সরকারি হাসপাতালের সরঞ্জমাদি দিয়ে চলছে মা ক্লিনিক প্রতিনিয়ত বাড়ছে শিশু মৃত্যু হার

146
gb

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা //

গাইবান্ধা পলাশবাড়ী উপজেলা সদরে অবস্থিত মা ক্লিনিক এন্ড নার্সিং হোমের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম-ব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে। ফলে প্রতিনিয়তই বাড়ছে মা ও শিশু মৃত্যুর হার। তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, পলাশবাড়ী হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স ফাতেমা বেগম তার নিজস্ব বাসায় ২০১৭ সালের ফেব্ধসঢ়;রুয়ারি মাসে মা ক্লিনিক এন্ড নার্সিং হোম নামে একটি রেজিষ্ট্রিশন বিহীন বে-সরকারি ক্লিনিক গড়ে তোলে। নিজস্ব ডাক্তার, প্রশিক্ষিত স্টাফ নার্স না থাকার কারণে প্রতিনিয়তই এই নার্সিং হোমে ঘটছে একের পর এক মৃত্যুর ঘটনা। গত ১ বছরে এখানে সন্তান জন্ম দিতে এসে প্রাণ হারিয়েছেন অসংখ্যক মা ও শিশু। শুধুমাত্র ১০টি বেড, অপারেশন থিয়েটার ছাড়া স্বাস্থ্য সম্মত চিকিৎসা সেবা প্রদান করার মত প্রয়োজনীয় কোন যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জমাদি নেই। সিনিয়র স্টাফ নার্স হাসপাতালের সরকারি ভাবে বরাদ্দকৃত অপারেশনের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ওষুধপত্র ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত ডাক্তার দিয়েই চলে অপারেশনসহ ক্লিনিকের সার্বিক কার্যক্রম। হাসপাতালে সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে এক যুগেরও বেশি সময় ধরে দায়িত্ব পালন করা কালে তিনি হাসপাতাল ও এর আশপাশ এলাকায় একটি চিহ্নিত দালালচক্র তৈরি করেছে। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা ডেলিভারী রোগীদের আসলেই ফুসলিয়ে-ফাসলিয়ে দালালচক্রের মাধ্যমে তার ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয়। অপারেশনের দায়িত্বে থাকেন হাসপাতালের টিএইচও ডাঃ ওয়াজেদ আলী। এখানে যেন রকক্ষরাই-ভক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ! ক্লিনিক ম্যানেজার মোহাম্মদ আলী জানান, নার্সিং হোমটির রেজিষ্ট্রেশন না থাকলেও উদ্বোধনের পর হতে ১ বছরে এ পর্যন্ত ২৮৭০ জনকে গর্ভবর্তী মহিলার নরমল ও ৫৫৪ জনকে অপারেশনের মাধ্যমে ডেলিভারী করানো হয়েছে। এ ব্যাপারে পলাশবাড়ী হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স ফাতেমা বেগমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি পরে কথা বলবেন বলে জানান। নার্সিং হোমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সিনিয়র স্টাফ নার্স ফাতেমা বেগমের বড় ভাই এনামুল কবির হায়দারের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, নার্সিং হোমের রেজিষ্ট্রেশন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মা-শিশু মৃত্যুর ঘটনা জানাতে চাইলে তিনি কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ ওয়াজেদ আলীর সাথে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিফ করেননি। জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আব্দুস শাকুর-এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।