সাপাহার সীমান্তে কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে চোরাকারবারীরা সরব

166
gb

 

গোলাপ খন্দকার সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ

পবিত্র কোরবানীর ঈদকেসামনে রেখে সীমান্তবর্তী সাপাহার উপজেলার ঘুমন্ত গরু চোরাকারকারীরাআবারও সরব হয়ে উঠেছে। যে কোন মূল্যে তারা ভারত থেকে গরু আনতেমরিয়া হয়ে উঠেছে।সীমান্তের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দু’একজন চোরাকারবারী জানিয়েছেন
বেশ কিছু দিন অতিবাহীত হয়ে গেলেও ভারত সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কঠোরতৎপরতা ও নজরদারীর কারনে সাপাহারে বীট খাটালের মাধ্যমে করিডোর চালুথাকলেও গরু আনা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে কোরবানীকে সামনে রেখে তারাআবারো সরগরম হয়ে উঠেছে। টানা বেশ কিছুদিন তাদের এইচোরাকারবারী ব্যবসা মন্দা যাওয়ায় এখন তারা অতীতের ক্ষতি পুশিয়ে নিতেব্যাস্তএরা স্থানীয় বিজিবি, হোমড়া, চোমড়া কাওয়া নেতাদের ম্যানেজ করেইতারা মাঠে নেমেছে বলেও জানা গেছে। প্রয়োজনীয় সংখ্যক গরু আনতনা পারলেও তারা এখন সীমান্ত এলাকায় প্রতি রাতে মহড়া সহ আনাগোনকরছে। সীমান্ত রক্ষীবাহিনী যতই তৎপর থাকুকনা কেন অধিক লাভের আশায়তারা এখন ভারত থেকে গরু আনবেই মনোবলে বদ্ধপরিকরএ বিষয়ে বিটখাটালের মালিক জিল্লুর রহমানের সাথে কথা হলে তিনিজানান যে, বর্তমানে বিট খাটালের অবস্থা ভাল নয় ভারত সীমান্তরক্ষী বাহিনীখুব কঠোর তারা গরু আনতে দিচ্ছেনা। সোমবার রাতে বামনপাড়া ও
আদাতলা সীমান্ত এলাকা দিয়ে মাত্র ৮টি গরু এসেছে। তবে কোরবানীর দিনযতই ঘনিয়ে আসবে গরু আমদানী একটু হলেও বাড়বে।
আদাতলা বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার এর সাথে ফোনে বারবার কথা বলার চেষ্টাকরা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করার কারণে তার সাথে কথা বলা সম্ভবহয়নি। তবে এবছর দেশেই গরুর দাম অন্যান্য বছরের তুলনায় অনেকাংশে কম।ভারত থেকে গরু আমদানী বাড়লে গরুর মূল্য আরোও কমবে। সাপাহারে এবছরআমের ফলনও হয়েছে বাম্পার ধনী, গরীব সকলেই আম বিক্রির টাকা হতেকোরবানী দিতে পারবে সে হিসেবে গত বছরের তুলনায় এবারে উপজেলায় কোরবানীর পশুর সংখ্যাও বেড়ে যাবে বলে অভিজ্ঞমহল মনে করছেন।