সাজিদ খানের বিরুদ্ধে ফের অভিযোগ আনলেন ইরানি বংশোদ্ভুত বলিউড অভিনেত্রী মন্দনা করিমি

203
gb

জিবি নিউজ24 ডেস্ক //

সাজিদ খানের বিরুদ্ধে ফের অভিযোগ আনলেন আরও এক বলিউড অভিনেত্রী। প্রাক্তন বিগ বস প্রতিযোগী ইরানি বংশোদ্ভুত বলিউড অভিনেত্রী মন্দনা করিমি জানিয়েছেন সাজিদ তাঁকে পোশাক খুলতে বলেছিলেন। ফিল্ম সংক্রান্ত সাধারণ এক মিটিংয়ে মন্দনার সঙ্গে এমন আচরণ করেছিলেন পরিচালক সাজিদ খান।

২০১৪ সালে ‘হামশকলস’ ছবির জন্য কাস্টিং করছিলেন সাজিদ। সেই সময় ছবির এক চরিত্রের জন্য সাজিদের সঙ্গে কথা বলতে যান মন্দনা। অভিনেত্রীর দাবি, চরিত্র নিয়ে তেমন কথাই বলেননি সাজিদ। বরং মন্দনার পোর্টফোলিও দেখে তাঁর সামনে স্ট্রিপ করতে বলেছিলেন পরিচালক।

মন্দনা জানিয়েছেন, ‘প্রযোজক বিষু ভগনানির সঙ্গে মিটিংয়ের পর আমি সাজিদের রুমে যাই। সেখানে তিনি আমায় বলেছিলেন যে আমার ছবি গুলো বেশ ভালই কিন্তু তাঁর মনে হয়েছিল আমার আরও রিভিল করা উচিত। উনি সরাসরি আমাকে পোশাক খুলতে বলেন। আর এও বলেন যে উনি যা দেখতে চাইছেন তা যদি আমি দেখাই তাহলে ছবির চরিত্রটি আমি পেয়ে যাব। ভীষণভাবে অপ্রস্তুত হয়ে গেলেও আমি ব্যাপারটা হেসে উড়িয়ে দিই।’

এছাড়াও মন্দনা, ‘ক্যায়া কুল হ্যায় হাম’ এর পরিচালক উমেশ ঘারগের বিরুদ্ধে হেনস্তার অভিযোগ জানিয়েছেন। নায়িকার দাবি, পরিচালক তাঁর সঙ্গে ডেটে যেতে বললে বারণ করে দেন অভিনেত্রী। সেই রোষের জেরেই মন্দনাকে বারবার শ্যুটিং ফ্লোরে হেনস্তা করেছেন।

প্রসঙ্গত, অসংখ্য নারীকে হেনস্থায় অভিযুক্ত পরিচালক সাজিদ খান। সাজিদের প্রাক্তন অ্যাসিট্যান্ট ডিরেক্টর সালোনী চোপড়ার পর তাঁর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার গুরুতর অভিযোগ এনেছেন দুই নারী। এদের মধ্যে একজন অভিনেত্রী এবং অন্যজন সাংবাদিক। দুজনেই ট্যুইটারে নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে।

যার জেরে সাজিদের পরিচালনার আগামী ছবি ‘হাউজফুল ৪’ এর শ্যুটিং বন্ধ করে দেন অক্ষয় কুমার। অন্যদিকে এষা গুপ্তাও ছবিটি থেকে পিছিয়ে আসেন। নানা পাটেকারও নিজের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগে ছবিটি থেকে সরে দাঁড়ান। সাজিদ খান নিজেও ছবিটির পরিচালনার দায়িত্ব থেকে সরে যান।

সাজিদের দিদি, ফারাহ ট্যুইট করে লিখেছেন, ‘আমার এবং আমার পরিবারের কাছে বিষয়টা অত্যন্ত দুঃখজনক। এখন যে সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি তা আমাদের জন্য খুবই কঠিন। যদি আমার ভাই এই ব্যবহার করে থাকে তাহলে ওকে সাজা পেতে হবেই। এই ধরণের অভব্য আচরণ কোনো মতেই সহ্য করব না। তা সে যেকোনও নারীই হোক না কেন। আমি তাঁদের পাশে রয়েছি। নারীদের ওপর এই অত্যাচার কিছুতেই সহ্য করে নেওয়া যাবে না।’