রা শুরু করে। কওমি সনদের স্বীকৃতি ও আরবী বিশ্ববিদ্যালয় করে দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভবিষ্যতে সরকারিভাবে বেতন-ভাতা দেয়ার বিষয়টি আওয়ামী লীগের বিবেচনাধীন। আওয়ামী লীগ আবারো রাষ্ট্র ক্ষমতায় এলে আলেম-ওলামাদের সম্মান ও কল্যাণের বিষয়টি আরো গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হবে। তিনি বলেন, এই বাংলাদেশে ইসলামের প্রকৃত পরিচর্যাকারী ছিলেন বঙ্গবন্ধু। তারই যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইসলামের উন্নয়ন করে মুসলিম জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় কর্মকান্ড যথাযোগ্য মর্যাদায় আসীন করেছেন। শুধু বাংলাদেশে নয় ; সারা বিশ্বের নির্যাতিত মুসলিম উম্মাহর বলিষ্ঠ কণ্ঠের নাম শেখ হাসিনা। তিনি প্রত্যেক উপজেলা ও জেলায় মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন করার প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। যেখানে প্রকৃত ইসলামের ধারণাটা মানুষ পেতে পারে। তিনি বলেন, ইমাম’রা শুধু মসজিদের ইমাম না, তারা সমাজেরও ইমাম। কারণ সমাজের কোন অনাচার ও অত্যাচারের মাঝে ইমাম’রা উপস্থিত হলে সেখানে অনাচার ও অত্যাচার বন্ধ হয়ে যায়। আপনাদের এক দিনের সিন্ধান্তে অনেক কিছু বদলে যেতে পারে। আমি চেষ্টা করি আপনাদের যথাযথ সম্মান দেয়ার। আপনাদের অবস্থান থেকে যার যার প্রাপ্য সম্মান আমার কাছে আমানত হিসেবে থাকবে। আপনাদের ভালবাসা ও দোয়া থাকলে আপনাদের সেবক হয়ে কাজ করবো। শার্শা পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে মতবিনিময় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন, নাভারন জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আব্দুস সামাদ কাসেমি, জেলা আওয়ামীলীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আসিফ-উদ-দৌলা অলোক, মাওলানা আব্দুল ওহাব প্রমুখ। একই স্থানে বিকেল এক নির্বাচনী পথসভায় বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য আলহাজ শেখ আফিল উদ্দিন। এ সময় উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে নৌকা প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, আজ বাংলাদেশ উন্নয়নের একটি রোল মডেল হিসেবে বিশ্বের মানচিত্রে মাথা উচু করে দাঁড়িয়েছে। দেশে উন্নয়নের জোয়ার সৃষ্টি হয়ছে। আওয়ামী লীগ সরকার আছে বলেই, নৌকার সরকার আছে বলেই এই উন্নয়ন। এই উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে হবে। এজন্য আগামীতে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে উন্নয়নকে বেগবান করতে হবে। এই উপজেলা এক সময় ছিল অনুন্নত। আজ ব্যাপক উন্নয়ন কাজ হয়েছে। গ্রামে পৌছে গেছে ডিজিটালের ছোয়া। এই উপজেলার উন্নয়ন ধারাকে অব্যাহত রাখতে আগামীতে উন্নয়নের প্রতীক নৌকায় ভোট দেওয়ার আহবান জানাই। তিনি বলেন, প্রতিটি উপজেলা থেকে ইউনিয়ন পর্য্যায়ে আমরা কমিউনিটি ক্লিনিক করেছি। সেখানে বিনা মুল্যের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। দেওয়া হচ্ছে ২১ প্রকার ওষুধ । তাও বিনামূল্যে। এছাড়াও শহর থেকে গ্রাম পর্যায়ে স্কুলের ছেলে-মেয়েদের বিনা মুল্যে বই বিতরণ করা হচ্ছে। তিনি তার বক্তব্যে আরো বলেন, ডিজিটাল সেবা আজ গ্রামেও পৌছে গেছে। ১ কোটি ৪০ লাখ উপবৃত্তির টাকা এখন মোবাইলেই পৌছে যাচ্ছে। এসময় সংসদ সদস্য বলেন, আগামীতে জনগণ আর স্বাধীনতা বিরোধী, খুনি ও লুটেরাদের আর ক্ষমতায় দেখতে চায়না বলেও মন্তব্য করেন। এছাড়াও ক্ষমতায় আসলে আগামীতে শার্শাকে একটি অর্থনৈতিক উন্নয়ন অঞ্চল গড়ে তোলা হবে বলে জানান। নির্বাচনী এ পথ সভায় আরো বক্কব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল হক মঞ্জু, জেলা আওয়ামীলীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আসিফ-উদ-দৌলা অলোক, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আলহাজ নুরুজ্জামান, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সালেহ আহমেদ মিন্টু, অধ্যক্ষ ইব্রাহিম খলিল, কোষাধক্ষ আলহাজ ওয়াহিদুজ্জামান ওহিদ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মেহেদি হাসান, যুবলীগের সাধারন সম্পাদক চেয়ারম্যান সোহারাব হোসেন, যুবলীগ নেতা সাংবাদিক ফেরদৌস চৌধুরী রাজু, এম ওসমান, সেলিম রেজা প্রমুখ। #