মৌলভীবাজারসহ মহাজোটের চুড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন যারা

167

জিবি নিউজ24 ডেস্ক //

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনশ’ আসনে দল ও মহাজোটের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করেছে আওয়ামী লীগ। নিজেদের জন্য ২৪০ আসন রেখে বাকি ৬০ আসন শরিকদের মধ্যে ভাগ করে দিয়েছে। এবার প্রার্থী তালিকায় পুরনোদের পাশাপাশি নতুনদের প্রাধান্য রয়েছে। নবীন-প্রবীণের সম্মিলন ঘটনো হয়েছে প্রার্থিতায়। তরুণদের ছাড় দিতে গিয়ে তালিকার বাইরে রাখতে হয়েছে অনেক প্রভাবশালী, এমপি-মন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় নেতাকে। শুক্রবার আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের মহাজোটের চূড়ান্ত আসন ভাগাভাগির এ ঘোষণা দেন।

জানা গেছে, ১৪ দলীয় জোটের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টিকে পাঁচটি আসন দেয়া হয়েছে। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ (ইনু)-কে দেয়া হয়েছে তিনটি ও জাসদ (আম্বিয়া)-কে একটি আসন দিয়েছে আওয়ামী লীগ। ওয়ার্কার্স পার্টি ও জাসদের একটি করে আসন কমেছে। এ ছাড়া জাতীয় পার্টির (জেপি মঞ্জু) দুটি, তরিকত ফেডারেশন দুটি এবং মহাজোটের শরিক যুক্তফ্রন্টকে দেয়া হয়েছে তিনটি আসন। মহাজোটের অন্যতম শরিক জাতীয় পার্টিকে ৪২টি আসন ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এই দলটির আরও দুটি আসন বাড়তে পারে। আজ শনিবার নির্বাচন কমিশনে মহাজোটের চূড়ান্ত তালিকা জমা দেয়া হবে।

এদিকে প্রথমদিকে আওয়ামী লীগ ১৭টি আসনে ২ জন করে প্রার্থী দিয়েছিল। কিন্তু শুক্রবার ওই আসনগুলোতে একজন করে প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে দলটি। এর মধ্যে বাদ পড়ার তালিকায় দুর্যোগ ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া রয়েছেন। ১৪ দলের শরিক ও যুক্তফ্রন্টসহ নিজ দলের প্রার্থীদের নামে দলীয় প্রতীক বরাদ্দের জন্য নির্বাচন কমিশন বরাবর চিঠি দিয়েছে আওয়ামী লীগ।

এর বাইরে কুড়িগ্রাম-১ ও ৩ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থীর পাশাপাশি নৌকার প্রার্থী আছে। কুড়িগ্রাম-৪ আসনে নতুন করে (শুক্রবার) জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থীকে নৌকার চিঠি দিয়েছে আওয়ামী লীগ। এ রকম আরও বেশকিছু আসনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে মহাজোটের শরিকদের আসন ভাগাভাগি নিয়ে জটিলতার নিরসন হয়নি। তবে আজ এই ঝামেলা নিরসন হতে পারে বলে বিভিন্ন সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

জাতীয় পার্টির আসনগুলো বাদে শুক্রবার পর্যন্ত ২৫৩ আসনে মহাজোটের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা পাওয়া গেছে। আওয়ামী লীগের তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, এবারের নির্বাচনে নতুন মুখ যোগ হয়েছে প্রায় অর্ধশত। পাশাপাশি বাদ পড়েছেন বর্তমান ও সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও এমপিসহ হেভিওয়েট বেশ কয়েক নেতা। এর মধ্যে যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবীর নানক ও আবদুর রহমান এবং কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিম, বিএম মোজাম্মেল হক প্রমুখ। যারা বাদ পড়েছেন তাদের বিরুদ্ধে দলীয় কোন্দল, দুর্নীতিসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া বয়স ও শারীরিক অসুস্থতার কারণে কয়েকজন বাদ পড়েছেন বলে জানা গেছে।

