সিলেট-১ আসনে আ.লীগের হয়ে প্রতিদ্বন্দিতা, আলোচনায় কামরান

146
gb

সিলেট:সিলেটে সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে এখন বেশ আলোচনায় রয়েছেন সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও দলের কেন্দ্রীয় সদস্য বদরউদ্দিন আহমদ কামরান।

তিনি মর্যাদাপূর্ণ সিলেট-১ আসনে আওয়ামী লীগের হয়ে প্রতিদ্বন্দিতা করতে রোববার মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে জমাও দিয়েছেন। নগরবাসী অনেকের প্রশ্ন, কামরান কি সিলেট-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হচ্ছেন?

এর আগে ৩০ জুলাই অনুষ্ঠিত সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) নির্বাচনে ৬ হাজার ভোটের ব্যবধানে বিএনপি প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরীর কাছে পরাজিত হন তিনি। একই তারিখে অনুষ্ঠিত চার সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তিনটিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিজয়ী হলেও কেবল পরাজিত হন কামরান। এ কারণে তিনি সেসময় সারা দেশে আলোচনায় এসেছিলেন।

মর্যাদাপূর্ণ সিলেট-১ আসনে কামরান ছাড়াও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টাম-লীর সদস্য ও অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, অর্থমন্ত্রীর অনুজ ড. একে আবদুল মোমেন, সাবেক নির্বাচন কমিশনার মো. ছহুল হোসাইন ও দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন ক্রয়ের বিষয়ে তিনি জানান, দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সমর্থনে তিনি মনোনয়নপত্র কিনেছেন। নেত্রী যদি আমাকে মনোনয়ন দেন তবে আমি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব। তবে মনোনয়ন না পেলে যিনি দল থেকে মনোনয়ন পাবেন তার পক্ষে কাজ করে যাবেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এর আগে ২৯ জুলাই সিসিক নির্বাচনের আগে তিনি জানিয়েছিলেন, ৩০ জুলাইয়ের পর জীবনে আর কোনো নির্বাচনে অংশ নেবেন না।
বদরউদ্দিন আহমদ কামরান ১৯৭৩ সালে সিলেট পৌরসভার প্রথম কমিশনার নির্বাচিত হন। এরপর দুই মেয়াদে তিনি পৌর কমিশনার হন। ১৯৯৫ সালে তিনি পৌর চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। সিলেট সিটি করপোরেশনে উন্নীত হওয়ার পর ২০০২ সালের ২৮ জুলাই তিনি ভারপ্রাপ্ত মেয়র হন। ২০০৩ সালের ২০ মার্চ তিনি সিলেট সিটি করপোরেশনে প্রথম মেয়র নির্বাচিত হন। কিচেন মার্কেট দুর্নীতি মামলায় ২০০৭ সালের ৬ এপ্রিল পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। ২০০৮ সালের ৪ আগস্ট অনুষ্ঠিত সিলেট সিটি করপোরেশনের দ্বিতীয় নির্বাচনে তিনি কারাগারে থেকে নির্বাচন করে ১ লাখ ১৫ হাজার ৪৩৬ ভোট পেয়ে রেকর্ড গড়েন। এরপর একই বছরের ৪ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের জামিনে মুক্তি লাভ করেন। ২০১৩ সালের ১৫ জুন অনুষ্ঠিত সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তিনি বিএনপির মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরীর কাছে তিনি ৩৫ হাজার ৬০ ভোটের ব্যবধানে তিনি পরাজিত হন। আওয়ামী লীগের সমর্থন নিয়ে এবার চতুর্থবারের মতো সিসিকের মেয়র পদে নির্বাচন করে তিনি পরাজিত হন।