সন্তান পালনের আদর্শ পদ্ধতি

1,298
gb

মো:নাসির নিউ জার্সি, আমেরিকা থেকে ||

বাচ্চা বড় হওয়ার সঙ্গে বাবা-মায়ের চিন্তা বাড়তে থাকে। তা অবশ্য অনেক কারণে। ভালো পড়াশোনা, মানুষের মতো মানুষ হওয়া, ইত্যাদি। কিন্তু প্রত্যেক বাবা-মায়ের কাছে আজকের দিনের একটি বড় চ্যালেঞ্জ হল, তাঁদের বাচ্চার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা। যাতে বাবা-মায়ের নজরের আড়ালে বাচ্চারা কোনও ভুল কাজ করে না বসে। তাই সম্পর্ক মজবুত রাখতে মাথায় রাখুন কিছু বিষয়। বাচ্চাদের সঙ্গে বাবা-মায়ের ব্যালেন্স করে চলতে হয়। আপনিও যদি আপনার শিশুর সঙ্গে মিষ্টি, মধুর ও মজবুত সম্পর্ক গড়ে তোলেন, তবে জানা থাক এই বিষয়গুলি-

বাচ্চার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি : বাচ্চাদের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করবেন না। এতে ক্ষতি ছাড়া ভালো হয় না। বাচ্চা হলেও তাদের স্বাধীনতা দেওয়া দরকার। যাতে ভয় না পেয়ে আপনার কাছে এসে তারা মনের কথা বলতে পারে অনায়াসে।

বাড়িতে বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ : বাবা-মায়ের কথা মতো বাচ্চাদের চলতে হবে! এমনটা সবসময় করা উচিত না। বাবা-মায়ের কড়া নিয়মকানুন ভঙ্গ হলে, বকা খাওয়ার ভয়ে সন্তান অনেক কিছুই লুকিয়ে যেতে পারে। বলা যায় না, এর থেকে অঘটন কিছু ঘটে গেল! তাই বাড়িতে বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা প্রয়োজন।

বিধিনিষেধ : বাচ্চাদের জন্য সব বিষয়ে বিধিনিষেধ না রাখাই ভালো। এটা করবে না, ওটা করবে না, এই বাঁধন থেকে শিশুকে মুক্ত করে দিন।

উভয়ের মধ্যে সুন্দর বোঝাপড়া : বাচ্চার সঙ্গে অভিভাবকের স্বচ্ছ বোঝাপড়া থাকা খুব প্রয়োজন। শিশুর ইচ্ছে-অনিচ্ছেকেও প্রাধান্য দেওয়া প্রয়োজন। নয়তো বড় হওয়ার সঙ্গে বাচ্চা ও বাবা-মায়ের দূরত্ব তৈরি হতে পারে।

শৃঙ্খলা : ছোটো থেকে বাচ্চারা যাতে সব বিষয়ে শৃঙ্খলাবদ্ধ হয়, বাবা-মায়েদের সে বিষয়ে নজর রাখা দরকার। তবে কঠোর হয়ে নয়। বন্ধুত্বপূর্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে বাচ্চাদের ভুল শুধরে দিতে পারবেন। একই সঙ্গে নিজেদের সম্পর্কও সুন্দর হবে।

একেবারে বাঁধন ছাড়া নয় : স্বাধীনতা দিতে হবে বলে বাচ্চা যা ইচ্ছে তাই করুক, এমনটা কিন্তু একেবারেই ঠিক নয়। নয়তো ভুলঠিকের জ্ঞান কোনও কালেই হবে না