সরকারের পক্ষ থেকে গুচ্ছ গ্রাম করে দেয়া হয় নবীগঞ্জে ভূমিহীন পাড়ায় উত্তেজনা ও সরকারী ভূমি দখলের মহোৎসব গৃহ নির্মাণ,পুকুর ও খাল খনন

413
gb

 

মতিউর রহমান মুন্না, নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি \ \

হবিগঞ্জ জেলারনবীগঞ্জ উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের এনাতাবাদ গ্রামে অবস্থিত গুচ্ছগ্রামএলাকায় সরকারের খাস খতিয়ানভুক্ত ও জেলা প্রশাসকের ভূমিতে গৃহনির্মাণ,পুকুর ও খাল খনন এবং পুকুরের মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনাবিরাজ করছে।ওই এলাকায় গৃহ নির্মাণে করে লক্ষ লক্ষ টাকার দখল বাণিজ্যেরঅভিযোগ উঠেছেন স্থানীয়রা। দখল প্রতিযোগিতায় লিপ্ত লোকজনের মধ্যে যেকোন মুহুর্তে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা করা হচ্ছে।দখল বাণিজ্যের বিষয়েগুচ্ছগ্রামভুক্ত ৩০ পরিবারের পক্ষ থেকে নবীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)আতাউল গণি ওসমানীকে অবহিত করা হয়েছে।দায়িত্ব প্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহীকর্মকর্তা স্থানীয় তহশীল অফিসকে দখলদার চক্রের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।এছাড়াও শান্তি শৃংখলা রক্ষায় দখলদার চক্রের বিরুদ্ধেদ্রæত পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজন। উপজেলাপ্রশাসন ও স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার উল্লেখিত গ্রামে হবিগঞ্জ জেলাপ্রশাসকের খতিয়ানভুক্ত ১নং রতনা বিল এলাকায় স¤প্রতি হতদরিদ্র ভূমিহীন৩০টি পরিবার নিয়ে সরকারী উদ্যোগে গুচ্ছ গ্রাম প্রতিষ্ঠা করা হয়।এবংএনাতাবাদ মৌজার ১নং খতিয়ানের জেএল নং ৯৩, দাগ নং ১২২৫ ও ২৯ এর জমিতেসরকারী ভাবে প্রত্যেক পরিবারকে পৌনে তিন শতক ভূমিতে সরকারী খরচে গৃহনির্মাণ,পুকুর এবং বৈঠকখানা নির্মাণ করে দেয়া হয় ২০১১ সালের ৩০ নভেম্বর।দখল সহকারে প্রতিটি পরিবারকে সমজিয়ে দেয়া হয় নিজ নিজ আবাসস্থল।বিভিন্ন সময়ে প্রশাসনের তরফ থেকে তাদের খোঁজ খবর নেয়া হয়। সম্প্রতি ওইএলাকায় বিশেষ একটি মহল অবৈধ দখল প্রক্রিয়া শুরু করে।সরকারী ভাবে খাজনাপরিশোধের নামে পরিত্যক্ত ভূমি খনন করে মাটি উত্তোলন,গৃহ নির্মাণ ও পুকুরখননের মাধ্যমে আধিপত্য বিস্তার শুরু করে। এনিয়ে প্রশাসনের নিরব ভূমিকায়সচেতন মহলে ক্ষোভ দেখা দেয়। অপরদিকে দখলদার বাহিনীর ক্রমাগত হুমকিতে গুচ্ছগ্রামভুক্ত ৩০টি পরিবারে উদ্ধেগ, উৎকণ্ঠা দেখা দেয়। অবৈধ দখল,গৃহ নির্মাণ ওমাটি উত্তোলন চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানানো হয়। নামপ্রকাশে অনিচ্চুক গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে গুচ্ছ গ্রামের একাধিক লোকজনপ্রতিনিধিকে জানান, তাদের ৩০ পরিবারের সমন্বয়ে আনুষ্ঠানিক বৈঠক শেষেঅবৈধ গৃহ নির্মাণ, মাটি খনন ও উত্তোলন বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনকে অবহিতকরা হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)আতাউল গণি ওসমানী বলেন, ৩০ পরিবারের নিরাপত্তা ও অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ এবংসরকারী মাটি খননকারীদের বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এবংসরকারের ভূমি থেকে শক্তির প্রভাবে মাটি উত্তোলন, পুকুর খনন এবং গৃহনির্মাণকারীদের কোন প্রকার ছাড় দেয়া হবেনা।