এর আগে ২৫ নভেম্বর ২৩১টি আসনে ২৪৮ জনকে নৌকার চিঠি দিয়েছিল ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। এরপর আরও কয়েকজনকে নৌকার চিঠি দেয় দলটি। এরপর দফায় দফায় বৈঠক করে আসন বণ্টন ও প্রার্থীর তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। তালিকা প্রকাশের ঘোষণাও দেয়া হয় একাধিকবার। সর্বশেষ শুক্রবার আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের মহাজোটের চূড়ান্ত আসন ভাগাভাগির ঘোষণা দেন।

মহাজোটের মনোনয়ন পেলেন যারা : পঞ্চগড়-১ মাজহারুল ইসলাম প্রধান, অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম সুজন (পঞ্চগড়-২), রমেশচন্দ্র সেন (ঠাকুরগাঁও-১), দবিরুল ইসলাম (ঠাকুরগাঁও-২), ইয়াসিন আলী-ওয়ার্কার্স পার্টি (ঠাকুরগাঁও-৩) মনোরঞ্জন শীল গোপাল (দিনাজপুর-১), আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী (দিনাজপুর-২)।

জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম (দিনাজপুর-৩), পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী (দিনাজপুর-৪), অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার (দিনাজপুর-৫), শিবলী সাদিক (দিনাজপুর-৬), মো. আফতাব উদ্দিন সরকার (নীলফামারী-১), সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর (নীলফামারী-২), মোতাহার হোসেন (লালমনিরহাট-১), সমজাকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ (লালমনিরহাট-২)।

টিপু মুনশি (রংপুর-৪), আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ এইচএন আশিকুর রহমান (রংপুর-৫)। জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী (রংপুর-৬), হুইপ মাহাবুব আরা বেগম গিনি (গাইবান্ধা-২), ডা. ইউনুস আলী সরকার (গাইবান্ধা-৩), রুহুল আমিন-জেপি (কুড়িগ্রাম-৪), সামসুল আলম দুদু (জয়পুরহাট-১), আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন (জয়পুরহাট-২), আবদুল মান্নান (বগুড়া-১), রেজাউল করিম তানসেন-জাসদ (বগুড়া-৪), হাবিবুর রহমান (বগুড়া-৫)।

সাধনচন্দ্র মজুমদার (নওগাঁ-১), শহীদুজ্জামান সরকার (নওগাঁ-২), ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক (নওগাঁ-৪) নিজাম উদ্দিন জলিল (নওগাঁ-৫), ইসরাফিল আলম (নওগাঁ-৬), ওমর ফারুক চৌধুরী (রাজশাহী-১), ফজলে হোসেন বাদশা-ওয়ার্কার্স পার্টি (রাজশাহী-২), প্রকৌশলী এনামুল হক (রাজশাহী-৪), শাহরিয়ার আলম (রাজশাহী-৬), সহিদুল ইসলাম বকুল (নাটোর-১), অ্যাডভোকেট জুনাইদ আহমেদ পলক (নাটোর-৩), মো. আবদুল কুদ্দুস (নাটোর-৪)।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম (সিরাজগঞ্জ-১), ডা. হাবিবে মিল্লাত (সিরাজগঞ্জ-২), ডা. আবদুল আজিজ (সিরাজগঞ্জ-৩), তানভির ইমাম (সিরাজগঞ্জ-৪), আবদুল মমিন মণ্ডল (সিরাজগঞ্জ-৫), হাসিবুর রহমান স্বপন (সিরাজগঞ্জ-৬), সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু (পাবনা-১), আহমেদ ফিরোজ কবির (পাবনা-২), মকবুল হোসেন (পাবনা-৩), শামসুর রহমান শরীফ ডিলু (পাবনা-৪), গোলাম ফারুক প্রিন্স (পাবনা-৫), ফরহাদ হোসেন দোদুল (মেহেরপুর-১), আ ক ম সারোয়ার জাহান (কুষ্টিয়া-১), তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু-জাসদ (কুষ্টিয়া-২), আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ (কুষ্টিয়া-৩), সেলিম আফতাব জর্জ (কুষ্টিয়া-৪)।

সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন (চুয়াডাঙ্গা-১)। আলী আজগার টগর (চুয়াডাঙ্গা-২), আবদুল হাই (ঝিনাইদহ-১), তাহজীব আলম সিদ্দিকী (ঝিনাইদহ-২), মো. শফিকুল আজম খান (ঝিনাইদহ-৩), আনোয়ারুল আজিম আনার (ঝিনাইদহ-৪), শেখ আফিল উদ্দিন (যশোর-১), মে. জেনারেল (অব.) নাসির উদ্দিন (যশোর-২), কাজী নাবিল আহমেদ (যশোর-৩), রণজিৎ কুমার রায় (যশোর-৪), স্বপন ভট্টাচার্য (যশোর-৫), জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক (যশোর-৬), সাইফুজ্জামান শিখর (মাগুরা-১), যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার (মাগুরা-২)।

বিএম কবিরুল হক মুক্তি (নড়াইল-১), ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মুর্তজা (নড়াইল-২), শেখ হেলাল উদ্দিন (বাগেরহাট-১), শেখ তন্নয় (বাগেরহাট-২), খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আবদুল খালেকের সহধর্মিণী হাবিবুন্নাহার (বাগেরহাট-৩), মোজাম্মেল হোসেন (বাগেরহাট-৪), পঞ্চানন বিশ্বাস (খুলনা-১), শেখ সালাউদ্দিন জুয়েল (খুলনা-২), মুন্নুজান সুফিয়ান (খুলনা-৩), সাবেক খেলোয়াড় ও ব্যবসায়ী আবদুস সালাম মুর্শেদী (খুলনা-৪), নারায়ণ চন্দ্র চন্দ (খুলনা-৫), আকতারুজ্জামান বাবু (খুলনা-৬)।

মোস্তফা লুৎফুল্লাহ-ওয়ার্কার্স পার্টি (সাতক্ষীরা-১), মীর মোস্তাক আহমেদ রবি (সাতক্ষীরা-২), সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক (সাতক্ষীরা-৩), এসএম জগলুল হায়দার (সাতক্ষীরা-৪), অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ শম্ভু (বরগুনা-১), শওকত হাচানুর রহমান রিমন (বরগুনা-২), মো. শাহজাহান মিয়া (পটুয়াখালী-১), আ স ম ফিরোজ (পটুয়াখালী-২), এসএম শাহজাদা (পটুয়াখালী-৩), মহিব্বুর রহমান মহিব (পটুয়াখালী-৪)।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ (ভোলা-১), আলী আজম (ভোলা-২), নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন (ভোলা-৩), বন ও পরিবেশ উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব (ভোলা-৪), আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ (বরিশাল-১), শাহে আলম (বরিশাল-২), ওয়ার্কার্স পার্টির টিপু সুলতান (বরিশাল-৩), স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথ (বরিশাল-৪), কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম (বরিশাল-৫)।

বজলুল হক হারুন (ঝালকাঠি-১), আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ও শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু (ঝালকাঠি-২), আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক শ ম রেজাউল করিম (পিরোজপুর-১), জাতীয় পার্টি-জেপির আনোয়ার হোসেন মঞ্জু (পিরোজপুর-২), আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আবদুর রাজ্জাক (টাঙ্গাইল-১), তানভীর হাসান ওরফে ছোট মনির (টাঙ্গাইল-২), আতাউর রহমান খান (টাঙ্গাইল-৩), হাসান ইমাম খান (টাঙ্গাইল-৪), ছানোয়ার হোসেন (টাঙ্গাইল-৫), আহসানুল ইসলাম (টাঙ্গাইল-৬), একাব্বর হোসেন (টাঙ্গাইল-৭)।

আবুল কালাম আজাদ (জামালপুর-১), মো. ফরিদুল হক খান (জামালপুর-২), বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী মির্জা আজম (জামালপুর-৩), ডা. মোহাম্মদ মুরাদ হাসান (জামালপুর-৪), ইঞ্জিনিয়ার মোজাফফর হোসেন (জামালপুর-৫)। আতিউর রহমান আতিক (শেরপুর-১), আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী (শেরপুর-২), একেএম ফজলুল হক চান (শেরপুর-৩)। জুয়েল আরেং (ময়মনসিংহ-১), শরীফ আহমেদ (ময়মনসিংহ-২), অ্যাডভোকেট মোসলেম উদ্দিন (ময়মনসিংহ-৬), মাওলানা রুহুল আমিন মাদানী (ময়মনসিংহ-৭), আনোয়ারুল আবেদীন খান তুহিন (ময়মনসিংহ-৯), ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল (ময়মনসিংহ-১০)।

