তাহিরপুর সীমান্তে চোরাচারানীদের রামরাজত্ব,৭টন চোরাই কয়লা জব্দ

264
gb

নিজেস্ব প্রতিনিধি,সুনামগঞ্জ:
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সীমান্ত এখন চোরাচালানীদের রামরাজত্বেপরিণত হয়েছে। বিজিবি অভিযান চালিয়ে আবারও ৭ মে.টনচোরাই কয়লা জব্দ করলেও সোর্স পরিচয়ধারী বিভিন্ন মামলারআসামীদের আটক করতে পারেনি। জব্দকৃত কয়লার মূল্য ৭০হাজারটাকা টাকা।
এব্যাপারে বিজিবি ও এলাকাবাসী জানায়,প্রতিদিনের মতোআজ ১৭.০২.১৮ইং শনিবার ভোর ৫টায় বিজিবি চোখ ফাঁকিদিয়ে চাঁদাবাজি মামলা নং-জিআর- ১৬৩/০৭ইং এর জেলখাটাআসামী জিয়াউর রহমান জিয়া,তার সহকর্মীচোরাচালান,চাঁদাবাজি ও বিজিবির উপর হামলাসহ মোট ৮টিমামলার জেলখাটা আসামী কালাম মিয়া ও কয়লা চোরাচালান মামলানং-৯,জিআর- ১৫৮/০৭ইং এর আসামী আব্দুর রাজ্জাক তাদের একান্তসহযোগী আব্দুল হাকিম ভান্ডারী ও ইদ্রিস আলীকে নিয়েবালিয়াঘাট সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারত থেকে কয়লা পাচাঁর করেজিয়াউর রহমান জিয়া ও আব্দুর রাজ্জাকের বাড়ির সামনে অবস্থিতপাটলাই নদীর বাঁধের উপর নিয়ে মজুত করে নৌকা বোঝাই করার
সময় ও লাকমা,বালিয়াঘাট সড়কে পৃথক অভিযান চালিয়েটেকেরঘাট বিজিবি ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার সুবেদার রাশেদখান ১০৪বস্তা (৭মে.টন) কয়লা জব্দ করেন। এসময় সোর্সপরিচয়ধারী চোরাচালানী জিয়াউর রহমান জিয়া,আব্দুল হাকিমভান্ডারী,ইদ্রিস আলী ও কালাম মিয়াসহ অন্যরা দৌড়ে পালিয়ে যায়।এব্যাপারে টেকেরঘাট বিজিবি ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডারসুবেদার রাশেদ খান বলেন,সীমান্ত চোরাচালানীদেরকে অবৈধমালামালসহ গ্রেফতারের জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।উল্লেখ্য,এর আগে চোরাচালানী সোনা মিয়ার লালঘাটের বাড়িথেকে ১৭বোতল ভারতীয় মদ,পার্শ্ববর্তী বাঁশতলার দিয়ে সোর্সপরিচয়ধারী চোরাচালানী শফিকুল ইসলাম ভৈরব ও ফালান মিয়াগংকয়লা পাচাঁরের সময় ২৭বস্তা(দেড় টন) কয়লা ও লালঘাট দিয়েপাচাঁরের সময় ৫৮বোতল ভারতীয় মদ,লাকমা পশ্চিমপাড়া গ্রামের
সোর্স আব্দুল হাকিম ভান্ডারীর বাড়ি থেকে ১০৫বস্তা(৭মে.টন)কয়লা ও লালঘাট গ্রামের সোর্স পরিচয়ধারী কালাম মিয়ার বাড়ি
থেকে ১বস্তা ভর্তি ২০০বোতল মদ জব্দ করা হলেও এখনও পর্যন্তআইনগত কোন পদক্ষেপ নেয়নি বিজিবি ও পুলিশ। যার ফলে উপরের
উল্লেখিত চোরাচালানী ও বিভিন্ন মামলার জেলখাটা আসামীরানিজেদেরকে বিজিবি ও পুলিশ সোর্স পরিচয় দিয়ে প্রতিদিন
কয়লার বস্তায় করে ও পাথরের ট্রলি দিয়েমদ,গাঁজা,হেরুইন,ইয়াবা,মোটর সাইকেল,গরু ও অস্ত্র পাচাঁরকরছে।