Bangla Newspaper

বিজয়ের মাস আসলেই সংস্কার হয় শহীদ মিনার ও গণ কবর

46

 ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা //

নতুন প্রজন্মকে স্বাধীনতার স্মৃতি জানিয়ে দেওয়া এবং স্মরণ করে রাখার মতো একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে শহীদ মিনার, গণ কবর ও স্মৃতিসৌধ। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় স্বাধীনতাকে ছিনিয়ে আনতে গিয়ে যারা শহীদ হয়েছেন এবং বাংলাদেশ যাদের জন্য বিশ্বের মানচিত্রে অম্লান হয়ে আছে তাদেরকেই দিন-দিন ভুলে যাইছে অনেকেই। শুধু মাত্র বিজয়ের মাস আসলেই মনে পড়ে শহীদ মিনার, গণ কবর ও স্মৃতিসৌধ। আর তখনেই সংস্কার, মেরামত ও পরিচর্যা করা হয় ওই সব গৌরবান্বিত স্মৃতিকে। শুধু মাত্র জাতীয় দিবস ২১ ফেব্ধসঢ়;রুয়ারি, ২৬ মার্চ ও ১৬ ডিসেম্বর আসলে আমাদেরকে নাড়া দেয় স্মৃতি। বাকি দিনগুলো অকপটেই ভূলে যাই আমরা। গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলারর কিশোরগাড়ী গণ কবর ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের চলছে সংস্কার ও মেরামতের কাজ। বিজয়ে দিবস বাকি আছে আর মাত্র ১২ দিন। অথচ এখনো কাজ অনেক বাকি। কথা হয় উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমানের সাথে। তিনি বলেন, জাতি আমাদেরকে স্মরণ রাখলেও যারা শহীদ হয়েছেন তাদের পরিবার পরিজন এবং তাদের স্মৃতিসৌধের প্রতি অনেকটা অবহেলা রয়েছে। বিশেষ করে পলাশবাড়ী সদরের গৃধারীপুর চেয়ারম্যান পাড়ার গণ কবরের শায়িত রয়েছে শ্রেষ্ঠ সন্তানের মরা দেহ। দুঃখের বিষয় সেই গণ কবরটি এখন সুরক্ষিত করা হয়নি। তিনি আরও বলেন, নতুন প্রজন্মকে স্বাধীনতার ইতিহাস, ঐতিহ্য, শহীদদের স্মৃতিকে স্মরণ করে দেয়ার একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে শহীদ মিনার, গণ কবর ও স্মৃতিসৌধ। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার বেশিভাগ সরকারি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এখনো নেই শহীদ মিনার। জাতীয় দিবস আসলে ভ্রাম্যমান উপায়ে নির্মাণ করা হয় শহীদ মিনার। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেজবাউল জানান, গণ কবর মেরামতের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। বিজয় দিবসের আগেই কাজ সম্পন্ন করা হবে।

Comments
Loading...