মানু মজুমদার (নেত্রকোনা-১), আশরাফ আলী খান খসরু (নেত্রকোনা-২), আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল (নেত্রকোনা-৩), রেবেকা মোমিন (নেত্রকোনা-৪), ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল (নেত্রকোনা-৫)। সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম (কিশোরগঞ্জ-১), নূর মোহাম্মদ (কিশোরগঞ্জ-২), রেজওয়ান আহমেদ তৌফিক (কিশোরগঞ্জ-৪), আফজাল হোসেন (কিশোরগঞ্জ-৫), নাজমুল হাসান পাপন (কিশোরগঞ্জ-৬)।

এএম নাঈমুর রহমান দুর্জয় (মানিকগঞ্জ-১), মমতাজ বেগম (মানিকগঞ্জ-২), জাহিদ মালেক স্বপন (মানিকগঞ্জ-৩), যুক্তফ্রন্টের মাহি বি চৌধুরী (মুন্সিগঞ্জ-১), সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি (মুন্সীগঞ্জ-২), অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস (মুন্সীগঞ্জ-৩), সালমান এফ রহমান (ঢাকা-১), খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম (ঢাকা-২), বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু (ঢাকা-৩), হাবিবুর রহমান মোল্লা (ঢাকা-৫), হাজী সেলিম (ঢাকা-৭), ওয়ার্কার্স পার্টির রাশেদ খান মেনন (ঢাকা-৮), সাবের হোসেন চৌধুরী (ঢাকা-৯), ফজলে নূর তাপস (ঢাকা-১০)।

ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম রহমতুল্লাহ (ঢাকা-১১), স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল (ঢাকা-১২), ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান (ঢাকা-১৩), আসলামুল হক আসলাম (ঢাকা-১৪), কামাল আহমেদ মজুমদার (ঢাকা-১৫), ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা (ঢাকা-১৬), চিত্রনায়ক ফারুক (ঢাকা-১৭), সাহারা খাতুন (ঢাকা-১৮), ডা. এনামুর রহমান (ঢাকা-১৯), বেনজীর আহমেদ (ঢাকা-২০)।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক (গাজীপুর-১), জাহিদ আহসান রাসেল (গাজীপুর-২), ইকবাল হাসান সবুজ (গাজীপুর-৩), সিমিন হোসেন রিমি (গাজীপুর-৪), মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি (গাজীপুর-৫), লে. কর্নেল (অব.) নজরুল ইসলাম হিরু বীরপ্রতীক (নরসিংদী-১), কামরুল আশরাফ খান (নরসিংদী-২) জহিরুল হক ভূঁইয়া (নরসিংদী-৩), অ্যাডভোকেট নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন (নরসিংদী-৪), রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু (নরসিংদী-৫)।

গোলাম দস্তগীর গাজী (নারায়ণগঞ্জ-১), নজরুল ইসলাম বাবু (নারায়ণগঞ্জ-২), একেএম শামীম ওসমান (নারায়ণগঞ্জ-৪)। কাজী কেরামত আলী (রাজবাড়ী-১), মো. জিল্লুল হাকিম (রাজবাড়ী-২), সাবেক সচিব মঞ্জুর হোসেন (ফরিদপুর-১), আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী (ফরিদপুর-২), আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন (ফরিদপুর-৩), কাজী জাফরউল্লাহ (ফরিদপুর-৪)।

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান (গোপালগঞ্জ-১) ও শেখ ফজলুল করিম সেলিম (গোপালগঞ্জ-২)। আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (গোপালগঞ্জ-৩)। নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন (মাদারীপুর-১), নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান (মাদারীপুর-২)।

আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ (মাদারীপুর-৩), আওয়ামী লীগের কার্যকরী সংসদের সদস্য ইকবাল হোসেন অপু (শরীয়তপুর-১), আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম (শরীয়তপুর-২), নাহিম রাজ্জাক (শরীয়তপুর-৩), ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন (সুনামগঞ্জ-১), জয়া সেনগুপ্তা (সুনামগঞ্জ-২), এমএ মান্নান (সুনামগঞ্জ-৩), মুহিবুর রহমান মানিক (সুনামগঞ্জ-৫), একে আবদুল মোমেন (সিলেট-১), মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী (সিলেট-৩), ইমরান আহমেদ (সিলেট-৪), আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ (সিলেট-৬)।

মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন (মৌলভীবাজার-১), যুক্তফ্রন্টের এফএম শাহীন (মৌলভীবাজার-২), নেছার আহমেদ (মৌলভীবাজার-৩), মো. আবদুস শহীদ (মৌলভীবাজার-৪), মো. আবদুল মজিদ খান (হবিগঞ্জ-২), মো. আবু জাহির (হবিগঞ্জ-৩), মো. মাহবুব আলী (হবিগঞ্জ-৪), বদরুদ্দোজা ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১), র আ ম ওবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩), অ্যাডভোকেট আনিসুল হক (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪), মো. এবাদুল করিম বুলবুল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫), সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অব.) এবি তাজুল ইসলাম (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬)।

মোহাম্মদ সুবিদ আলী ভূঁইয়া (কুমিল্লা-১), সেলিমা আহমাদ মেরি (কুমিল্লা-২), ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন (কুমিল্লা-৩), রাজী মোহাম্মদ ফখরুল (কুমিল্লা-৪), অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু (কুমিল্লা-৫), আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার (কুমিল্লা-৬), অধ্যাপক আলী আশরাফ (কুমিল্লা-৭), নুরুল ইসলাম মিলন (কুমিল্লা-৮), মো. তাজুল ইসলাম (কুমিল্লা-৯), পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল (কুমিল্লা-১০), রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক (কুমিল্লা-১১)।

মহীউদ্দীন খান আলমগীর (চাঁদপুর-১), নুরুল আমিন রুহুল (চাঁদপুর-২), আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি (চাঁদপুর-৩), মুহম্মদ শফিকুর রহমান (চাঁদপুর-৪), জাসদের শিরিন আখতার (ফেনী-১), নিজামউদ্দিন হাজারী (ফেনী-২), এইচএম ইব্রাহিম (নোয়াখালী-১), মোর্শেদ আলম (নোয়াখালী-২), মো. মানুর রশিদ কিরণ (নোয়াখালী-৩), একরামুল করিম চৌধুরী (নোয়াখালী-৪), আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের (নোয়াখালী-৫)।

তরিকত ফেডারেশনের আনোয়ার খান (লক্ষ্মীপুর-১), বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী একেএম শাহাজাহান কামাল (লক্ষ্মীপুর-৩), যুক্তফ্রন্টের এমএ মান্নান (লক্ষ্মীপুর-৪), আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিয়ার মোশাররফ হোসেন (চট্টগ্রাম-১), তরিকত ফেডারেশনের সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী (চট্টগ্রাম-২), দিদারুল আলম (চট্টগ্রাম-৪), এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী (চট্টগ্রাম-৬), আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ (চট্টগ্রাম-৭), জাসদের মঈনুদ্দিন খান বাদল (চট্টগ্রাম-৮), আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল (চট্টগ্রাম-৯), মো. আফসারুল আমিন (চট্টগ্রাম-১০), সামশুল হক চৌধুরী (চট্টগ্রাম-১২), সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ (চট্টগ্রাম-১৩), নজরুল ইসলাম চৌধুরী (চট্টগ্রাম-১৪), আবু রেজা নদভী (চট্টগ্রাম-১৫), মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী (চট্টগ্রাম-১৬), জাফর আলম (কক্সবাজার-১), আশেকুল্লাহ রফিক (কক্সবাজার-২), সাইমুম সারোয়ার কমল (কক্সবাজার-৩), শাহিনা আক্তার চৌধুরী (কক্সবাজার-৪), কুজেন্দ্রলাল ত্রিপুরা (খাগড়াছড়ি), বীর বাহাদুর উ শৈ সিং (বান্দরবান), রাঙ্গামাটি দীপংকর তালুকদার।

মন্তব্য
Loading...