গোবিন্দগঞ্জে বাবা ও মেয়েকে হত্যার পর এবার মামলার বাদীকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা

231
gb

 ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা //

গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জে বাবা ও মেয়েকে হত্যার পর মামলার বাদী আসাদুল ইসলামকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টার ঘটনায় ঘটনার ৫ দিন পর মামলা দায়ের হলেও আসামীরা প্রভাবশালী হওয়ায় এখনও ধরা পড়েনি জড়িতরা,ফলে বার বার বড় ধরনের অপরাধ করেও ধরা ছোঁয়ার বাইরে থাকছে বলে জানান এলাকাবাসী। থানার এজাহার ও এলাকাবাসী সূত্রে সূত্রে জানা যায়, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপু ইউপির ফুলবাড়ি গ্রামের আবুল হোসেনকে গত ১০ বছর আগে পূর্ব বিরোধের জের ধরে প্রকাশ্যে হত্যা করে একই গ্রামের কলিম উদ্দিনের ছেলে এলাকার প্রভাবশালী দাদন ব্যবসায়ী জাদু,সাজু,রহিম গংরা। এ হত্যা কান্ডের ঘটনায় মামলার বাদী হন, আবুল হোসেনের ছেলে আসাদুল ইসলাম (৪২)।এই মামলার ৫বছর পর বিভিন্ন ভাবে এলাকার কিছু প্রভাবশালীকে ম্যানেজ ও চাপ সৃষ্টি করে আপসনামা নিয়ে মামলা থেকে অব্যাহতির এক বছর না যেতেই আবার ওই দুবৃর্ত্তরা আসুদুলের মেয়ে স্কুল ছাত্রী মৌসুমি ১০ কে মারপিট করে জখমের কিছু দিন চিকিৎসাধীন মারা গেলে এ ঘটনায় থানায় মামলা দিলেও তার দু বছর পার না হতেই একি কায়দায় আপোসনামা নিয়ে অব্যহতি পায়।এ দুটি ঘটনায় নিরুপায় গরীব অসহায় পরিবারের ঝরে যায় দুটি প্রান।এদুটি প্রান নেয়ার পরেও দৃষ্টান্ত মূলক বিচার না হওয়ায় কোন মতেই দাপট কমনে এই দাদন ব্যবসায়ী ঘটনায় জড়িতদের।এ ঘটনার ৫ বছর পর আবার পূর্ব বিরোধের জের একই অপরাধীরা দুটি হত্যার ঘটনার মামলার বাদী আসাদুলকে ইসলাম কে গত শুক্রবার সকাল নয়টার দিকে হঠাৎ করে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তার বাড়ীর গেটের সামনে প্রকাশ্যে এলোপাতারী ভাবে মাথা, হাত পা সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে।এতে আসাদুলের শরীরের মাথা ফেটে ও শরীরের অতিরিক্ত রক্তপাতে অজ্ঞান হয়ে মাটিয়ে লুটিয়ে পড়লে আশংকা জনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করে।এঘটনায় থানায় এজাহার দেয়ার ৫ দিন পর মামলা দায়ের হলে আজও গ্রেফতার হয়নি অপরাধীরা।এলাকাবাসী আরও জানায়, শুক্রবার সকালে আনুমানিক ৯:০০ ঘটিকার সময় আসাদুল তার নিজ বাড়ীর গেটে দাড়িয়ে গৃহীনির সাথে কথা বলছিল, এসময় কোন কিছু বোঝার আগেই ঐ এলাকার পার্শবর্তী বাড়ীর মো: মিলু মিয়া (৪০), মো: রহিম মিয়া (৩৫), মো: সাজু মিয়া(৫৫), মো: জাদু মিয়া(৪৫), সবার পিতা মৃত কলিম উদ্দিন, মো: মশিরুল ইসলাম(২২), মো:সুজন মিয়া(২০), সহ অজ্ঞাত আরো ২/৩ জন ব্যক্তি তার উপর দেশীয় অস্ত্র ছোড়া, রড, লাঠি দিযে উপর্যুপরি মথায় চোট আর হাতে রডে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টার করে। এঘটনায় আসাদুল এখনও চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।একের পর এক ঘটনায় গরীর অসহায় পরিবারটি তাদের আক্রসের শ্বিকার হয়ে ক্ষতিগ্রস্থ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছে। এলাকাবাসী এই ঘটনার জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার দাবী জানান। গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি এ কে এম মেহেদী হাসান সাংবাদিকদের জানান, আসাদুল কে হত্যার চেষ্টার ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে।আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।