অনিয়ম দূর্ণীতি ও ষড়যন্ত্রের প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

287
gb

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটা যুবলীগের সভাপতি মিন্নুর ও নব্য আওয়ামী লীগার চোরাকারবারি নূর আমীন গাজীর অনিয়ম, দূর্ণীতি ও ষড়যন্ত্রের প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সস্মেলন করেন দেবহাটার পারুলিয়া গ্রামের ব্যবসায়ি তপন বিশ্বাস।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, পারুলিয়া বাসস্টা-ে তার বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও গুদামসহ সাত শতক জমি রয়েছে। ওই জমিতে থাকা গুদামঘরটি দু’ দফায় ২০০৪ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত সাতক্ষীরা শহরের রাধানগরের মাহাবুব বিশ্বাসকে ভাড়া দেন। ভাড়া সংক্রান্ত চুক্তিপত্রে নুর আমিন সাক্ষী হিসেবে সাক্ষর করেন। ভাড়া দেওয়ার গুদাম ঘরের পার্শ্ববর্তী চার শতক কেনা জমি তিনি একই এলাকার শেখ আবুল হোসেনের কাছে ১৯৯৭ সালে বিক্রি করেন। ওই চার শতক জমি বর্তমান মাঠ জরিপে নিজ ১৮০০ ডিপি খতিয়ানে অর্ন্তভুক্ত করে তার (তপন) রেকডীয় প্রায় এক শতক জমি জবরদখল করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করে শেখ আবুল হোসেন। এ নিয়ে তিনি দেওয়ানী আদালতে মামলা করেন। এরপরও নূর আমিনের ইন্ধনে‘১৫ সালের ২৩ জুন শেখ আবুল হোসেন, তার সহযোগিরা তার ভাড়া দেওয়া গুদামঘরে এমআর ফিসের ঘরে তালা ঝুলিয়ে সামনে পলাশ এন্টারপ্রাইজ সাইন বোর্ড ঝুলিয়ে দখলে নেওয়ার চেষ্টা করে। পরে আদালতের নির্দেশে পুলিশ তাকে জায়গা বুঝিয়ে দিলেও মিন্নুর শালিসে উভয়ক্ষকে ডেকে মধ্যস্ততার নামে তার কাছ থেকে জোরপূর্বক চারটি সাদা কাগজে সাক্ষর করিয়ে নেন। পরে পুলিশিং কমিটির সাধারণ সম্পাদককে দিয়ে আমার ও ছেলেদের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ২৫ আগষ্ট আদালতে মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, এক জমি দু’বার দখল করার লক্ষ্যে যুগ্ম জজ আদালতে গত ১৫ নভেম্বর আবুল হোসেনের পক্ষে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করলে গত ১৩ ডিসেম্বর মহামান্য হাইকোর্ট নিম্ন আদালতের রায়ের উপর স্থিতাবস্থা জারি করেন। ওই গুদামঘর ও জমি জবরদখলের চেষ্টার বিরুদ্ধে গত ২৩ নভেম্বর‘১৭ অভিযোগ করলে পুলিশ সুপারের নির্দেশ পেয়েও কোন ব্যবস্থা নেননি দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী কামাল হোসেন। ফলে ৩০ নভেম্বর তারা ২৫/৩০ জন ওই গুদাম ঘর দখল করে নেন। তিনি আরো বলা হয়, মিন্নুর ও নুর আমিন ও তাদের সহযোগিদের চাঁদাবাজি, জমি দখলসহ বিভিন্ন কর্মকা-ে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে এলাকার সাধারণ মানুষ। সম্প্রতি মিন্নুরের বিরুদ্ধে পারুলিয়া মাছ বাজারের নজরুলের জায়গা, নুর আমিনের সঙ্গে যৌথভাবে উত্তর পারুলিয়ার ফুটি বিবি, কমলা ও বেদানার জমি জবরদখল, রফিকুলের জায়গা জবরদখল, দক্ষিণ পারুলিয়ার ওয়াজেদ আলী ও তার শরিকদের জায়গা দখল, পুটিমারির বিনয় হালদারের কলেজ পড়–য়া মেয়ে অপহরনকারিকে মদত, অভিযোগ সম্প্রতি বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশ পায়।
এব্যাপারে দূর্ণীতিবাজ মিন্নুর ও নূর আমীন গাজীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রি, গোয়েন্দা সংস্থা, জেলা প্রশাসক ও পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, জেলা মন্দির সমিতির সভাপতি ও বাংলাদেশ পুজা উদ্যাপন পরিষদের সাতক্ষীরা জেলা শাখার সম্পাদক বিশ্বনাথ ঘোষ, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার শীল, জেলা মন্দির সমিতির সাধারণ সম্পাদক রঘুজিৎ গুহ, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক বিকাশ দাস, অনুপ কুমার বিশ্বাস