মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক আব্দুল কুদ্দুসের ইন্তেকাল

333
gb

দিরাই উপজেলা সংবাদদাতা //

মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা, সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার পৌরসভার চণ্ডিপুর গ্রাম নিবাসি, দিরাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ আব্দুল কুদ্দুস (৭৮) পৌরশহরের ধল রোডস্থ নিজ বাসভবনে বুধবার দিবাগত রাত ২টা ৩০ মিনিটে বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল­াহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন। তার পিতার নাম হাজী নাজির উদ্দিন, মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে ও ১ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন। বৃহস্পতিবার বেলা ২টা ২০ মিনিটে পৌরশহরের দোওজস্থ সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত মহিলা কলেজ মাঠে নামাযে জানাযা শেষে তাকে চণ্ডিপুর গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। নামাযে জানাযা শেষে দিরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) সাহিদুল আলমের নেতৃত্বে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এ সময় জানাযার নামাযে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান তালুকদার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) সাহিদুল আলম, পৌরসভার মেয়র মোঃ মোশাররফ মিয়া, আওয়ামী লীগ নেতা এ্যাডভোকেট শামসুল ইসলামসহ এলাকার সর্বস্তরের হাজার হাজার মানুষ। তার ইন্তেকালে দিরাইয়ের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ শোকপ্রকাশ করেন। তারা শোকবার্তায় মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। শোকপ্রকাশ কারীরা হলেন সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল­া) আসনের সংসদ সদস্য ড. জয়া সেনগুপ্তা, সাবেক সংসদ সদস্য বিএনপি নেতা নাছির উদ্দিন চৌধুরী, আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব ইউ,কে জমিয়তের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় জমিয়তের সহকারি মহাসচিব মাওলানা শুয়াইব আহমদ, দিরাই উপজেলা জমিয়তের সভাপতি মাওলানা নাজিম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুহিউদ্দিন ক্বাসেমী ও আমার সুরমা ডটকম সম্পাদক মুহাম্মদ আব্দুল বাছির সরদার প্রমুখ।