প্রভাব পড়বে আগামী নির্বাচনে নৌকার পালে নোয়াখালীর চরএলাহীতে মহল বিশেষের সা¤প্রতিক তৎপরতায় ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে আওয়ামীলীগ

452
gb

বিশেষ প্রতিবেদক,
সা¤প্রতিক সময়ে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জউপজেলার চরএলাহীতে একটি মহল বিশেষের কৌশলীঅপপ্রচারে জাতীয় নির্বাচনের বছরে ক্ষতিগ্রস্থহচ্ছে আওয়ামীলীগ। এই মহল বিশেষটি এতবেশিউৎসাহী যে, তারা বছর দুয়েক আগের কথিত ধর্ষণসহ অলৌকিক ঘটনাবলিকে পুঁজি করে স্থানীয়পর্যায়ে ভাড়াটিয়া লোকজন দিয়ে মানববন্ধন এবংমানববন্ধন পরবর্তি সংবাদ স্যোসাল মিডিয়া
সহ কিছু অনলাইনে প্রকাশ করে ক্ষতিগ্রস্থ করছেআওয়ামী রাজনীতিকে। বিভিন্ন সূত্রমতে উপজেলাপর্যায়ের কতিপয় আওয়ামীলীগ নেতার গোপনইন্ধন এবং জামাতের সাথে সখ্যাতাকারী কতিপয়সাংবাদিকের অতি বাড়াবাড়িতে এই এলাকায়¤øান হতে যাচ্ছে আওয়ামীলীগের সকল উন্নয়নকর্মকান্ড। প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে আওয়ামীলীগ । এমনদাবী খোদ দলের স্থানীয় নেতাদের। তাদের দাবী এর
সুদূর প্রসারি কুফল আগামী জাতীয়নির্বাচনে নৌকার পালে লাগবে।সরজমিন অনুসন্ধান এবং বিভিন্ন সূত্রমতে
জানা গেছে চরএলাহী দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতিমোজাম্মেল হোসেন মেম্বারের বিরুদ্ধেএলাকাবাসীর নামে চরএলাহী যুবলীগ উত্তরেরসাধারণ সম্পাদক বর্তমান ইউনিয়ন চেয়ারম্যানআব্দুর রাজ্জাকের সমর্থিতরা যেসব কর্মকান্ডেলিপ্ত তাতে ভাবিয়ে তুলছে দলের নেতাকর্মীদের।বৃহস্পতিবার হাসেম বাজার সংলগ্ন জনৈকইসমাইলের বাড়ির সামনে মানববন্ধন করে তারা।মানববন্ধনকারীরা মোজাম্মেল মেম্বারের বিচারদাবী করে। পরবর্তিতে স্যোসাল মিডিয়ায় এবংকতিপয় অনলাইনে মানববন্ধনকারীদের বরাত দিয়েপ্রকাশিত সংবাদে মোজাম্মেল মেম্বারকেনোয়াখালীর এরশাদ সিকদার, তার বিরুদ্ধে খুন,ধর্ষণ, চাঁদাবাজি সহ নানাবিধ অভিযোগআনা হয়। মানববন্ধনে কথিত ধর্ষণের স্বীকারতরুণীটির বাবা মোস্তফা এবং মাতা ছেমনাখাতুনকে হাজির করে তাদের আবেগজড়িত বক্তব্যজনসম্মখে প্রকাশ করা হয়েছে। অনুসন্ধানে জানাগেছে কথিত এই ধর্ষণের ঘটনাটি দুই বছরআগের। ঘটনায় হাছিনা আক্তার বাদী হয়েএকটি মামলা করে, কোম্পানীগঞ্জ থানায় মামলানং-০১, নাঃশিঃ নং ৭৩৫/১৬। এ মামলায় মেডিক্যালরিপোর্টে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নিবলে জানা গেছে। মামলাটি বর্তমানেবিচারাধীন। স্যোসাল মিডিয়ায় ধর্ষণ সহযেসব মামলাগুলোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে যেমন,
মামলা নং-০৩, জিআর নং-১৭০/১৬, আয়েশা বেগমবাদী হয়ে একটি মামলা করে, মামলা নং-১০, জিআরনং-১৫৫/১৬ ছেমনা খাতুন বাদী হয়ে একটিমামলা করে, মামলা নং-০২, জিআর নং-১৬৯/১৬।এইসব মামলাগুলো একই পরিবার কতৃক একই দিনেদায়ের করা। এই মামলাগুলো দায়ের করেছে কথিতধর্ষিতার ভাই ইসমাইলের পরিবারের সদস্যরা। আরএই মামলাগুলো দায়ের করা হয়েছিল গত ইউপিনির্বাচনের পূর্বে। স্থানীয়দের মতে মামলাগুলোদায়ের করা হয়েছিল উত্তরের এক বিশেষ ব্যাক্তির দলীয়মনোনয়ন প্রাপ্তির সুবিধার্থে। মামলাগুলোতে
মোজাম্মেল মেম্বার জামিনে রয়েছেন।রাজনৈতিক সচেতন মহলে প্রশ্ন উঠেছে,সাম্প্রতিক সময়ে শান্ত চরএলাহীতে জনপ্রিয়আওয়ামী সংগঠক মোজাম্মেল মেম্বারের বিরুদ্ধেনন ইস্যুকে ইস্যু করে চরএলাহীকে উত্তপ্ত করাহচ্ছে কার স্বার্থে? চরএলাহী কোম্পানীগঞ্জের
সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন। সাগর বিধোত এইইউনিয়নে প্রতিনিয়তই দৃশ্যমান হচ্ছে নতুননতুন চর। মাইলের পর মাইল শত হাজার একর এই চরসমূহ দখলে বরাবরই একটি মহল তৎপর থাকে।বিভিন্ন সূত্রমতে মোজাম্মেল হোসেনের বাড়ি
দক্ষিণাঞ্চলে। স্বভাবতই চরগুলো তার এলাকায়। স্থানীয়আওয়ামীলীগের অনেক নেতাই এই প্রতিবেদকের
কাছে অভিযোগ করেছেন, মোজাম্মেলের বিরুদ্ধেসাম্প্রতিক মানববন্ধন সহ অপপ্রচার অনেকটা
পরিকল্পিত। কথিত ভুয়া অভিযোগ এনে মোজাম্মেলমেম্বারকে কোনঠাসা করা গেলে দক্ষিণের নিয়ন্ত্রনভার লাভ করা যাবে সহজেই। নোয়াখালীর দক্ষিণাঞ্চলেরএক শ্রেনীর রাজনীতিবিদদের ভুয়া নথি সৃজনের
মাধ্যমে তা বিক্রী করে কোটি কোটি হাতিয়েনেওয়ার প্রবনতা রয়েছে। স্থানীয় আওয়ামীলীগ
নেতাকর্মীরা জানায়, তরুণ বয়স থেকেমোজাম্মেল বঙ্গবন্ধুর অনুসারি । ২০০৪ সালে
বিএনপির কর্মী নূর ইসলামের মৃত্যুর ঘটনায়রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য হত্যামামলা দায়ের করা হয়। পরিবর্তিতে মৃত্যুটি হত্যায়প্রমানিত না হওয়ায় আদাল মোজাম্মেল মেম্বারসহ সকল আসামীকে বেখুসুর খালাস প্রদান করে।কিন্তু কতিপয় সাংবাদিক বিএনপি কর্মীর মৃত্যুরঘটনায়ও মোজাম্মেলের বিরুদ্ধে অপপ্রচারচালাচ্ছে। বারবার বিএনপির প্রতিহিংসার স্বীকারমোজাম্মেল মেম্বারকে নির্যাতনের স্বীকার হতেহয়েছিল বিএনপির ক্ষমতাকালীন সময়ে। ২০০৪সালে তৎকালীন বিএনপির পুলিশ, আওয়ামীলীগ করার

অপরাধে মিথ্যা ডাকাতির মামলায় গ্রেফতার করেথানায় অকথ্য নির্যাতন করে মোজাম্মেল মেম্বারেরহাতের নখ তুলে নেয় নির্দয়ভাবে । স্থানীয়আওয়ামীলীগ নেতারা জানান, বর্তমানে যিনিউত্তরের নেতা তখন তিনি বিএনপি নেতা ও
ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন তোতার মটরসাইকেল ড্রাইভার কাম দেহরক্ষী ছিলেন। বিশেষ
মহলের পক্ষতুষ্ট সাংবাদিক মহলটি যাদের বক্তব্য তাদেরপ্রতিবেদনে তুলে ধরেছেন এরা সকলে দলেঅনুপ্রবেশকারী। এদের একজন মো: বাকেরহোসেন ওরফে বাকের সর্দার। তিনি দলের কোনোপদে না থাকলেও পক্ষতুষ্ট সাংবাদিক মহলটি তাকে
ইউনিয়ন আ’লীগের দক্ষিন শাখার সাংগঠনিকসম্পাদক হিসাবে উল্লেখ করেছে। সে একসময়বিএনপির ক্যাডার ছিল। গাংচিল বাজারের খালদখলকারী আবু তাহের সওদাগরকে খাল দখল থেকেনির্বত রাখতে মোজাম্মেল মেম্বার বাধা দেওয়ায়তাহের সওদাগর মোজাম্মেল মেম্বারের বিরুদ্ধেচাঁদা আদায়ের অভিযোগ এনেছে বলে জানাগেছে। এরকম অনেকেরই বক্তব্য স্যোসাল মিডিয়া
সহ বিভিন্ন অনলাইনে দেখা গেলেও সরজমিনেদেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। নোয়াখালীর এরশাদসিকদার নয়, দলীয় নেতাকর্মীদের মতে মোজাম্মেলমেম্বাররা আওয়ামীলীগের অতন্ত্র প্রহরী। ইউনিয়ন

আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক এইপ্রতিবেদককে দক্ষিণের মোজাম্মেল নয়,নির্যাতনকারী হিসাবে উত্তরের এক নেতার প্রতিতীর ছুড়ে মেরেছেন।বিভিন্ন সূত্রমতে চরএলাহীর নতুন জেগে ওঠাহাজার হাজার একর ভূমি দখলের উদ্দেশ্যেপরিকল্পিতভাবে নন ইস্যুকে ইস্যু বানিয়েমোজাম্মেল মেম্বারকে বিতর্ককিত করে তাদেরফয়দা হাসিলের মিশন জনসম্মুখে প্রকাশ হয়েগেছে। রাজনৈতিক ছত্র ছায়ায় ভূমি দস্যুরা যেমিশন শুরু করেছে তা সফল হলে খেসারত দিতে হবেআওয়ামীলীগকে। বর্তমান সরকারের আমলেচরএলাহীতে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড সাধিতহয়েছে। সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ডে দিশেহারাপ্রতিপক্ষ। দলের নীতিনির্ধারকরা এখনই যদি
চরএলাহীর সাম্প্রতিক নাটকগুলোর বন্ধের উদ্দ্যেগগ্রহন না করে তাহলে ক্ষতিগ্রস্থ হবেআওয়ামীলীগ, যার প্রভাব পড়বে আগামী
নির্বাচনে নৌকার পালে।